১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস। কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় মেঘের ঘনঘটা। টানা বৃষ্টি। শক্তি বাড়িয়ে স্থলভাগে এগিয়ে আসছে নিম্নচাপ। আসন্ন দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবান্নে জরুরি বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন মুখ্যসচিব, বিপর্যয় মোকাবিলা দল, প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক। বৈঠক থেকে দুর্যোগ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী নিজে রাজ্যবাসীকে এ নিয়ে সতর্ক করেছেন। আতঙ্কের কারণ নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিপর্যয় মোকাবিলায় সবরকমভাবে প্রস্তুত প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ”আবহাওয়া নিয়ে একটা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। ইতিমধ্যে উপকূলে বৃষ্টি হচ্ছে। নিচু এলাকা থেকে লোকজনকে সরানোর কাজ চলছে। উপকূলে বাড়তি সতর্কতাও নেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। যাঁরা সমুদ্রে স্নান করতে যাবেন, দুর্যোগের পরিবেশ থাকায় তাঁদের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন বিভাগের আধিকারিকদের সতর্ক করা হয়েছে। যাতে কোনও বিপর্যয় এলে সঙ্গে সঙ্গে দুর্গতদের ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। জেলায় জেলায় আমাদের ত্রাণ প্রস্তুত রয়েছে। কারও কোনও অসুবিধা হবে না।”

আরও পড়ুন: গঙ্গাসাগর মেলা: নবান্নে বৈঠক করবেন মমতা, থাকবেন একাধিক দফতরের মন্ত্রী-সচিবরা

নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতি ও শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বেশ কিছু জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সর্তকতা জারি করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রও উত্তল থাকবে। মৎস্যজীবীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ইতিমধ্যে ভারী বৃষ্টিতে ও সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুরের পশ্চিমে ৬০০ মিটার মাটির তৈরি বাঁধ ভেঙে ৬০ থেকে ৬৫টি বাড়ি জলমগ্ন। জলের নীচে চাষের জমি। পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর কুমার জানা জানিয়েছেন, বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জলমগ্ন ও বিপদগ্রস্ত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: মৃত বেড়ে ২০, সবচেয়ে বিধ্বস্ত মিরিক
ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ মে ২০২৫, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস। কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় মেঘের ঘনঘটা। টানা বৃষ্টি। শক্তি বাড়িয়ে স্থলভাগে এগিয়ে আসছে নিম্নচাপ। আসন্ন দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবান্নে জরুরি বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন মুখ্যসচিব, বিপর্যয় মোকাবিলা দল, প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক। বৈঠক থেকে দুর্যোগ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী নিজে রাজ্যবাসীকে এ নিয়ে সতর্ক করেছেন। আতঙ্কের কারণ নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিপর্যয় মোকাবিলায় সবরকমভাবে প্রস্তুত প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ”আবহাওয়া নিয়ে একটা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। ইতিমধ্যে উপকূলে বৃষ্টি হচ্ছে। নিচু এলাকা থেকে লোকজনকে সরানোর কাজ চলছে। উপকূলে বাড়তি সতর্কতাও নেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। যাঁরা সমুদ্রে স্নান করতে যাবেন, দুর্যোগের পরিবেশ থাকায় তাঁদের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন বিভাগের আধিকারিকদের সতর্ক করা হয়েছে। যাতে কোনও বিপর্যয় এলে সঙ্গে সঙ্গে দুর্গতদের ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। জেলায় জেলায় আমাদের ত্রাণ প্রস্তুত রয়েছে। কারও কোনও অসুবিধা হবে না।”

আরও পড়ুন: গঙ্গাসাগর মেলা: নবান্নে বৈঠক করবেন মমতা, থাকবেন একাধিক দফতরের মন্ত্রী-সচিবরা

নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতি ও শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বেশ কিছু জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সর্তকতা জারি করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রও উত্তল থাকবে। মৎস্যজীবীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ইতিমধ্যে ভারী বৃষ্টিতে ও সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুরের পশ্চিমে ৬০০ মিটার মাটির তৈরি বাঁধ ভেঙে ৬০ থেকে ৬৫টি বাড়ি জলমগ্ন। জলের নীচে চাষের জমি। পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর কুমার জানা জানিয়েছেন, বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জলমগ্ন ও বিপদগ্রস্ত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: মৃত বেড়ে ২০, সবচেয়ে বিধ্বস্ত মিরিক