১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দু’বছর পর ইতিকাফ ও সম্মিলিত ইফতারের অনুমতি মক্কা ও মদীনার দুই পবিত্র মসজিদে

প্রতীকী ছবি

পুবের কলম প্রতিবেদক : মসজিদুল হারামাইন অর্থাৎ মক্কা শরীফের মসজিদুল হারাম এবং মদীনা শরীফের মসজিদে নববীতে দু’বছর পর ইতিকাফ ও ইজতেমায়ী ইফতারের অনুমতি দেওয়া হল। মসজিদুল হারামাইনের প্রেসিডেন্ট শাইখ ডা. আবদুর রহমান বিন আধুল আজীজ আল সুদাইশ ঘোষণা করেছেন দুই পবিত্র মসজিদে ইতিকাফ ও সম্মিলিতভাবে ইফতারের অনুমতি দেওয়া হল। তবে ইতিকাফের জন্য সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পারমিট নিতে হবে। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে করোনা মহামারির কারণে ইতিকাফ সাসপেন্ড করে রাখা হয়েছিল এই দুই মসজিদে। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এখন করোনার প্রায় সমস্ত নিয়ন্ত্রণ বিধি তুলে নেওয়া হয়েছে। সেকারণে ইতিকাফ ও ইজতেমায়ী ইফতারে আর কোনও অসুবিধা হবে না।

 

আরও পড়ুন: ইতিহাসে প্রথমবার, মক্কার জুমার খুতবা সম্প্রচারিত হল ৩৫টি ভাষায়

ধারণা করা যাচ্ছে সউদি আরব সহ আরব দেশে ২ এপ্রিল থেকে রমযান শুরু হতে পারে,তবে নির্ভর করছে চাঁদ দেখার উপর। এ বছর ওমরাহর জন্য অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তাই রমযানে পুণ্যার্থীদের বিশাল সমাবেশ হতে পারে বিবেচনা করে আগেভাগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সউদি সরকার। সেই সঙ্গে ইতিকাফের জন্য ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আগাম পারমিটের নির্দেশ দেওয়া হল।

আরও পড়ুন: ১ লা মহররমে পরিবর্তন হবে কাবার কিসওয়া

 

আরও পড়ুন: ক্লক টাওয়ারের সংবর্ধিত ওয়ালিদ হাকিম

রমযান মাসের শেষ ১০ দিন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সম্পূর্ণ জাগতিক চিন্তা ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার প্রেমে মগ্ন এবং ইবাদাত ও যিকিরে মশগুল থাকতে চান। বেশিরভাগই মসজিদে ইতিকাফ করার বাসনা রাখেন। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে মক্কা ও মদীনা শরীফের জমায়েতে নিয়ন্ত্রণ জারি হয়। তাই এবার আশা করা যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার ফলে দুই পবিত্র মসজিদে আবার ব্যাপক পুণ্যার্থীদের সমাবেশ লক্ষ্য করা যাবে বিশেষ করে রমযানের শেষ ১০ দিনে। রমযানের শেষ দশকে এক বিজোড় রাতে নাযিল হয়েছিল পবিত্র কুরআন শরীফ। তাই রমযানের শেষ ১০ দিন ধর্মীয় অনুশীলনের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক চেতনার পূর্ণ বিকাশের লক্ষ্যে উন্মুখ হয়ে থাকবেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।

 

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গকে জোড়া উপহার মুখ্যমন্ত্রীর, শিলান্যাস মহাকাল মন্দিরের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দু’বছর পর ইতিকাফ ও সম্মিলিত ইফতারের অনুমতি মক্কা ও মদীনার দুই পবিত্র মসজিদে

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম প্রতিবেদক : মসজিদুল হারামাইন অর্থাৎ মক্কা শরীফের মসজিদুল হারাম এবং মদীনা শরীফের মসজিদে নববীতে দু’বছর পর ইতিকাফ ও ইজতেমায়ী ইফতারের অনুমতি দেওয়া হল। মসজিদুল হারামাইনের প্রেসিডেন্ট শাইখ ডা. আবদুর রহমান বিন আধুল আজীজ আল সুদাইশ ঘোষণা করেছেন দুই পবিত্র মসজিদে ইতিকাফ ও সম্মিলিতভাবে ইফতারের অনুমতি দেওয়া হল। তবে ইতিকাফের জন্য সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পারমিট নিতে হবে। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে করোনা মহামারির কারণে ইতিকাফ সাসপেন্ড করে রাখা হয়েছিল এই দুই মসজিদে। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এখন করোনার প্রায় সমস্ত নিয়ন্ত্রণ বিধি তুলে নেওয়া হয়েছে। সেকারণে ইতিকাফ ও ইজতেমায়ী ইফতারে আর কোনও অসুবিধা হবে না।

 

আরও পড়ুন: ইতিহাসে প্রথমবার, মক্কার জুমার খুতবা সম্প্রচারিত হল ৩৫টি ভাষায়

ধারণা করা যাচ্ছে সউদি আরব সহ আরব দেশে ২ এপ্রিল থেকে রমযান শুরু হতে পারে,তবে নির্ভর করছে চাঁদ দেখার উপর। এ বছর ওমরাহর জন্য অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তাই রমযানে পুণ্যার্থীদের বিশাল সমাবেশ হতে পারে বিবেচনা করে আগেভাগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সউদি সরকার। সেই সঙ্গে ইতিকাফের জন্য ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আগাম পারমিটের নির্দেশ দেওয়া হল।

আরও পড়ুন: ১ লা মহররমে পরিবর্তন হবে কাবার কিসওয়া

 

আরও পড়ুন: ক্লক টাওয়ারের সংবর্ধিত ওয়ালিদ হাকিম

রমযান মাসের শেষ ১০ দিন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সম্পূর্ণ জাগতিক চিন্তা ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার প্রেমে মগ্ন এবং ইবাদাত ও যিকিরে মশগুল থাকতে চান। বেশিরভাগই মসজিদে ইতিকাফ করার বাসনা রাখেন। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে মক্কা ও মদীনা শরীফের জমায়েতে নিয়ন্ত্রণ জারি হয়। তাই এবার আশা করা যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার ফলে দুই পবিত্র মসজিদে আবার ব্যাপক পুণ্যার্থীদের সমাবেশ লক্ষ্য করা যাবে বিশেষ করে রমযানের শেষ ১০ দিনে। রমযানের শেষ দশকে এক বিজোড় রাতে নাযিল হয়েছিল পবিত্র কুরআন শরীফ। তাই রমযানের শেষ ১০ দিন ধর্মীয় অনুশীলনের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক চেতনার পূর্ণ বিকাশের লক্ষ্যে উন্মুখ হয়ে থাকবেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।