০৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিমের জন্য হাহাকার নিউজিল্যান্ডে

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বাজারে ডিম নেই। খালি পড়ে আছে ঝুড়ি। ব্যাটারি চালিত খাঁচা নিষিদ্ধের পর থেকেই নিউজল্যান্ডে দেখা দিয়েছে ডিমের হাহাকার। মুরগি পালন ও নিজ উঠানে পোলট্রি ফার্ম তৈরি করতে উঠেপড়ে লেগেছে মানুষ। বাজারে কিংবা অনলাইনে মুরগি আর ডিমের খোঁজ চলছে। তবে বেশির ভাগই ছুটছেন ডিমপাড়া মুরগি কেনার পেছনে। ব্যাটারি খাঁচা মূলত ডিম পাড়া মুরগির জন্য ব্যবহার করা হয়। চাহিদা অনুযায়ী ডিম উৎপাদনে বিশ্বে এর জুড়ি নেই। তবে কিছু অসুবিধাও আছে এই খাঁচায়। এখানে থাকা মুরগি তার স্বাভাবিক জীবণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বদ্ধ এ খাঁচায় থাকতে থাকতে শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিরূপ প্রভাবও সৃষ্টি হয় মুরগির। এ ধরনের খাঁচা পাখিদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হিসাবে বিবেচিত। যার কারণে চলতি বছরের প্রথম দিনেই দেশটিতে এসব খাঁচা বেআইনি ঘোষণা করা হয়।  অবশ্য ২০১২ সালেই এ খাঁচা নিষিদ্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বছরের শুরুতে এ খাঁচা নিষিদ্ধের পর ডিম ও ডিম পাড়া মুরগির সংখ্যা কমে যায়। সাথে সাথে মানুষের ঝোঁক বাড়ে মুরগি প্রতিপালনে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

‘এখন শুধু নাম বাদ যাচ্ছে, ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যছাড়া করব’, হুঙ্কার অমিত শাহের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ডিমের জন্য হাহাকার নিউজিল্যান্ডে

আপডেট : ১৩ জানুয়ারী ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বাজারে ডিম নেই। খালি পড়ে আছে ঝুড়ি। ব্যাটারি চালিত খাঁচা নিষিদ্ধের পর থেকেই নিউজল্যান্ডে দেখা দিয়েছে ডিমের হাহাকার। মুরগি পালন ও নিজ উঠানে পোলট্রি ফার্ম তৈরি করতে উঠেপড়ে লেগেছে মানুষ। বাজারে কিংবা অনলাইনে মুরগি আর ডিমের খোঁজ চলছে। তবে বেশির ভাগই ছুটছেন ডিমপাড়া মুরগি কেনার পেছনে। ব্যাটারি খাঁচা মূলত ডিম পাড়া মুরগির জন্য ব্যবহার করা হয়। চাহিদা অনুযায়ী ডিম উৎপাদনে বিশ্বে এর জুড়ি নেই। তবে কিছু অসুবিধাও আছে এই খাঁচায়। এখানে থাকা মুরগি তার স্বাভাবিক জীবণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বদ্ধ এ খাঁচায় থাকতে থাকতে শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিরূপ প্রভাবও সৃষ্টি হয় মুরগির। এ ধরনের খাঁচা পাখিদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হিসাবে বিবেচিত। যার কারণে চলতি বছরের প্রথম দিনেই দেশটিতে এসব খাঁচা বেআইনি ঘোষণা করা হয়।  অবশ্য ২০১২ সালেই এ খাঁচা নিষিদ্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বছরের শুরুতে এ খাঁচা নিষিদ্ধের পর ডিম ও ডিম পাড়া মুরগির সংখ্যা কমে যায়। সাথে সাথে মানুষের ঝোঁক বাড়ে মুরগি প্রতিপালনে।