১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৩ আগস্ট হোক ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’, ল্যান্ডারস্থলকে ‘শিবশক্তি’ ঘোষণা মোদির

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  ২৩ আগস্টকে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই দেশের এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী ছিলেন তিনি। তবে শনিবার সকালে বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে নেমে সোজা ইসরো দফতরে এসে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তিনি। আর সেখান থেকেই বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

২৩ অগাস্ট, এই ঐতিহাসিক দিনটিকে ‘ন্যাশনাল স্পেস ডে’ বা ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করলেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, চন্দ্রযান-৩ এর বিক্রম ল্যান্ডারটি যে জায়গায় সফট ল্যান্ডিং করেছে তাকে “শিবশক্তি” বলা হবে। চন্দ্রযান-৩ মিশনের সাফল্যকে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাসে একটি ‘অসাধারণ মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ চন্দ্রপৃষ্ঠে যেখানে ভেঙে পড়ে তার নাম হবে ‘তেরঙ্গা পয়েন্ট’।
এছাড়াও এদিন প্রধানমন্ত্রীকে বেঙ্গালুরুর হ্যাল বিমানবন্দরে ‘জয় বিজ্ঞান, জয় অনুসন্ধান স্লোগান’ দিতে দেখা যায়। গ্রীস ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে শেষে দেশে ফিরেই সোজা সাত সকালেই ইসরো দফতরে যান প্রধানমন্ত্রী।

২৩ আগস্ট হোক 'জাতীয় মহাকাশ দিবস', ল্যান্ডারস্থলকে 'শিবশক্তি' ঘোষণা মোদির

ইসরো-র দফতরে গিয়ে কথা বলার সময় কার্যত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এদিন দফতরে উপস্থিত ছিলেন ইসরো-র সব কর্মী-আধিকারিকরা। বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমার অস্থিরতা ছিল, আপনাদের মুশকিলে ফেলে দিলাম। এত সকালে, এত অদ্ভূত সময়ে আমি এসেছি। আমি আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিলাম। আপনাদের একটু কষ্ট দিলাম’। মোদি বলেন, ২৩ আগস্টের সাফল্যের মুহূর্তকে আমি ভুলতে পারছি না। দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়েছিল এখানে। আপনাদের দৃঢ় সংকল্পকে আমি স্যালুট জানাই’।

বিজ্ঞানীদের কুর্নিশ জানিয়ে মোদি বলেন, ‘ভারত চাঁদে রয়েছে। আমাদের জাতীয় গর্ব চাঁদে স্থাপন করা হয়েছে। আমরা এমন কিছু করেছি যা কেউ করেনি। এটাই নতুন ভারত।” এদিন ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ চন্দ্রযান-৩-এর অবতরণ প্রক্রিয়াটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ব্যাখ্যা করেন। মোদিকে চন্দ্রযান-৩ এর তোলা চন্দ্রযান-২ অরবিটার ও ল্যান্ডারের ছবি উপহার দেওয়া হয়। মোদি জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে চন্দ্রযান-৩ এর উপর দেশের যুবসমাজকে নিয়ে একটি ক্যুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে বেঙ্গালুরু হ্যাল বিমানবন্দরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। কর্নাটক সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা মমতার, তারেক রহমানকে পাঠালেন ফুল-মিষ্টি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২৩ আগস্ট হোক ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’, ল্যান্ডারস্থলকে ‘শিবশক্তি’ ঘোষণা মোদির

আপডেট : ২৬ অগাস্ট ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  ২৩ আগস্টকে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই দেশের এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী ছিলেন তিনি। তবে শনিবার সকালে বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে নেমে সোজা ইসরো দফতরে এসে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তিনি। আর সেখান থেকেই বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

২৩ অগাস্ট, এই ঐতিহাসিক দিনটিকে ‘ন্যাশনাল স্পেস ডে’ বা ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করলেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, চন্দ্রযান-৩ এর বিক্রম ল্যান্ডারটি যে জায়গায় সফট ল্যান্ডিং করেছে তাকে “শিবশক্তি” বলা হবে। চন্দ্রযান-৩ মিশনের সাফল্যকে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাসে একটি ‘অসাধারণ মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ চন্দ্রপৃষ্ঠে যেখানে ভেঙে পড়ে তার নাম হবে ‘তেরঙ্গা পয়েন্ট’।
এছাড়াও এদিন প্রধানমন্ত্রীকে বেঙ্গালুরুর হ্যাল বিমানবন্দরে ‘জয় বিজ্ঞান, জয় অনুসন্ধান স্লোগান’ দিতে দেখা যায়। গ্রীস ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে শেষে দেশে ফিরেই সোজা সাত সকালেই ইসরো দফতরে যান প্রধানমন্ত্রী।

২৩ আগস্ট হোক 'জাতীয় মহাকাশ দিবস', ল্যান্ডারস্থলকে 'শিবশক্তি' ঘোষণা মোদির

ইসরো-র দফতরে গিয়ে কথা বলার সময় কার্যত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এদিন দফতরে উপস্থিত ছিলেন ইসরো-র সব কর্মী-আধিকারিকরা। বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, ‘আমার অস্থিরতা ছিল, আপনাদের মুশকিলে ফেলে দিলাম। এত সকালে, এত অদ্ভূত সময়ে আমি এসেছি। আমি আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিলাম। আপনাদের একটু কষ্ট দিলাম’। মোদি বলেন, ২৩ আগস্টের সাফল্যের মুহূর্তকে আমি ভুলতে পারছি না। দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়েছিল এখানে। আপনাদের দৃঢ় সংকল্পকে আমি স্যালুট জানাই’।

বিজ্ঞানীদের কুর্নিশ জানিয়ে মোদি বলেন, ‘ভারত চাঁদে রয়েছে। আমাদের জাতীয় গর্ব চাঁদে স্থাপন করা হয়েছে। আমরা এমন কিছু করেছি যা কেউ করেনি। এটাই নতুন ভারত।” এদিন ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ চন্দ্রযান-৩-এর অবতরণ প্রক্রিয়াটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে ব্যাখ্যা করেন। মোদিকে চন্দ্রযান-৩ এর তোলা চন্দ্রযান-২ অরবিটার ও ল্যান্ডারের ছবি উপহার দেওয়া হয়। মোদি জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে চন্দ্রযান-৩ এর উপর দেশের যুবসমাজকে নিয়ে একটি ক্যুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে বেঙ্গালুরু হ্যাল বিমানবন্দরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। কর্নাটক সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি।