১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুজরাতে সেতু দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪১, আহত শতাধিক, আটক ৯

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  গুজরাতে মোরবি জেলায় মাচ্ছু নদীর উপরে সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪১। আহত শতাধিক। ১৭৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে ৯ জনকে। জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ।

রবিবার সন্ধ্যায় সেতুটি ভেঙে পড়ে। প্রশাসনের সূত্রে জানানো হয়, মোরবি জেলার মাচ্চু নদীর ওপর ঝুলন্ত সেতু হঠাৎ ভেঙে পড়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী ও পুলিশ উদ্ধারকাজ শুরু করে। রাতে কম আলোর জন্য উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়।

আরও পড়ুন: ১৯-বছরের পুরনো মামলায় গ্রেফতার পূর্ণিয়ার সাংসদ পাপ্পু যাদব, উত্তেজনা পটনায়

সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে ১৫ বছরের জন্য সেতুটি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ পেয়েছিল ওরেভা নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাত মাস ধরে বন্ধ ছিল সেতুটি। গত ২৬ অক্টোবর  জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সেতুটি। কারণ ওই সময় গুজরাতি নববর্ষ। গতকাল এই বিপর্যয় ঘটল। ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই সেতুটি পুনরায় চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলা: গ্রেফতার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাভেদ সিদ্দিকী

গত শনিবার এক ভিডিওতে শতাধিক মানুষকে ওই সেতুতে লাফালাফি করতে দেখা যায়। সে সময় সেতুটি বেশ বিপজ্জনকভাবে দুলছিল। তার পরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।  নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করে রাজ্যের সরকার।

আরও পড়ুন: মাওবাদী বিরোধী অভিযান: ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের আইইডি বিস্ফারণে আহত ১১ নিরাপত্তা কর্মী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মৃতদের পরিবারকে দু’ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তার কথা ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, দুর্ঘটনার সময় সেতুটিতে ওই সময় প্রায় ৪০০ মানুষ ছিলেন। অনেকে বলছেন, দুর্ঘটনার সময় সেতুতে ১৫০ মানুষ ছিল। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই পর্যটক। তবে স্থানীয়দের মত, বেশি ওজন সইতে না পেরে  ভেঙে পড়ে ওই ব্রিজ। ২৩০ মিটার লম্বা  এই সেতু নির্মাণ হয় ব্রিটিশ আমলে। এই ব্রিজ সংস্কারের জন্য প্রায় ৬ মাস  বন্ধ ছিল। ৬ দিন আগেই ফের খুলে দেওয়া হয়েছিল সেতুটি। এই সেতু দেখতে সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে।

 

 

সর্বধিক পাঠিত

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা: তারেক রহমান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গুজরাতে সেতু দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪১, আহত শতাধিক, আটক ৯

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২২, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  গুজরাতে মোরবি জেলায় মাচ্ছু নদীর উপরে সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪১। আহত শতাধিক। ১৭৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে ৯ জনকে। জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ।

রবিবার সন্ধ্যায় সেতুটি ভেঙে পড়ে। প্রশাসনের সূত্রে জানানো হয়, মোরবি জেলার মাচ্চু নদীর ওপর ঝুলন্ত সেতু হঠাৎ ভেঙে পড়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী ও পুলিশ উদ্ধারকাজ শুরু করে। রাতে কম আলোর জন্য উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়।

আরও পড়ুন: ১৯-বছরের পুরনো মামলায় গ্রেফতার পূর্ণিয়ার সাংসদ পাপ্পু যাদব, উত্তেজনা পটনায়

সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে ১৫ বছরের জন্য সেতুটি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ পেয়েছিল ওরেভা নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাত মাস ধরে বন্ধ ছিল সেতুটি। গত ২৬ অক্টোবর  জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সেতুটি। কারণ ওই সময় গুজরাতি নববর্ষ। গতকাল এই বিপর্যয় ঘটল। ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই সেতুটি পুনরায় চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলা: গ্রেফতার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাভেদ সিদ্দিকী

গত শনিবার এক ভিডিওতে শতাধিক মানুষকে ওই সেতুতে লাফালাফি করতে দেখা যায়। সে সময় সেতুটি বেশ বিপজ্জনকভাবে দুলছিল। তার পরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।  নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করে রাজ্যের সরকার।

আরও পড়ুন: মাওবাদী বিরোধী অভিযান: ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের আইইডি বিস্ফারণে আহত ১১ নিরাপত্তা কর্মী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মৃতদের পরিবারকে দু’ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তার কথা ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, দুর্ঘটনার সময় সেতুটিতে ওই সময় প্রায় ৪০০ মানুষ ছিলেন। অনেকে বলছেন, দুর্ঘটনার সময় সেতুতে ১৫০ মানুষ ছিল। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই পর্যটক। তবে স্থানীয়দের মত, বেশি ওজন সইতে না পেরে  ভেঙে পড়ে ওই ব্রিজ। ২৩০ মিটার লম্বা  এই সেতু নির্মাণ হয় ব্রিটিশ আমলে। এই ব্রিজ সংস্কারের জন্য প্রায় ৬ মাস  বন্ধ ছিল। ৬ দিন আগেই ফের খুলে দেওয়া হয়েছিল সেতুটি। এই সেতু দেখতে সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে।