উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,জয়নগর: সামনে বিধানসভার নির্বাচন। আর তার আগে সমবায় নির্বাচনে জয়ের ধারা অব্যাহত শাসক তৃনমূল কংগ্রেসের।আবার একক সংখ্যা গরিষ্ঠ হিসাবে জয়লাভ করলো তৃনমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা।শনিবার কুলতলি বিধানসভার কুলতলি থানার দেউলবাড়ি দেবীপুর পঞ্চায়েতের দক্ষিন দূর্গাপুর দাসপাড়া সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ভোট গ্রহন ছিলো।মোট ৯ টি আসনের এই নির্বাচনের জন্য এদিন কুলতলির আই সি ফারুক রহমানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ নিয়োগ ছিলো।ভোটের সময় বিরোধী দলের তরফে বুথ দখলের অভিযোগ উঠলেও কার্যত তা মানতে চান নি নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক।ফলাফল গণনার পর এদিন বিকালে শাসক তৃনমূল কংগ্রেসের ৬ জন প্রার্থীকেই বিজয়ী বলে ঘোষণা করেন এই নির্বাচনের দায়িত্ব প্রাপ্ত আধিকারিক।১৯৬৪ সালে এই সমবায় গঠিত হয়।তার পর টানা ৬১বছর ধরে ক্ষমতায় ছিলো এস ইউ সি আই।আর এই প্রথম বিরোধী শূন্য হলো এই সমবায়।আর একক ভাবে ক্ষমতায় এলো শাসক তৃনমূল কংগ্রেস।এবারের নির্বাচনে জয়ী ৯ জন জয়ী সদস্য হলো- নিখিল বৈদ্য,জয়ন্ত মন্ডল, বিদ্যুৎ মন্ডল,নির্মল হালদার,ফরেজ মন্ডল,মাধবী ঘরামী,সঞ্জয় হালদার, চন্দনা হালদার ও খগেন মন্ডল।তবে এদিন জয়ের পরে কুলতলিবিধানসভার বিধায়ক গনেশ চন্দ্র মন্ডল বলেন,মা মাটি মানুষের সরকারের উন্নয়ন দেখে এলাকার মানুষ তৃনমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের এই সমবায়ের দায়িত্ব তুলে দেন।দীর্ঘ ৬১ বছর ধরে এস ইউ সি আই এই সমবায়কে নিজেদের দলীয়অফিস বানিয়ে রেখেছিলো।মানুষের উন্নয়নে সমবায়ের কোনো কাজ এরা করে নি। এই সমবায়ের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে কাজ হবে এবার।আর ২০২৬ এর বিধানসভার নির্বাচনের আগে এই জয় শাসক তৃনমূল কংগ্রেসের কাছে আরও অক্সিজেন এনে দিলো মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
BREAKING :
৬১ বছর পর এস ইউ সির হাতছাড়া হলো কুলতলির দক্ষিন দূর্গাপুর দাসপাড়া সমবায় সমিতি
-
চামেলি দাস - আপডেট : ২১ জুন ২০২৫, শনিবার
- 174
সর্বধিক পাঠিত































