০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, শনিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

চিন্ময় দাসের জামিনের আদেশ প্রত্যাহার, শুনানি রবিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় প্রাক্তন ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতের আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন চেম্বার বিচারপতি। একইসঙ্গে জামিন স্থগিতের আবেদন পুনরায় শুনানির জন্য আগামী রবিবার অর্থাৎ ৪ মে দিন ধার্য করেছেন তিনি। ওইদিন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবীর বক্তব্য শুনবেন চেম্বার আদালত।

বুধবার বিকেলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করে রায় দেন। জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট এ রায় দিয়েছেন। ওই সময় আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অপূর্ব  কুমার ভট্টাচার্য। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক ও আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া। পরে জামিন স্থগিত চেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

তারপর সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি  মুহাম্মদ রেজাউল হকের আদালত এই আদেশ দেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন যে, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতের আদেশ  প্রত্যাহার করে নিয়েছেন চেম্বার বিচারপতি।

গত বছরে ২৫ অক্টোবর চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে সনাতনী সম্প্রদায়ের একটি বড় সমাবেশ হয়। এর কয়েক দিন পর গত ৩১ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। এ মামলায় আরও ১৮ জনকে আসামি করা হয়।  রাষ্ট্রদ্রোহের সেই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গত ২৫ নভেম্বর ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়।

পরদিন জামিন আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। সেদিন চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময়ের অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় সরকারি আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে আদালত চত্বরের বাইরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন চিন্ময়।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বাংলা বললে যদি বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়, তবে হিন্দি বা উর্দু বললে পাকিস্তানে পাঠান! বাংলাদেশে পুশব্যাক নিয়ে সংসদের সরব শতাব্দী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

চিন্ময় দাসের জামিনের আদেশ প্রত্যাহার, শুনানি রবিবার

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৫, বুধবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় প্রাক্তন ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতের আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন চেম্বার বিচারপতি। একইসঙ্গে জামিন স্থগিতের আবেদন পুনরায় শুনানির জন্য আগামী রবিবার অর্থাৎ ৪ মে দিন ধার্য করেছেন তিনি। ওইদিন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবীর বক্তব্য শুনবেন চেম্বার আদালত।

বুধবার বিকেলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করে রায় দেন। জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট এ রায় দিয়েছেন। ওই সময় আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অপূর্ব  কুমার ভট্টাচার্য। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক ও আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া। পরে জামিন স্থগিত চেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

তারপর সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি  মুহাম্মদ রেজাউল হকের আদালত এই আদেশ দেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন যে, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতের আদেশ  প্রত্যাহার করে নিয়েছেন চেম্বার বিচারপতি।

গত বছরে ২৫ অক্টোবর চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে সনাতনী সম্প্রদায়ের একটি বড় সমাবেশ হয়। এর কয়েক দিন পর গত ৩১ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। এ মামলায় আরও ১৮ জনকে আসামি করা হয়।  রাষ্ট্রদ্রোহের সেই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গত ২৫ নভেম্বর ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়।

পরদিন জামিন আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। সেদিন চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময়ের অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় সরকারি আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে আদালত চত্বরের বাইরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন চিন্ময়।