০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলি গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ কানাডায়

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: গাজায় ইসরাইলি গণহত্যা বন্ধের  দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে কানাডার টরন্টোতে। এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার মানুষ ইসরাইলি গণহত্যা ও এই গণহত্যার সমর্থক পশ্চিমা রাষ্ট্রনায়কদের নিন্দা জানান। রবিবার টরন্টোয় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের বাইরে ফিলিস্তিনি পতাকা ও ব্যানার হাতে সমবেত হন বহু মানুষ। তাদের স্লোগান, ‘দখলদারদের গাজা ত্যাগ করতেই হবে।’ বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘আমরা এখানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাই।

ইসরাইলকে সহায়তা দেওয়া বন্ধ করতে আমেরিকা ও কানাডার সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান সকলে। ফিলিস্তিনি ইয়ুথ মুভমেন্টের সদস্য ইয়ারা শৌফানি বলেন, ‘আমরা গাজার ওপর থেকে ইসরাইলের ৭০ বছরের অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ ফিলিস্তিপন্থী বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট জিউয়িশ ভয়েসের সদস্যরাও।

সংগঠনের ইহুদি সদস্য গুর সাবার বলেন, ‘আমরা ইহুদিরা ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। যুদ্ধবিরতির দাবি জানাচ্ছি। গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি চাইছি। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৮০টি ট্রাক গাজায় ঢুকেছে। এখনই এই দখলদারি ও গণহত্যা বন্ধ হোক।’

জিউয়িশ ভয়েসের আরও এক কর্মী আলিসা গেইল বলেন, ‘একজন ইহুদি হিসাবে আমার মন ভেঙে গেছে। আমাদের নামে যা হচ্ছে তা সত্যিই বিধ্বংসী। ইসরাইলি যুদ্ধাপরাধের ব্যাপারে কথা বলার অর্থ  ইহুদি-বিরোধিতা নয়। আমাদের এই হত্যালীলা বন্ধ করতে হবে। আমাদের সরকারকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে হবে। এখনও পর্যন্ত বহু নিরীহ মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।’

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

রাজ্যসভা নির্বাচন: অভিষেক মনু সিংভি-সহ ৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইসরাইলি গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ কানাডায়

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৩, সোমবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: গাজায় ইসরাইলি গণহত্যা বন্ধের  দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে কানাডার টরন্টোতে। এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার মানুষ ইসরাইলি গণহত্যা ও এই গণহত্যার সমর্থক পশ্চিমা রাষ্ট্রনায়কদের নিন্দা জানান। রবিবার টরন্টোয় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের বাইরে ফিলিস্তিনি পতাকা ও ব্যানার হাতে সমবেত হন বহু মানুষ। তাদের স্লোগান, ‘দখলদারদের গাজা ত্যাগ করতেই হবে।’ বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘আমরা এখানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাই।

ইসরাইলকে সহায়তা দেওয়া বন্ধ করতে আমেরিকা ও কানাডার সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান সকলে। ফিলিস্তিনি ইয়ুথ মুভমেন্টের সদস্য ইয়ারা শৌফানি বলেন, ‘আমরা গাজার ওপর থেকে ইসরাইলের ৭০ বছরের অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ ফিলিস্তিপন্থী বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট জিউয়িশ ভয়েসের সদস্যরাও।

সংগঠনের ইহুদি সদস্য গুর সাবার বলেন, ‘আমরা ইহুদিরা ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। যুদ্ধবিরতির দাবি জানাচ্ছি। গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি চাইছি। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৮০টি ট্রাক গাজায় ঢুকেছে। এখনই এই দখলদারি ও গণহত্যা বন্ধ হোক।’

জিউয়িশ ভয়েসের আরও এক কর্মী আলিসা গেইল বলেন, ‘একজন ইহুদি হিসাবে আমার মন ভেঙে গেছে। আমাদের নামে যা হচ্ছে তা সত্যিই বিধ্বংসী। ইসরাইলি যুদ্ধাপরাধের ব্যাপারে কথা বলার অর্থ  ইহুদি-বিরোধিতা নয়। আমাদের এই হত্যালীলা বন্ধ করতে হবে। আমাদের সরকারকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে হবে। এখনও পর্যন্ত বহু নিরীহ মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।’