০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রিটেনে একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রচেষ্টা, স্থানীয়দের সহায়তায় এড়াল বড় দুর্ঘটনা

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ব্রিটেনের একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টার ঘটনায় ছড়িয়েছে ব্যপক চাঞ্চল্য।ঘটনাটি ধর্মীয় ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে তদন্ত শুরু করেছে সে দেশের পুলিশ।

ব্রিটেনের ম্যানচেস্টারে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে। বার্টন রোডস্থ ডিডসবারী মসজিদে এই অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় এক ব্যক্তি কিছু একটা মসজিদের প্রধান দরজার সামনে রেখে যাচ্ছে। পরে সেখান থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়। এসময় ঐ ব্যক্তির মুখ জ্যাকেটে আবৃত ছিলো।

স্হানীয় বাসিন্দারাই দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। মসজিদ কমিটি জানান “আমরা কয়েক বছর ধরে মসজিদটি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি পেয়ে আসছিলাম। এখন তাই হতে চলেছে।”
তারা বলেন, যদি বার্টন রোড়ের আমাদের দুই প্রতিবেশী এগিয়ে না আসতেন তাহলে ঘৃনিত একটি কাজ হতো।

গ্রেটার ম্যানচেস্টার ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে তারা ঘটনাস্থলে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ছিলেন এবং পুলিশের সঙ্গে তদন্ত চালাচ্ছিলেন।

ম্যানচেস্টার সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি লিডার লুতফুর রহমান, বলেন, এই কাজটি ভয় এবং বিদ্বেষ সৃষ্টির জন্য করা হয়েছে। তিনিও প্রতিবেশীদের প্রশংসা করেন। ঘৃণাজনিত কারণে বিভক্ত না হতে অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

‘মমতা দিদি’ আমার ছোট বোনের মতো। হয়তো তিনি আমার উপর রেগে আছেন’: বাংলায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্রিটেনে একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রচেষ্টা, স্থানীয়দের সহায়তায় এড়াল বড় দুর্ঘটনা

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ব্রিটেনের একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টার ঘটনায় ছড়িয়েছে ব্যপক চাঞ্চল্য।ঘটনাটি ধর্মীয় ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে তদন্ত শুরু করেছে সে দেশের পুলিশ।

ব্রিটেনের ম্যানচেস্টারে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে। বার্টন রোডস্থ ডিডসবারী মসজিদে এই অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় এক ব্যক্তি কিছু একটা মসজিদের প্রধান দরজার সামনে রেখে যাচ্ছে। পরে সেখান থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়। এসময় ঐ ব্যক্তির মুখ জ্যাকেটে আবৃত ছিলো।

স্হানীয় বাসিন্দারাই দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। মসজিদ কমিটি জানান “আমরা কয়েক বছর ধরে মসজিদটি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি পেয়ে আসছিলাম। এখন তাই হতে চলেছে।”
তারা বলেন, যদি বার্টন রোড়ের আমাদের দুই প্রতিবেশী এগিয়ে না আসতেন তাহলে ঘৃনিত একটি কাজ হতো।

গ্রেটার ম্যানচেস্টার ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে তারা ঘটনাস্থলে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ছিলেন এবং পুলিশের সঙ্গে তদন্ত চালাচ্ছিলেন।

ম্যানচেস্টার সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি লিডার লুতফুর রহমান, বলেন, এই কাজটি ভয় এবং বিদ্বেষ সৃষ্টির জন্য করা হয়েছে। তিনিও প্রতিবেশীদের প্রশংসা করেন। ঘৃণাজনিত কারণে বিভক্ত না হতে অনুরোধ করা হয়েছে।