০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘কেন্দ্র ১ টাকাও দিচ্ছে না, জিএসটি নিয়ে যাচ্ছে’, সিঙ্গুরে ‘রাস্তাশ্রী’ ও ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধনে এসে কেন্দ্রকে নিশানা মমতার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  সিঙ্গুরে ‘রাস্তাশ্রী’ ও ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে এসে ফের কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনা নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ১ টাকাও দিচ্ছে না। জিএসটি নিয়ে যাচ্ছে। জিএসটি নিয়ে কেন্দ্রকে সমর্থন করাই আমাদের ভুল হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আর্থিক বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্যে উন্নতি হয়েছে। সরকারে এসেই ১ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করেছি। ১২ হাজার রাস্তা তৈরি সরকারের প্রকল্প রয়েছে। রাজ্যের সব কটা গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ হবে। ২২টা জেলার ৩০ হাজার গ্রামে রাস্তায় কাজ করা হবে। রাস্তা তৈরি করতে পৌনে চার হাজার কোটি টাকা খরচ হবে।

আরও পড়ুন: ‘১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ চলে যাবে’, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

৮ একর জমিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করছি। রাস্তা তৈরিতে কাজ পাবে ১০০ দিনের জব হোল্ডাররা।

আরও পড়ুন: ‘কেরালায় সিপিএম-বিজেপি জোট লিখিতই হয়ে গেল’, নাম বদল ইস্যুতে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই সেই সিঙ্গুর যেখানে ২৬ দিন অনশন করেছি। ২২টা জেলার ৩০ হাজার গ্রামে রাস্তায় কাজ করা হবে। রাস্তা তৈরি করতে পৌনে চার হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। সেই টাকার এক পয়সাও দিল্লির টাকা নয়, রাজ্যের টাকা।

আরও পড়ুন: মুকুল রায়-এর প্রয়াণে শোকবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর

এই যে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা হবে, জেলা পরিষদ, গ্রাম পঞ্চায়েত করলেও, কেন্দ্রীয় সরকারের নজরদারি থাকবে। বর্ষার আগে কাজ শেষ করতে হবে। কে কোথায় টেন্ডার করছেন, কাজ ঠিক মতো হচ্ছে কিনা, দেখতে হবে। জব কার্ড হোল্ডারদের কাজ দেওয়া হবে। যারা দেবেন না, নতুন করে লিস্ট করবেন, নাম বাদ দিয়ে দেব। পিডাব্লুডি’র সব কাজ একশো দিনের লোকেদের দিয়ে করাব। এখন জল ধরো জল ভরোর সব কাজ একশো দিনের লোকেদের দিয়ে করাব। আমাদের এখানকার গঠনমূলক সব কাজ জব কার্ড হোল্ডারদের দিয়ে করাব। শুধু ছবি দিলেই হয় না, বুদ্ধি খরচ করতে হয়।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র আগের বছর একশো দিনের সাত হাজার কোটি টাকা শোধ করেনি। এবছর একশো দিনের কাজের একটা কাজও বাংলাকে দেয়নি। আমরা পরপর তিন চার বার প্রথম হয়েছিলাম। আমরা কাজে দেখিয়ে দিয়েছি। তাই হিংসা, রাজনীতি করছে আর কাজের বেলায় অশ্বডিম্ব।

 

সর্বধিক পাঠিত

শ্রীলঙ্কার উপকূলে ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবে ১০০ জনেরও বেশি নিখোঁজ থাকার আশঙ্ক,৩২ জনকে উদ্ধার,সাবমেরিন হামলা ?

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘কেন্দ্র ১ টাকাও দিচ্ছে না, জিএসটি নিয়ে যাচ্ছে’, সিঙ্গুরে ‘রাস্তাশ্রী’ ও ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধনে এসে কেন্দ্রকে নিশানা মমতার

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২৩, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  সিঙ্গুরে ‘রাস্তাশ্রী’ ও ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে এসে ফের কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনা নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ১ টাকাও দিচ্ছে না। জিএসটি নিয়ে যাচ্ছে। জিএসটি নিয়ে কেন্দ্রকে সমর্থন করাই আমাদের ভুল হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আর্থিক বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্যে উন্নতি হয়েছে। সরকারে এসেই ১ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করেছি। ১২ হাজার রাস্তা তৈরি সরকারের প্রকল্প রয়েছে। রাজ্যের সব কটা গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ হবে। ২২টা জেলার ৩০ হাজার গ্রামে রাস্তায় কাজ করা হবে। রাস্তা তৈরি করতে পৌনে চার হাজার কোটি টাকা খরচ হবে।

আরও পড়ুন: ‘১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ চলে যাবে’, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

৮ একর জমিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করছি। রাস্তা তৈরিতে কাজ পাবে ১০০ দিনের জব হোল্ডাররা।

আরও পড়ুন: ‘কেরালায় সিপিএম-বিজেপি জোট লিখিতই হয়ে গেল’, নাম বদল ইস্যুতে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই সেই সিঙ্গুর যেখানে ২৬ দিন অনশন করেছি। ২২টা জেলার ৩০ হাজার গ্রামে রাস্তায় কাজ করা হবে। রাস্তা তৈরি করতে পৌনে চার হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। সেই টাকার এক পয়সাও দিল্লির টাকা নয়, রাজ্যের টাকা।

আরও পড়ুন: মুকুল রায়-এর প্রয়াণে শোকবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদীর

এই যে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা হবে, জেলা পরিষদ, গ্রাম পঞ্চায়েত করলেও, কেন্দ্রীয় সরকারের নজরদারি থাকবে। বর্ষার আগে কাজ শেষ করতে হবে। কে কোথায় টেন্ডার করছেন, কাজ ঠিক মতো হচ্ছে কিনা, দেখতে হবে। জব কার্ড হোল্ডারদের কাজ দেওয়া হবে। যারা দেবেন না, নতুন করে লিস্ট করবেন, নাম বাদ দিয়ে দেব। পিডাব্লুডি’র সব কাজ একশো দিনের লোকেদের দিয়ে করাব। এখন জল ধরো জল ভরোর সব কাজ একশো দিনের লোকেদের দিয়ে করাব। আমাদের এখানকার গঠনমূলক সব কাজ জব কার্ড হোল্ডারদের দিয়ে করাব। শুধু ছবি দিলেই হয় না, বুদ্ধি খরচ করতে হয়।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র আগের বছর একশো দিনের সাত হাজার কোটি টাকা শোধ করেনি। এবছর একশো দিনের কাজের একটা কাজও বাংলাকে দেয়নি। আমরা পরপর তিন চার বার প্রথম হয়েছিলাম। আমরা কাজে দেখিয়ে দিয়েছি। তাই হিংসা, রাজনীতি করছে আর কাজের বেলায় অশ্বডিম্ব।