১২ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোট দিবসে জয় শ্রী রাম স্লোগান দিলেন বিচারক, বিতরণ করলেন ভগবত গীতা

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ভগবত গীতা ভারতের সংবিধানের সমতুল্য। কর্নাটকের শিমাগো থিরথাহল্লি জেলার প্রথম সারির সরকারি কলেজের  অনুষ্ঠানে শামিল হয়ে এই মন্তব্য করেন বিচারক এসএস  ভরথ। জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে বিচারপতির এহেন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। শুধু তাই নয়, এদিন বক্তব্য শেষে ‘জয়-শ্রী-রাম’ ধ্বনিও তোলেন বিচারক।  একজন পড়ুয়া’ও এই বিচারকের সঙ্গে গলা মেলায়নি। বিচারকের এই আচরণে বেজায় চটেছেন অভিভাবকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, বিচারকের কাছ থেকে সংবিধান দিবসে কেউ গেরুয়া মতাদর্শের কথা শুনতে আসেনি। তাঁকে এমন কথা বলতেও কেউ অনুরোধ করেনি। অথচ গায়ে পড়ে সবটাই করেছেন তিনি। ভোটার  দিবসে বিতরণ করেছেন ভগবত গীতা।

 

ঘটনাপ্রসঙ্গে কলেজের সিনিয়র অধ্যাপক বিজেয়েন্দ্র বলেন, উনি ভোট দিবসে হঠাৎ করেই কেন ‘জয়-শ্রী-রাম’ স্লোগান দিলেন তা বোধগম্য হয়নি।ভগবত গীতার প্রশংসায় তিনি কেন পঞ্চমুখ হলেন তা বোঝা যায়নি।তবে অনেকে বলছেন আজকাল আইন-বিভাগের মত, বিচারবিভাগেরও অনেকেই গেরুয়া মতাদর্শের প্রকাশ্য প্রচার চালাচ্ছেন। এর ফলে কেউ কেউ অবসরের পর নয়া পদও পাচ্ছেন।

 

এই প্রেক্ষিতে তহসিলদার জাক্কানা গৌদ্দার এস জানিয়েছেন, ভোট দিবসে অংশগ্রহণ কারী পড়ুয়াদের নানা উপহার দেওয়া হয়েছিল ঠিকই। তবে তাতে ভগবত গীতা ছিল কিনা আমার জানা নেই। এই বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সঞ্জীব ভাটের আর্জি খারিজ শীর্ষ কোর্টে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভোট দিবসে জয় শ্রী রাম স্লোগান দিলেন বিচারক, বিতরণ করলেন ভগবত গীতা

আপডেট : ২৮ জানুয়ারী ২০২৪, রবিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ভগবত গীতা ভারতের সংবিধানের সমতুল্য। কর্নাটকের শিমাগো থিরথাহল্লি জেলার প্রথম সারির সরকারি কলেজের  অনুষ্ঠানে শামিল হয়ে এই মন্তব্য করেন বিচারক এসএস  ভরথ। জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে বিচারপতির এহেন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। শুধু তাই নয়, এদিন বক্তব্য শেষে ‘জয়-শ্রী-রাম’ ধ্বনিও তোলেন বিচারক।  একজন পড়ুয়া’ও এই বিচারকের সঙ্গে গলা মেলায়নি। বিচারকের এই আচরণে বেজায় চটেছেন অভিভাবকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, বিচারকের কাছ থেকে সংবিধান দিবসে কেউ গেরুয়া মতাদর্শের কথা শুনতে আসেনি। তাঁকে এমন কথা বলতেও কেউ অনুরোধ করেনি। অথচ গায়ে পড়ে সবটাই করেছেন তিনি। ভোটার  দিবসে বিতরণ করেছেন ভগবত গীতা।

 

ঘটনাপ্রসঙ্গে কলেজের সিনিয়র অধ্যাপক বিজেয়েন্দ্র বলেন, উনি ভোট দিবসে হঠাৎ করেই কেন ‘জয়-শ্রী-রাম’ স্লোগান দিলেন তা বোধগম্য হয়নি।ভগবত গীতার প্রশংসায় তিনি কেন পঞ্চমুখ হলেন তা বোঝা যায়নি।তবে অনেকে বলছেন আজকাল আইন-বিভাগের মত, বিচারবিভাগেরও অনেকেই গেরুয়া মতাদর্শের প্রকাশ্য প্রচার চালাচ্ছেন। এর ফলে কেউ কেউ অবসরের পর নয়া পদও পাচ্ছেন।

 

এই প্রেক্ষিতে তহসিলদার জাক্কানা গৌদ্দার এস জানিয়েছেন, ভোট দিবসে অংশগ্রহণ কারী পড়ুয়াদের নানা উপহার দেওয়া হয়েছিল ঠিকই। তবে তাতে ভগবত গীতা ছিল কিনা আমার জানা নেই। এই বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ।