০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারও পড়বে করোনার মতো অতিমারির থাবা, হাতে মাত্র ৬০ বছর!

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ আগামী ৬০বছরের মধ্যেই ফের হানা দিতে চলছে করোনার মত বিশ্বব্যাপী অতিমারি বলছেন গবেষক দল। সময় না নষ্ট করে উচিৎ এখন থেকেই প্রস্তুত থাকা। করোনা ভাইরাস যে সম্পূর্ণ ভাবে ছেড়ে যাবে না, এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন বহু বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকেরা। এর মধ্যেই ইতালির পদুয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমেরিকার ডিউক বিশ্ববিধ্যালয়ের গবেষণাতে উঠে আসা তথ্যতে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের কপালে। এই গবেষণাতে তারা বলেছেন আগামী ৬০ বছরের মধ্যে করোনার মত মারণব্যাধী আবা্র আঘাত হানবে সমগ্র বিশ্বে।

প্লেগ,  গুটিবসন্ত, কলেরার , টাইফাস এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ফ্লু -এর মত ভাইরাস রূপ পরিবর্তন করে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে এও দাবি করছেন তারা।

স্পানিশ ফ্লু এই সব ভাইরাসগুলির মধ্যে সবচেয়ে মারণাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারনা করছেন গবেষকেরা। ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে স্প্যানিশ ফ্লু তে মারা যায় প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ। গবেষণায় ব্যবহৃত পরিসংখ্যানের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে আগামী ৪০০ বছরের মধ্যে অতিমারি বার বার ফিরে আসবে পৃথিবীতে। জনসংখ্যার আধিক্যের ফলে নিত্যনতুন রোগের প্রাদুর্ভাবও হবে খুব তাড়াতাড়ি। আগামী কয়েক দশকের মধ্যে আবারও হানা দিতে পারে কোভিডের মত মারণভাইরাস তিন গুণ শক্তি সঞ্চয় করে। যদিও তারা মনে করছেন ৬০ বছরের আগে এই সম্ভাবনা কম।

এই প্রসঙ্গে ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের হাইড্রোলজি ও মাইক্রোমেটেরোলজির প্রফেসর বলেন, ‘কোভিড ফিরতে ৬০ বছর সময় আছে তার মানে এই নয় আমরা বিপদ মুক্ত,  স্পানিশ ফ্লু আমাদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে। যেকোনও দিনই আঘাত হানতে পারে আমদের ওপর।” এছাড়া তিনি বন্যার মত প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকেও সাবধান করেছেন,  একশো বছর আগে ঘটে যাওয়া বীভৎস বন্যার মত বন্যা থেকেও সাবধান থাকতে বলেছেন তিনি।

মানুষের জীবনশৈলী, জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি প্রকৃতিকে সংরক্ষণ না করা, এবং ক্ষতিকারক প্রাণীদের সঙ্গে মানুষের সংযোগস্থাপনকেই তিনি এসবের জন্য দায়ী করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

আজ থেকেই বেকার ভাতা ‘যুবসাথী’, ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আবারও পড়বে করোনার মতো অতিমারির থাবা, হাতে মাত্র ৬০ বছর!

আপডেট : ২৫ অগাস্ট ২০২১, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ আগামী ৬০বছরের মধ্যেই ফের হানা দিতে চলছে করোনার মত বিশ্বব্যাপী অতিমারি বলছেন গবেষক দল। সময় না নষ্ট করে উচিৎ এখন থেকেই প্রস্তুত থাকা। করোনা ভাইরাস যে সম্পূর্ণ ভাবে ছেড়ে যাবে না, এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন বহু বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকেরা। এর মধ্যেই ইতালির পদুয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমেরিকার ডিউক বিশ্ববিধ্যালয়ের গবেষণাতে উঠে আসা তথ্যতে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের কপালে। এই গবেষণাতে তারা বলেছেন আগামী ৬০ বছরের মধ্যে করোনার মত মারণব্যাধী আবা্র আঘাত হানবে সমগ্র বিশ্বে।

প্লেগ,  গুটিবসন্ত, কলেরার , টাইফাস এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ফ্লু -এর মত ভাইরাস রূপ পরিবর্তন করে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে এও দাবি করছেন তারা।

স্পানিশ ফ্লু এই সব ভাইরাসগুলির মধ্যে সবচেয়ে মারণাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে ধারনা করছেন গবেষকেরা। ১৯১৮ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে স্প্যানিশ ফ্লু তে মারা যায় প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ। গবেষণায় ব্যবহৃত পরিসংখ্যানের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে আগামী ৪০০ বছরের মধ্যে অতিমারি বার বার ফিরে আসবে পৃথিবীতে। জনসংখ্যার আধিক্যের ফলে নিত্যনতুন রোগের প্রাদুর্ভাবও হবে খুব তাড়াতাড়ি। আগামী কয়েক দশকের মধ্যে আবারও হানা দিতে পারে কোভিডের মত মারণভাইরাস তিন গুণ শক্তি সঞ্চয় করে। যদিও তারা মনে করছেন ৬০ বছরের আগে এই সম্ভাবনা কম।

এই প্রসঙ্গে ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের হাইড্রোলজি ও মাইক্রোমেটেরোলজির প্রফেসর বলেন, ‘কোভিড ফিরতে ৬০ বছর সময় আছে তার মানে এই নয় আমরা বিপদ মুক্ত,  স্পানিশ ফ্লু আমাদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে। যেকোনও দিনই আঘাত হানতে পারে আমদের ওপর।” এছাড়া তিনি বন্যার মত প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকেও সাবধান করেছেন,  একশো বছর আগে ঘটে যাওয়া বীভৎস বন্যার মত বন্যা থেকেও সাবধান থাকতে বলেছেন তিনি।

মানুষের জীবনশৈলী, জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি প্রকৃতিকে সংরক্ষণ না করা, এবং ক্ষতিকারক প্রাণীদের সঙ্গে মানুষের সংযোগস্থাপনকেই তিনি এসবের জন্য দায়ী করেছেন।