১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৃত শিশুকে ‘পুতুল’ আখ্যা দেওয়ার নির্লজ্জ প্রয়াস ইসরাইলের, ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে বিতর্ক

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: : ইসরাইলের লাগাতার হামলায় বিপর্যস্ত ফিলিস্তিন অধ্যুষিত গাজা। ইহুদি হামলায় শত শত মানুষের প্রাণহানি, এক কথায় ইতিহাসের একটি কালো দিন হয়েই মানচিত্রে জায়গা করে নেবে। মঙ্গলবার রাতেও বিমান হামলার হাত থেকে বাঁচতে হাসপাতালে আশ্রয় নিতে আসা মানুষের উপরেও নির্লজ্জ বিমান হামলা চালিয়েছে ইহুদি বাহিনী। তার পরেই অদ্ভূতভাবে সেই দোষারোপ নিজের ঘাড় থেকে নামিয়ে তা ‘ইসলামিক জেহাদি গোষ্ঠী’র দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

মৃত শিশুকে 'পুতুল' আখ্যা দেওয়ার নির্লজ্জ প্রয়াস ইসরাইলের, ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে বিতর্ক

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আগ্রাসনের হানার হাত থেকে রেহায় মেলেনি ৪ বছরের শিশুর। দেহ কাপড়ে মোড়া সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। এদিকে ইসরাইলের দাবি, ভিডিয়োটি মিথ্যা। ওটি কোনও শিশুর দেহ নয়, একটি পুতুল। একটি অস্পষ্ট ভিডিয়ো ব্যবহার করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে স্ক্রিনশট।

গত ১৪ অক্টোবর ইহুদি সরকারের এক্স হ্যান্ডেলে অভিযোগ তোলা হয়, হামাস একটি পুতুলকে দেখিয়ে দাবি করছে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ভিডিয়োটিতে পিছনে একটি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজছে। সেটি দুটি ক্লিপের একটি সংযোজন। প্রথম ক্লিপটিতে দেখানো হয়েছে,’শিশু’টিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং দ্বিতীয় ক্লিপে দেখা যাচ্ছে সাদা কাপড়ে আবৃত একটি প্রাণহীন দেহ। ছবির ধারে একটি সার্কেল দেওয়া আছে।
ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “হামাস ভুলবশত একটি পুতুলের ভিডিও পোস্ট করেছে (হ্যাঁ একটি পুতুল) যাতে বোঝানো হয়েছে এটি আইডিএফ হামলায় হতাহতের একটি অংশ।’

পুতুলকে মৃত শিশু বলে দাবি করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট যেমন ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ায় ইসরাইলের দূতাবাস ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখানো শিশুটিকে একটি পুতুল হিসাবেই উল্লেখ করেছে।
ইসরায়েলি সক্রিয় কর্মী জোসেফ হাদ্দাদ সম্ভবত প্রথম এই দাবিটি তুলে ট্যুইট করেন। হাদ্দাদ লেখেন, ‘হামাস জনসাধারণকে প্রতারিত করার জন্য

একটি পুতুলের ভিডিও ট্যুইট করেছে। হামাস এবং ফিলিস্তিনিদের মিথ্যা এবং অপবাদমূলক প্রচার চালানোর কাজ কতটা কঠিন তা বোঝা যাচ্ছে।’ ট্যুইটটিতে ৩.৭ মিলিয়ন ভিউ ও ২৭ হাজার লাইক পড়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা: তারেক রহমান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মৃত শিশুকে ‘পুতুল’ আখ্যা দেওয়ার নির্লজ্জ প্রয়াস ইসরাইলের, ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে বিতর্ক

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: : ইসরাইলের লাগাতার হামলায় বিপর্যস্ত ফিলিস্তিন অধ্যুষিত গাজা। ইহুদি হামলায় শত শত মানুষের প্রাণহানি, এক কথায় ইতিহাসের একটি কালো দিন হয়েই মানচিত্রে জায়গা করে নেবে। মঙ্গলবার রাতেও বিমান হামলার হাত থেকে বাঁচতে হাসপাতালে আশ্রয় নিতে আসা মানুষের উপরেও নির্লজ্জ বিমান হামলা চালিয়েছে ইহুদি বাহিনী। তার পরেই অদ্ভূতভাবে সেই দোষারোপ নিজের ঘাড় থেকে নামিয়ে তা ‘ইসলামিক জেহাদি গোষ্ঠী’র দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

মৃত শিশুকে 'পুতুল' আখ্যা দেওয়ার নির্লজ্জ প্রয়াস ইসরাইলের, ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে বিতর্ক

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আগ্রাসনের হানার হাত থেকে রেহায় মেলেনি ৪ বছরের শিশুর। দেহ কাপড়ে মোড়া সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। এদিকে ইসরাইলের দাবি, ভিডিয়োটি মিথ্যা। ওটি কোনও শিশুর দেহ নয়, একটি পুতুল। একটি অস্পষ্ট ভিডিয়ো ব্যবহার করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে স্ক্রিনশট।

গত ১৪ অক্টোবর ইহুদি সরকারের এক্স হ্যান্ডেলে অভিযোগ তোলা হয়, হামাস একটি পুতুলকে দেখিয়ে দাবি করছে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ভিডিয়োটিতে পিছনে একটি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজছে। সেটি দুটি ক্লিপের একটি সংযোজন। প্রথম ক্লিপটিতে দেখানো হয়েছে,’শিশু’টিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং দ্বিতীয় ক্লিপে দেখা যাচ্ছে সাদা কাপড়ে আবৃত একটি প্রাণহীন দেহ। ছবির ধারে একটি সার্কেল দেওয়া আছে।
ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “হামাস ভুলবশত একটি পুতুলের ভিডিও পোস্ট করেছে (হ্যাঁ একটি পুতুল) যাতে বোঝানো হয়েছে এটি আইডিএফ হামলায় হতাহতের একটি অংশ।’

পুতুলকে মৃত শিশু বলে দাবি করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট যেমন ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ায় ইসরাইলের দূতাবাস ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখানো শিশুটিকে একটি পুতুল হিসাবেই উল্লেখ করেছে।
ইসরায়েলি সক্রিয় কর্মী জোসেফ হাদ্দাদ সম্ভবত প্রথম এই দাবিটি তুলে ট্যুইট করেন। হাদ্দাদ লেখেন, ‘হামাস জনসাধারণকে প্রতারিত করার জন্য

একটি পুতুলের ভিডিও ট্যুইট করেছে। হামাস এবং ফিলিস্তিনিদের মিথ্যা এবং অপবাদমূলক প্রচার চালানোর কাজ কতটা কঠিন তা বোঝা যাচ্ছে।’ ট্যুইটটিতে ৩.৭ মিলিয়ন ভিউ ও ২৭ হাজার লাইক পড়েছে।