১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়:  পরিবারের মৃত ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী 

বিক্ষোভের ছবি-রমিত বন্দ্যোপাধ্যায়

পুবের কলম প্রতিবেদক:  পরিবারের মৃত ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শুক্রবার টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৩ শতাংশ শিক্ষাকর্মী পদ শূন্য রয়েছে। সেই পদ পূরণের জন্য একাধিকবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে দরবার করা হয়েছে। এদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান বিক্ষোভের জেরে কলেজ স্ট্রিটের ক্যাম্পাস পুরোপুরি বন্ধ ছিল।

আরও পড়ুন: রাজ্যের ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে স্থায়ী উপাচার্য, বাকি আরও ৭

তাঁদের দাবি,  কর্মরত অবস্থায় মৃত পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া ফের চালু করতে হবে।

আরও পড়ুন: নয়া শিক্ষানীতি মেনে পরীক্ষা দায়িত্ব এবার কলেজগুলিকে

শতাব্দী প্রাচীন,  ঐতিহ্যবাহী,  কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের গেটে এদিন সকাল থেকেই পিকেটিং শুরু করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী সংগঠনের সদস্যরা।

আরও পড়ুন: স্নাতকে দুই পদ্ধতিতে ভর্তি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

পড়ুয়া ও শিক্ষকদের কাছে শুক্রবার ক্লাসে যোগ না দেওয়ার আবেদন জানান ধর্মঘটীরা। যদিও এই নিয়ে কাউকে জোর করা হয়নি বলে দাবি তাঁদের। বিক্ষোভরতদের দাবি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় মৃত কর্মীদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া ২০১২ সাল পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল। কর্মী সংগঠনের অভিযোগ, ২০১২ সালের পর থেকে সেই প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। লাগাতার আন্দোলনের পরেও কর্তৃপক্ষ ও সরকারের টনক নড়েনি বলে অভিযোগ। তার প্রতিবাদে শুক্রবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ক্যাম্পাসে ধর্মঘটের ডাক দেয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। এবিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সর্বধিক পাঠিত

নতুন করে স্বাস্থ্যের অবনতি হয়নি আক্রান্তদের, নিপা আক্রান্তের খবর নেই

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়:  পরিবারের মৃত ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী 

আপডেট : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম প্রতিবেদক:  পরিবারের মৃত ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শুক্রবার টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৩ শতাংশ শিক্ষাকর্মী পদ শূন্য রয়েছে। সেই পদ পূরণের জন্য একাধিকবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে দরবার করা হয়েছে। এদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান বিক্ষোভের জেরে কলেজ স্ট্রিটের ক্যাম্পাস পুরোপুরি বন্ধ ছিল।

আরও পড়ুন: রাজ্যের ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে স্থায়ী উপাচার্য, বাকি আরও ৭

তাঁদের দাবি,  কর্মরত অবস্থায় মৃত পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া ফের চালু করতে হবে।

আরও পড়ুন: নয়া শিক্ষানীতি মেনে পরীক্ষা দায়িত্ব এবার কলেজগুলিকে

শতাব্দী প্রাচীন,  ঐতিহ্যবাহী,  কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের গেটে এদিন সকাল থেকেই পিকেটিং শুরু করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী সংগঠনের সদস্যরা।

আরও পড়ুন: স্নাতকে দুই পদ্ধতিতে ভর্তি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

পড়ুয়া ও শিক্ষকদের কাছে শুক্রবার ক্লাসে যোগ না দেওয়ার আবেদন জানান ধর্মঘটীরা। যদিও এই নিয়ে কাউকে জোর করা হয়নি বলে দাবি তাঁদের। বিক্ষোভরতদের দাবি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় মৃত কর্মীদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া ২০১২ সাল পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল। কর্মী সংগঠনের অভিযোগ, ২০১২ সালের পর থেকে সেই প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। লাগাতার আন্দোলনের পরেও কর্তৃপক্ষ ও সরকারের টনক নড়েনি বলে অভিযোগ। তার প্রতিবাদে শুক্রবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ক্যাম্পাসে ধর্মঘটের ডাক দেয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। এবিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।