১২ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীমান্তের হাকিমপুর চেকপোষ্টে জমায়েত, বাংলাদেশীদের ঘরে ফেরার হিড়িক

পুবের কলম প্রতিবেদক, বসিরহাট: উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার হাকিমপুর সীমান্তের বিএসএফ চেকপোষ্টের কাছে রীতিমতো তাঁবুর তলায় জমায়েত হয়ে রাত কাটাচ্ছে বাংলাদেশের পরিযায়ী শ্রমিকরা। সীমান্ত রক্ষী বাহিনী আইন মোতাবেক তাদের আটক করলেও পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় শিশু মহিলা সহ ওইসব পরিযায়ীদের ঠান্ডায় প্রায় অনাহারে রাত কাটাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিনই এইসব পরিযায়ী শ্রমিকরা দেশ তথা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে এসে জমায়েত হচ্ছে, স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য। মানবিকতার খাতিরে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের মাথার উপর টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁবু। ব্যবস্থা করা হয়েছে খিচুড়ি রান্না করে খাওয়ানোর। এই ছবি একদিনের নয়, গত কয়েকদিন ধরেই চলছে এমন শিবির। যার আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ওইসব যাত্রীদের বয়ান অনুযায়ী তারা যে বাংলাদেশের নাগরিক তা স্পষ্ট। কারো বাড়ি সীমান্ত লাগোয়া সাতক্ষীরা, খুলনাসহ বাংলাদেশের নিকটবর্তী জেলাগুলিতে। এরা কেউ কেউ দুবছর পাঁচ বছর থেকে দশবছর ধরে এদেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মসূত্রে ছিল। এসআইআর এর পরবর্তী পদক্ষেপ এর আশঙ্কায় বেনাগরিক হয়ে পড়া বা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে পড়ার ভয়ে কাজ ছেড়ে দিয়ে নিজের দেশে ফেরার জন্যই বিএসএফের চেকপোস্টে নিজেরাই এসে ভিড় জমাচ্ছে। যাতে সরকারি পদ্ধতি অনুযায়ী তারা পুশব্যাক হতে পারে এবং নিজের দেশে ফিরে যেতে পারে এমনটাই মনে করছে অনেকেই।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

সঞ্জীব ভাটের আর্জি খারিজ শীর্ষ কোর্টে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সীমান্তের হাকিমপুর চেকপোষ্টে জমায়েত, বাংলাদেশীদের ঘরে ফেরার হিড়িক

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম প্রতিবেদক, বসিরহাট: উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার হাকিমপুর সীমান্তের বিএসএফ চেকপোষ্টের কাছে রীতিমতো তাঁবুর তলায় জমায়েত হয়ে রাত কাটাচ্ছে বাংলাদেশের পরিযায়ী শ্রমিকরা। সীমান্ত রক্ষী বাহিনী আইন মোতাবেক তাদের আটক করলেও পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় শিশু মহিলা সহ ওইসব পরিযায়ীদের ঠান্ডায় প্রায় অনাহারে রাত কাটাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিনই এইসব পরিযায়ী শ্রমিকরা দেশ তথা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে এসে জমায়েত হচ্ছে, স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য। মানবিকতার খাতিরে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের মাথার উপর টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁবু। ব্যবস্থা করা হয়েছে খিচুড়ি রান্না করে খাওয়ানোর। এই ছবি একদিনের নয়, গত কয়েকদিন ধরেই চলছে এমন শিবির। যার আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ওইসব যাত্রীদের বয়ান অনুযায়ী তারা যে বাংলাদেশের নাগরিক তা স্পষ্ট। কারো বাড়ি সীমান্ত লাগোয়া সাতক্ষীরা, খুলনাসহ বাংলাদেশের নিকটবর্তী জেলাগুলিতে। এরা কেউ কেউ দুবছর পাঁচ বছর থেকে দশবছর ধরে এদেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মসূত্রে ছিল। এসআইআর এর পরবর্তী পদক্ষেপ এর আশঙ্কায় বেনাগরিক হয়ে পড়া বা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে পড়ার ভয়ে কাজ ছেড়ে দিয়ে নিজের দেশে ফেরার জন্যই বিএসএফের চেকপোস্টে নিজেরাই এসে ভিড় জমাচ্ছে। যাতে সরকারি পদ্ধতি অনুযায়ী তারা পুশব্যাক হতে পারে এবং নিজের দেশে ফিরে যেতে পারে এমনটাই মনে করছে অনেকেই।