১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, নিহত কমপক্ষে ১৮, আহত চার শতাধিক

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের জেরে নিহত কমপক্ষে ১৮ জন। আহত হয়েছেন চার শতাধিক। শনিবার গভীর রাতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

একটি কনটেনার ডিপোতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্দর চট্টগ্রাম শহর থেকে সীতাকুণ্ডের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিমি। জানা গিয়েছে, এই কন্টেনার ডিপোতে কম করে ৬০০ জন ব্যক্তি কাজ করেন।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল আট জনের মৃত্যুর খবর।। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় ১৮।তাদের মধ্যে তিনজন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মী। অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন আরও চার শতাধিক। হতাহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডিপোতে প্রায় ৫০ হাজার কনটেইনার ছিল। সেখানে থাকা দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

এদিকে, শনিবার গভীর রাতে তীব্র বাতাসের কারণে আগুন বাড়তে থাকে। ডিপো এলাকায় রয়েছে জলের স্বল্পতা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মুহাম্মদ শাহজাহান শিকদার বলেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে শনিবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ৮টি ইঞ্জিন এবং পরবর্তীতে আরও ৮টি ইঞ্জিন পৌঁছে কাজ শুরু করে। বর্তমানে ২৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

 

সর্বধিক পাঠিত

রাহুলের ফোনেও আটকানো গেল না! আসামে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতা ভুপেন বোরা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, নিহত কমপক্ষে ১৮, আহত চার শতাধিক

আপডেট : ৫ জুন ২০২২, রবিবার

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের জেরে নিহত কমপক্ষে ১৮ জন। আহত হয়েছেন চার শতাধিক। শনিবার গভীর রাতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

একটি কনটেনার ডিপোতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্দর চট্টগ্রাম শহর থেকে সীতাকুণ্ডের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিমি। জানা গিয়েছে, এই কন্টেনার ডিপোতে কম করে ৬০০ জন ব্যক্তি কাজ করেন।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল আট জনের মৃত্যুর খবর।। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় ১৮।তাদের মধ্যে তিনজন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মী। অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন আরও চার শতাধিক। হতাহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডিপোতে প্রায় ৫০ হাজার কনটেইনার ছিল। সেখানে থাকা দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

এদিকে, শনিবার গভীর রাতে তীব্র বাতাসের কারণে আগুন বাড়তে থাকে। ডিপো এলাকায় রয়েছে জলের স্বল্পতা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মুহাম্মদ শাহজাহান শিকদার বলেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে শনিবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ৮টি ইঞ্জিন এবং পরবর্তীতে আরও ৮টি ইঞ্জিন পৌঁছে কাজ শুরু করে। বর্তমানে ২৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।