০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাবুলে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ কি খোরাসান আই এস জঙ্গি গোষ্ঠীর প্রতিহিংসার ফল!

KABUL, AFGHANISTAN - AUGUST 26: Injured people being carried to a hospital as unspecified number of casualties reported after two explosions outside Hamid Karzai International Airport in Kabul, Afghanistan on August 26, 2021. (Photo by Sayed Khodaiberdi Sadat/Anadolu Agency via Getty Images)

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ  বৃহস্পতিবার রাতে কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ৬০ জন সাধারণ মানুষ এবং  ১৩ জন আমেরিকান সেনা সহ কমপক্ষে ৭৩ জনের।

হামলার দায়ও স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট।এই নারকীয় হামলার নিন্দা করেছে তালিবানরাও। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদিন যে এলাকায় বিস্ফোরণ হয়েছে টা মার্কিন সেনার এক্তিয়ারে রয়েছে। গোটা পরিস্থিতির ওপর যে তালিবানরা কড়া নজর রেখে চলেছেন তাও জানিয়েছেন জাবিউল্লা।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা দফতরের দাবি এই বিস্ফোরণের জন্য দায়ি আইসিসের খোরাসান সংগঠন।আফগানিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই অতি সক্রিয় এই খোরাসান আই এস জঙ্গি সংগঠনটি।

এইখানেই উঠে আসছে প্রশ্ন। কারা এই খোরাসান! ২০১৪ সালে স্বঘোষিত ইসলামিক স্টেট এর শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এই গোষ্ঠী। এরা আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে তাদের সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালিয়ে থাকে।

তালিবানের সঙ্গে একেবারেই অহি-নকুল সম্পর্ক এই খোরাসানের। ২০১৫ সালে এক ভিডিওর মাধ্যমে তৎকালীন আইসিস নেতা আবু বকর এল বাগদাদির প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে খোরাসান নেতারা। আফগানিস্তানে আইসিস অধ্যুষিত অঞ্চলে নিজেদের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক হিসেবে ঘোষণা করে।

কাবুলের দখল দ্বিতীয়বার নেওয়ার পরেই কাবুল জেলে বন্দী খোরাসান শাখার প্রাক্তন প্রধান  আবু ওমর খোরাসানিকে হত্যা করে তালিবানরা। ২০২০ সালের মে মাসে খোরাসানিকে গ্রেপ্তার করে আফগান বাহিনী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে তালিবানদের  বিরুদ্ধে প্রতিশোধস্পৃহা প্রবল ছিল খোরাসান আই এস গোষ্ঠীর। এই আত্মঘাতী হানা কি তারই প্রতিফলন, তার উত্তর অবশ্য দেবে সময় ।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

দিদির উন্নয়নই অনুপ্রেরণা: তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন হুমায়ুন কবিরের জামাতা রাইহান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কাবুলে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ কি খোরাসান আই এস জঙ্গি গোষ্ঠীর প্রতিহিংসার ফল!

আপডেট : ২৭ অগাস্ট ২০২১, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ  বৃহস্পতিবার রাতে কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ৬০ জন সাধারণ মানুষ এবং  ১৩ জন আমেরিকান সেনা সহ কমপক্ষে ৭৩ জনের।

হামলার দায়ও স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট।এই নারকীয় হামলার নিন্দা করেছে তালিবানরাও। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদিন যে এলাকায় বিস্ফোরণ হয়েছে টা মার্কিন সেনার এক্তিয়ারে রয়েছে। গোটা পরিস্থিতির ওপর যে তালিবানরা কড়া নজর রেখে চলেছেন তাও জানিয়েছেন জাবিউল্লা।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা দফতরের দাবি এই বিস্ফোরণের জন্য দায়ি আইসিসের খোরাসান সংগঠন।আফগানিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই অতি সক্রিয় এই খোরাসান আই এস জঙ্গি সংগঠনটি।

এইখানেই উঠে আসছে প্রশ্ন। কারা এই খোরাসান! ২০১৪ সালে স্বঘোষিত ইসলামিক স্টেট এর শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এই গোষ্ঠী। এরা আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে তাদের সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালিয়ে থাকে।

তালিবানের সঙ্গে একেবারেই অহি-নকুল সম্পর্ক এই খোরাসানের। ২০১৫ সালে এক ভিডিওর মাধ্যমে তৎকালীন আইসিস নেতা আবু বকর এল বাগদাদির প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে খোরাসান নেতারা। আফগানিস্তানে আইসিস অধ্যুষিত অঞ্চলে নিজেদের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক হিসেবে ঘোষণা করে।

কাবুলের দখল দ্বিতীয়বার নেওয়ার পরেই কাবুল জেলে বন্দী খোরাসান শাখার প্রাক্তন প্রধান  আবু ওমর খোরাসানিকে হত্যা করে তালিবানরা। ২০২০ সালের মে মাসে খোরাসানিকে গ্রেপ্তার করে আফগান বাহিনী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে তালিবানদের  বিরুদ্ধে প্রতিশোধস্পৃহা প্রবল ছিল খোরাসান আই এস গোষ্ঠীর। এই আত্মঘাতী হানা কি তারই প্রতিফলন, তার উত্তর অবশ্য দেবে সময় ।