১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ইউক্রেন যুদ্ধে হার আমেরিকার’

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ইউক্রেন যুদ্ধে যে পক্ষই বিজয়ী হোক না কেন, কৌশলগতভাবে হেরে যাবে আমেরিকা। মার্কিন দ্বিমাসিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’ এক রিপোর্টে এ কথা জানায়। রিপোর্টে বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর, পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলি দ্রুত একত্রিত হয়। রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধসহ আরও বহু ক্ষেত্রে মস্কোর বিরুদ্ধে বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

 

আরও পড়ুন: Closed Pak airspace বন্ধ পাক আকাশসীমা, বিপুল ক্ষতির মুখে এয়ার ইন্ডিয়া।

রিপোর্টে বলা হয়, পশ্চিমের এই জ্বালানি নিষেধাজ্ঞাগুলি ব্যাপক পরিসরে ‘ব্যাকফায়ার করেছে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে, ব্রাসেলস এখন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় লড়াই করছে।’ ম্যাগাজিনটি বলেছে, ‘আমেরিকা আর বিশ্বের একমাত্র প্রভাবশালী শক্তি নয়।’ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর টানা ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে এই যুদ্ধ। এতে দুই পক্ষের হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষণ নেই। পূর্ব ইউক্রেনে দেশ দুইটির মধ্যে সংঘাত আরও জোরদার হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুরআনে হাত রেখে শপথ নিলেন আমেরিকার প্রথম হিজাব পরিহিত বিচারক

আরও পড়ুন: দ্বিতীয় বছরে পড়ল রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শান্তি ফিরবে নাকি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?
ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পাকিস্তান–তুরস্ক–সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের জল্পনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘ইউক্রেন যুদ্ধে হার আমেরিকার’

আপডেট : ২৬ অগাস্ট ২০২২, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ইউক্রেন যুদ্ধে যে পক্ষই বিজয়ী হোক না কেন, কৌশলগতভাবে হেরে যাবে আমেরিকা। মার্কিন দ্বিমাসিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’ এক রিপোর্টে এ কথা জানায়। রিপোর্টে বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর, পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলি দ্রুত একত্রিত হয়। রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধসহ আরও বহু ক্ষেত্রে মস্কোর বিরুদ্ধে বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

 

আরও পড়ুন: Closed Pak airspace বন্ধ পাক আকাশসীমা, বিপুল ক্ষতির মুখে এয়ার ইন্ডিয়া।

রিপোর্টে বলা হয়, পশ্চিমের এই জ্বালানি নিষেধাজ্ঞাগুলি ব্যাপক পরিসরে ‘ব্যাকফায়ার করেছে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে, ব্রাসেলস এখন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় লড়াই করছে।’ ম্যাগাজিনটি বলেছে, ‘আমেরিকা আর বিশ্বের একমাত্র প্রভাবশালী শক্তি নয়।’ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর টানা ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে এই যুদ্ধ। এতে দুই পক্ষের হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষণ নেই। পূর্ব ইউক্রেনে দেশ দুইটির মধ্যে সংঘাত আরও জোরদার হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুরআনে হাত রেখে শপথ নিলেন আমেরিকার প্রথম হিজাব পরিহিত বিচারক

আরও পড়ুন: দ্বিতীয় বছরে পড়ল রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শান্তি ফিরবে নাকি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?