পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ফের ২৬/১১ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইতে। এমনই এক হুমকি ফোন পেয়ে আতঙ্কে রয়েছে মুম্বাইবাসী।এই ঘটনায় রীতিমত হাই অ্যাল্যার্ট জারি করেছে মুম্বাই পুলিশ।এমনকি সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরের সামনেও জারি হয়েছে হাই অ্যাল্যার্ট।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য,করোনা মহামারির পর এই প্রথম প্রকাশ্যে পালিত হতে চলেছে গণেশ চতুর্থী উৎসব।স্বাভাবিকভাবেই উৎসবের আনন্দে মজে রয়েছেন ব্যবসায়িক রাজধানী মুম্বাই।এরই মাঝে আবার সন্ত্রাসের কালো ছায়া পড়েছে বাণিজ্য নগরীতে।
জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ বিশ্বাস নাগরে পাটিল এই প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, হুমকি ফোনের পর থেকে মুম্বাই পুলিশ সচেতন রয়েছে।আরও পড়ুন:
গণেশ পুজো উপলক্ষে যানজট ভিড় নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সমস্ত দিকে কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে।গণপতির আগমন থেকে শুরু করে বিসর্জন পর্যন্তও অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব কিছু পরিকল্পনা মাফিক হচ্ছে।মুম্বাই পুলিশ সবদিক থেকে প্রস্তুত রয়েছে।
আরও পড়ুন:
হুমকি ফোন প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২৬/১১ ঘটনার পর থেকে মুম্বাই পুলিশ এই সব দিকে কড়া নরজরদারি রেখেছে।সেই নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।এমনকি বাণিজ্য নগরীর উপকূলবর্তী এলাকা গুলিতে সতর্ক থাকার জন্য বলে দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। কিউআরটি দল পুরোপুরিভাবে মোতায়েন রয়েছে৷ তারা আশ্বস্ত করেছে নাগরিকদের আপাতত ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই৷৩১ তারিখ থেকে শুরু হবে গণেশ চতুর্থীর উৎসব৷ তার ঠিক একদিন আগেই কমিশনার বিবেক ফনসলকর এবং জয়েন্ট সিপি বিশ্বাস নাগরে পাটিল মুম্বইয়ের প্রসিদ্ধ লাল বাগে পৌঁছন এবং সুরক্ষাব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন৷আরও পড়ুন:
চলতি মাসেই পাকিস্তান থেকে এমনই এক হুমকি ফোন আসে মুম্বাই পুলিশের কাছে। ২৬/১১ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে মুম্বাইয়ে জানানও হয় ওপাশ থেকে।তারপর থেকে বেশ আতঙ্কে ছিল বাণিজ্য নগরী। শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগেই মহারাষ্ট্রের রায়গড় উপকূল থেকে দুটি অস্ত্রবোঝাই নৌকা উদ্ধার হয়েছিল। কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে হাই অ্যালার্ট জারি করেছিল প্রশাসন।
ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্য তদন্তকারী সংস্থাগুলিকেও এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এই ফোন কলটি নিছকই মজা করার জন্য হয়েছিল, কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত,২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর একের পর এক জঙ্গি হামলায় কেঁপে ওঠে বাণিজ্যনগরী। ঘটনায় ১০টির বেশি ধারাবাহিক গুলি চালনা ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা গোটা দেশের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত এই হামলা চলে। ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০৮ জন আহত হন। সারা বিশ্বে এই ঘটনা তীব্রভাবে নিন্দিত হয়। ১০ লস্কর জঙ্গি হামলা চালায় মুম্বইয়ের একাধিক স্থানে। চারদিন ধরে চলে সেই লড়াই।
আরও পড়ুন: