০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাম ৮০০ টাকা প্রতি কেজি! লাল ঢেঁড়শ ফলিয়ে তাক লাগালেন ভোপালের চাষি

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ঢেঁড়সের দাম ৮০০ টাকা প্রতি কেজি! দাম শুনে চক্ষু চড়কগাছ সাধারণ মানুষের। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে এক চাষির পরিশ্রমের ফল এই বিরল আকৃতির লাল ঢেঁড়শ।
সবুজ সবজির তালিকায় এটি ওকড়া, ঢেঁড়শ, লেডি ফিংগার বিভিন্ন নামে পরিচিত। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি সমৃদ্ধে ভরপুর এই সবজি নিরামিষ খাবারের তালিকায় জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।

তবে সবুজ সবজির তালিকায় নতুন সংযোজন লাল ঢেঁড়শ। ভোপালের কৃষক মিসরিলাল রাজপুত তার নিজের জমিতে এই ধরনের ঢেঁড়শ বা ওকড়া ফলিয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। মিসরিলালের দাবি, এটি প্রাকৃতিক গুণমান সম্পন্ন উচ্চমানের ঢেঁড়শ। অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর।
মিসরিলাল আরও জানিয়েছেন, সব সময় আমরা সবুজ রঙের ঢেঁড়শের ফলন দেখে থাকি। কিন্তু আমার উৎপাদিত ঢেঁড়শটি লাল রংয়ের। এটি শুধু যে দেখার দিক দিয়ে সুন্দর তাই না, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। হার্ট, রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, উচ্চ কোলেস্টরল সমস্যায় ভোগা রোগীরা এই ঢেঁড়শ খেলে উপকার পাবেন। রাজপুত আরও জানান, এই খাদ্যগুণে ভরপুর লাল রঙের ঢেঁড়শটির মূল্য সাধারণ সবজির থেকে বেশি। শহরের শপিং মলগুলিতে ২৫০ থেকে ৫০০ গ্রাম ঢেঁড়শ ৭৫-৮০ টাকা থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
মিসরিলাল রাজপুত আরও জানান, এই গাছের এক কেজি বীজ তিনি বারাণসীর কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে নিয়ে এসেছিলেন। বীজগুলি তিনি তার ক্ষেতে পুঁতে দেন। প্রায় ৪০ দিনের মধ্যে চারা বাড়তে শুরু করে। তবে চাষের সময় তিনি ক্ষতিকারক কীটনাশক ব্যবহার করেননি। রাজপুত বলেন, এক একর জমিতে সর্বনিম্ন ৪০-৫০ কুইন্টাল থেকে ৭০-৮০ কুইন্টাল চাষ করা যেতে পারে।

এর আগে গত জুন মাসে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে এক দম্পতি লাল রঙের ‘জাপানি মিয়াজাকি আম’ ফলিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সকলকে।

 
 




 
সর্বধিক পাঠিত

কর্ণাটকের বেলাগাভিতে হোলির শোভাযাত্রায় ইসরাইলি পতাকা উত্তোলন, মোদি -নেতানিয়াহুর পোস্টার বহন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দাম ৮০০ টাকা প্রতি কেজি! লাল ঢেঁড়শ ফলিয়ে তাক লাগালেন ভোপালের চাষি

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ঢেঁড়সের দাম ৮০০ টাকা প্রতি কেজি! দাম শুনে চক্ষু চড়কগাছ সাধারণ মানুষের। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে এক চাষির পরিশ্রমের ফল এই বিরল আকৃতির লাল ঢেঁড়শ।
সবুজ সবজির তালিকায় এটি ওকড়া, ঢেঁড়শ, লেডি ফিংগার বিভিন্ন নামে পরিচিত। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি সমৃদ্ধে ভরপুর এই সবজি নিরামিষ খাবারের তালিকায় জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।

তবে সবুজ সবজির তালিকায় নতুন সংযোজন লাল ঢেঁড়শ। ভোপালের কৃষক মিসরিলাল রাজপুত তার নিজের জমিতে এই ধরনের ঢেঁড়শ বা ওকড়া ফলিয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। মিসরিলালের দাবি, এটি প্রাকৃতিক গুণমান সম্পন্ন উচ্চমানের ঢেঁড়শ। অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর।
মিসরিলাল আরও জানিয়েছেন, সব সময় আমরা সবুজ রঙের ঢেঁড়শের ফলন দেখে থাকি। কিন্তু আমার উৎপাদিত ঢেঁড়শটি লাল রংয়ের। এটি শুধু যে দেখার দিক দিয়ে সুন্দর তাই না, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। হার্ট, রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, উচ্চ কোলেস্টরল সমস্যায় ভোগা রোগীরা এই ঢেঁড়শ খেলে উপকার পাবেন। রাজপুত আরও জানান, এই খাদ্যগুণে ভরপুর লাল রঙের ঢেঁড়শটির মূল্য সাধারণ সবজির থেকে বেশি। শহরের শপিং মলগুলিতে ২৫০ থেকে ৫০০ গ্রাম ঢেঁড়শ ৭৫-৮০ টাকা থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
মিসরিলাল রাজপুত আরও জানান, এই গাছের এক কেজি বীজ তিনি বারাণসীর কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে নিয়ে এসেছিলেন। বীজগুলি তিনি তার ক্ষেতে পুঁতে দেন। প্রায় ৪০ দিনের মধ্যে চারা বাড়তে শুরু করে। তবে চাষের সময় তিনি ক্ষতিকারক কীটনাশক ব্যবহার করেননি। রাজপুত বলেন, এক একর জমিতে সর্বনিম্ন ৪০-৫০ কুইন্টাল থেকে ৭০-৮০ কুইন্টাল চাষ করা যেতে পারে।

এর আগে গত জুন মাসে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে এক দম্পতি লাল রঙের ‘জাপানি মিয়াজাকি আম’ ফলিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সকলকে।