০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কানপুরে বাড়ছে জ্বরের প্রকোপ; ১৮ জনের মৃত্যু

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের কানপুরে একের পর এক জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এই জ্বরে। কল্যাণপুরের কুরসৌলি গ্রামের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। রবিবার পর্যন্ত এখানে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত  ৪৮ ঘন্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলাশাসকের আদেশের পর সিএমও নিজে একটি মেডিকেল টিম নিয়ে গ্রামে পৌঁছেছেন এবং মশার লার্ভা নির্মূল করার জন্য ওষুধ স্প্রে করেছেন।অন্যদিকে কুরসৌলি গ্রামের মানুষ ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব
 
যার ফলে একটা থমথমে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে কুরসৌলি গ্রামে। অনেকে ঘরবন্দী থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কিছু মানুষ তাদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে শুরু করেছেন। আবার যারা বাড়িতে থেকে যাচ্ছেন,তাদের বেশিরভাগেরই জ্বর হচ্ছে।করোনা কালেও এত আতঙ্কের পরিবেশ ছিলনা সেখানে। জানা যায়,কুরসৌলি গ্রামে নির্মিত কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে স্বাস্থ্য সুবিধাও ভালো নয়। স্থানীয়রা জানায়, এখানে যদি ভালো চিকিৎসার সুযোগ -সুবিধা থাকত, তাহলে হয়তো কাউকে মৃত্যুবরণ করতে হতো না। এখানে নির্মিত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রক্ত ​​পরীক্ষারও কোনো সুবিধা নেই। এখান থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। এই অবস্থায় রিপোর্ট পেতে ৩-৪   দিন সময় লাগে। ততক্ষণে রোগীর অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে বলে খবর। 
ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

কর্ণাটকের বেলাগাভিতে হোলির শোভাযাত্রায় ইসরাইলি পতাকা উত্তোলন, মোদি -নেতানিয়াহুর পোস্টার বহন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কানপুরে বাড়ছে জ্বরের প্রকোপ; ১৮ জনের মৃত্যু

আপডেট : ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের কানপুরে একের পর এক জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এই জ্বরে। কল্যাণপুরের কুরসৌলি গ্রামের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। রবিবার পর্যন্ত এখানে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত  ৪৮ ঘন্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলাশাসকের আদেশের পর সিএমও নিজে একটি মেডিকেল টিম নিয়ে গ্রামে পৌঁছেছেন এবং মশার লার্ভা নির্মূল করার জন্য ওষুধ স্প্রে করেছেন।অন্যদিকে কুরসৌলি গ্রামের মানুষ ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব
 
যার ফলে একটা থমথমে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে কুরসৌলি গ্রামে। অনেকে ঘরবন্দী থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কিছু মানুষ তাদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে শুরু করেছেন। আবার যারা বাড়িতে থেকে যাচ্ছেন,তাদের বেশিরভাগেরই জ্বর হচ্ছে।করোনা কালেও এত আতঙ্কের পরিবেশ ছিলনা সেখানে। জানা যায়,কুরসৌলি গ্রামে নির্মিত কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে স্বাস্থ্য সুবিধাও ভালো নয়। স্থানীয়রা জানায়, এখানে যদি ভালো চিকিৎসার সুযোগ -সুবিধা থাকত, তাহলে হয়তো কাউকে মৃত্যুবরণ করতে হতো না। এখানে নির্মিত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রক্ত ​​পরীক্ষারও কোনো সুবিধা নেই। এখান থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। এই অবস্থায় রিপোর্ট পেতে ৩-৪   দিন সময় লাগে। ততক্ষণে রোগীর অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে বলে খবর।