পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ব্যাংক প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদি দেশ ছেড়েছেন প্রায় পাঁচ বছর। পলাতক হীরে ব্যবসায়ী নীরব মোদির ঋণখেলাপির বিপুল পরিমাণ অর্থ এবার পুনরুদ্ধারের জন্য পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংককে (পিএনবি) পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিল বম্বে হাইকোর্ট। বিচারপতি রেবতী মোহিতে-দেরে এবং বিচারপতি গৌরী গডসের সমন্বয়ে গঠিত একটি ডিভিশন বেঞ্চ বলে এই মামলার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু মানুষের টাকার প্রশ্ন। মঙ্গলবার আদালত পিএনবি এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দ্বারা দায়ের করা পৃথক আবেদনের শুনানি ছিল। উভয়ই মোদির ৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তির দাবি করে।
আরও পড়ুন:
এই আবেদনগুলি ২০২২ সালের অক্টোবরের বিশেষ পিএমএলএ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে করা হয়, যা ইডিকে ২১টি সম্পত্তির মধ্যে ১২টি বাজেয়াপ্ত করার অনুমতি দেয়। পিএনবি আপত্তি জানিয়ে বলে, ব্যাংক পাওনাদার হওয়ায় সেই ১২টি সম্পদের উপর তাদের অধিকার রয়েছে। এদিকে বিশেষ পিএমএল আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ইডিও আপিল করে বলে, বাকি নয়টি সম্পত্তির উপরেও তার অধিকার আছে। নীরব মোদির সঙ্গে যুক্ত মোট ৪৮টি সম্পত্তির মধ্যে, ইডিকে ১২টি এবং পিএনবিকে সম্পত্তি নিষ্পত্তি করা সহ বকেয়া পুনরুদ্ধার করার জন্য বাকিগুলি সংযুক্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
ইডি তার আবেদনে দাবি করেছে যে ব্যাংক একটি পাওনাদার হওয়ায় অসুরক্ষিত সম্পদের অধিকারী নয়।
বেনামি সম্পত্তিগুলির উপরে প্রথম অধিকার তদন্তকারি সংস্থার। এদিকে পাল্টা পিএনবি সম্পদের উপর তার প্রথম অধিকার দাবি করে।পিএনবি ঋণ পুনরুদ্ধার শুনানিতে বলেছে, মোদির কিছু সম্পত্তি ব্যাংকের কাছে গচ্ছিত আছে। হাই কোর্ট ইডি ও পিএনবিকে তাদের উত্তর দাখিল করতে ১৪ দিন সময় দিয়েছে। শুনানি হবে তিন সপ্তাহ পরে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে লোন প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত হন নীরব। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশছাড়া ওই ব্যবসায়ী। ইডি তাঁকে পলাতক ঘোষণা করে। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে গ্রেফতার হন নীরব। এখনও ভারতে তাঁর প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চলছে।আরও পড়ুন: