০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মথুরা-বৃন্দাবনের ১২টি ওয়ার্ডে নিষিদ্ধ করা হল মদ-মাংস

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ যোগী আদিত্যনাথের সরকার শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে উত্তরপ্রদেশের মথুরা-বৃন্দাবন মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ১২টি ওয়ার্ডকে ‘পবিত্র তীর্থস্থল’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এই ১২টি ওয়ার্ডে এখন আমিষ খাদ্য এবং মদ বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। আদিত্যনাথের সরকার ১০ দিন আগে মথুরা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিল– এই মন্দির নগরীর ৭টি হিন্দু তীর্থস্থানে মদ-মাংস বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার সমস্ত প্রশাসনিক কাজ যেন গুছিয়ে ফেলা হয়। কারণ এটা ‘স্থানীয় মানুষের ইচ্ছা’। যোগী আদিত্যনাথ গত ৩০ আগস্ট জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষ্যে এই ঘোষণা করেছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ আরও বলেছিলেন– যাঁরা উক্ত এলাকায় মদ এবং মাংস বিক্রির ব্যবসায় জড়িত আছেন তাদের সবাইকে পুর্নবাসন দেওয়া হবে। অতিরিক্ত মুখ্যসচিব (স্বরাষ্ট্র) এবং এসিএস  (ধর্ম সংক্রান্ত বিষয়ক) অবনীশ কুমার অবস্থি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন– মথুরা-বৃন্দাবন এলাকার প্রায় ১০ কিলোমিটার জায়গাকে তীর্থস্থানের এলাকা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই এলাকা জুড়ে এখন আবগারি দফতর এবং খাদ্য দফতর সমীক্ষা চালাবে। তারপর মদ এবং মাংস বিক্রির লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হবে। যে ২২টি এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল গোবিন্দপুর– দ্বারিকাপুরী– ভরতপুর– অর্জুনপুর– জগন্নাথপুরী– কৃষ্ণনগর প্রমুখ। উত্তরপ্রদেশের ধর্ম বিষয়ক দফতর বলেছে– মথুরা-বৃন্দাবন হল প্রভু শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থল। তাই এই এলাকাকে পবিত্র নগরী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিনই দেশ এবং বিদেশ থেকে বহু তীর্থযাত্রী আসেন পুণ্য অর্জনের জন্য। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে– মথুরা-বৃন্দাবন ‘ঐতিহাসিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ’। তাছাড়া এই এলাকার একটা পর্যটন দৃষ্টিকোণ থেকেও আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

সর্বধিক পাঠিত

হরমুজ প্রণালী খোলা, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নয় : ইরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মথুরা-বৃন্দাবনের ১২টি ওয়ার্ডে নিষিদ্ধ করা হল মদ-মাংস

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ যোগী আদিত্যনাথের সরকার শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে উত্তরপ্রদেশের মথুরা-বৃন্দাবন মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ১২টি ওয়ার্ডকে ‘পবিত্র তীর্থস্থল’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এই ১২টি ওয়ার্ডে এখন আমিষ খাদ্য এবং মদ বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। আদিত্যনাথের সরকার ১০ দিন আগে মথুরা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিল– এই মন্দির নগরীর ৭টি হিন্দু তীর্থস্থানে মদ-মাংস বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার সমস্ত প্রশাসনিক কাজ যেন গুছিয়ে ফেলা হয়। কারণ এটা ‘স্থানীয় মানুষের ইচ্ছা’। যোগী আদিত্যনাথ গত ৩০ আগস্ট জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষ্যে এই ঘোষণা করেছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ আরও বলেছিলেন– যাঁরা উক্ত এলাকায় মদ এবং মাংস বিক্রির ব্যবসায় জড়িত আছেন তাদের সবাইকে পুর্নবাসন দেওয়া হবে। অতিরিক্ত মুখ্যসচিব (স্বরাষ্ট্র) এবং এসিএস  (ধর্ম সংক্রান্ত বিষয়ক) অবনীশ কুমার অবস্থি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন– মথুরা-বৃন্দাবন এলাকার প্রায় ১০ কিলোমিটার জায়গাকে তীর্থস্থানের এলাকা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই এলাকা জুড়ে এখন আবগারি দফতর এবং খাদ্য দফতর সমীক্ষা চালাবে। তারপর মদ এবং মাংস বিক্রির লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হবে। যে ২২টি এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হল গোবিন্দপুর– দ্বারিকাপুরী– ভরতপুর– অর্জুনপুর– জগন্নাথপুরী– কৃষ্ণনগর প্রমুখ। উত্তরপ্রদেশের ধর্ম বিষয়ক দফতর বলেছে– মথুরা-বৃন্দাবন হল প্রভু শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থল। তাই এই এলাকাকে পবিত্র নগরী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিনই দেশ এবং বিদেশ থেকে বহু তীর্থযাত্রী আসেন পুণ্য অর্জনের জন্য। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে– মথুরা-বৃন্দাবন ‘ঐতিহাসিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ’। তাছাড়া এই এলাকার একটা পর্যটন দৃষ্টিকোণ থেকেও আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।