০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামিন পেলেও, এখনও জেলেই নওশাদ

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জামিন পেলেও, এখনও জেলেই রয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন তিনি। গতকাল, অর্থাৎ ৪০ দিন জেলে আটকে থাকার পর কলকাতা হাই কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। গত ২১ জানুয়ারি আইএসএফ-এর প্রতিষ্ঠা দিবসের দিন তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে গন্ডোগোলে জড়িয়ে পড়েন আইএসএফ-এর কর্মীরা। আইএসএফ-এর পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করেই এই অশান্তির সূত্রপাত হয়।

আজ দুপুর ১২টা বেজে গেলেও জেল কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর রিলিজ অর্ডার পৌঁছয়নি। ফলে এখনও জেলেই রয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক। প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের দাবি, আজ সূর্যাস্তের আগে রিলিজ অর্ডার তাদের কাছে না পৌঁছলে আজ মুক্তি পাবেন না  নওশাদ।

আরও পড়ুন: বিগ্রেডকাণ্ডের ধৃতদের জামিন, ফুলের মালা ও গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে সংবর্ধনা শুভেন্দুর

উল্লেখ্য, একা নওশাদ নন, গত ২১ জানুয়ারি আইএসএফ-এর প্রতিষ্ঠা দিবসে ধর্মতলায় অশান্তির ঘটনায় সব মিলিয়ে মোট ৬৪ জনের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।
আদালতে বারবারই নওশাদের জামিনের বিরোধিতা করেছে রাজ্য সরকার। নওশাদ পুলিশকে আক্রমণে প্ররোচনা দিয়েছেন, এমনও অভিযোগ ছিল রাজ্যের। যদিও কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি চলাকালীন নওশাদ-সহ আইএসএফ নেতা কর্মীদের গ্রেফতারি নিয়ে বিচারপতিদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে।
জামিন মঞ্জুর করলেও নওশাদ-সহ আইএসএফ নেতা, কর্মীদের তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তকারী অফিসার তলব করলেই হাজিরারও নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শারীরিক অবস্থার অবনতি তিহারে বন্দি সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার রাশিদের

নওশাদকে আটকে রাখার স্বপক্ষে কী প্রমাণ রয়েছে, তা রাজ্যের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতিরা। এ দিন আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানান, ‘পুলিশকে সরাসরি মারতে বলেছেন নওশাদ সিদ্দিকী বা সরাসরি শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় যুক্ত, এই মর্মে এখনও কোন ভিডিয়ো ফুটেজ আমরা পাইনি।’ যদিও ছবি দেখে বেশ কয়েকজনকে পুলিশ চিহ্নিত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, মামলাকারীদের আইনজীবীর উদ্দেশ্যেও বিচারপতি দেবাংশু বসাক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘পুলিশের উপরে আক্রমণ করা হয়েছে, পুলিশের উর্দিতে হাত দিতে পারেন না। যাদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।’ এ দিন রাজ্যের পক্ষ থেকে আবেদন জানিয়ে বলা হয়, ১৫ দিন নওশাদ সিদ্দিকী যেন নিউ মার্কেট থানা এলাকায় প্রবেশ করতে না পারেন। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দেন দুই বিচারপতি।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক সৌম্য বিশ্বনাথনের খুনিদের জামিন

 

ট্যাগ :

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে করাচিতে বিক্ষোভ, সংঘর্ষে নিহত ৯

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জামিন পেলেও, এখনও জেলেই নওশাদ

আপডেট : ৩ মার্চ ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জামিন পেলেও, এখনও জেলেই রয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন তিনি। গতকাল, অর্থাৎ ৪০ দিন জেলে আটকে থাকার পর কলকাতা হাই কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। গত ২১ জানুয়ারি আইএসএফ-এর প্রতিষ্ঠা দিবসের দিন তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে গন্ডোগোলে জড়িয়ে পড়েন আইএসএফ-এর কর্মীরা। আইএসএফ-এর পতাকা তোলাকে কেন্দ্র করেই এই অশান্তির সূত্রপাত হয়।

আজ দুপুর ১২টা বেজে গেলেও জেল কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর রিলিজ অর্ডার পৌঁছয়নি। ফলে এখনও জেলেই রয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক। প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের দাবি, আজ সূর্যাস্তের আগে রিলিজ অর্ডার তাদের কাছে না পৌঁছলে আজ মুক্তি পাবেন না  নওশাদ।

আরও পড়ুন: বিগ্রেডকাণ্ডের ধৃতদের জামিন, ফুলের মালা ও গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে সংবর্ধনা শুভেন্দুর

উল্লেখ্য, একা নওশাদ নন, গত ২১ জানুয়ারি আইএসএফ-এর প্রতিষ্ঠা দিবসে ধর্মতলায় অশান্তির ঘটনায় সব মিলিয়ে মোট ৬৪ জনের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।
আদালতে বারবারই নওশাদের জামিনের বিরোধিতা করেছে রাজ্য সরকার। নওশাদ পুলিশকে আক্রমণে প্ররোচনা দিয়েছেন, এমনও অভিযোগ ছিল রাজ্যের। যদিও কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি চলাকালীন নওশাদ-সহ আইএসএফ নেতা কর্মীদের গ্রেফতারি নিয়ে বিচারপতিদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে।
জামিন মঞ্জুর করলেও নওশাদ-সহ আইএসএফ নেতা, কর্মীদের তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তকারী অফিসার তলব করলেই হাজিরারও নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শারীরিক অবস্থার অবনতি তিহারে বন্দি সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার রাশিদের

নওশাদকে আটকে রাখার স্বপক্ষে কী প্রমাণ রয়েছে, তা রাজ্যের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতিরা। এ দিন আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানান, ‘পুলিশকে সরাসরি মারতে বলেছেন নওশাদ সিদ্দিকী বা সরাসরি শারীরিক নিগ্রহের ঘটনায় যুক্ত, এই মর্মে এখনও কোন ভিডিয়ো ফুটেজ আমরা পাইনি।’ যদিও ছবি দেখে বেশ কয়েকজনকে পুলিশ চিহ্নিত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, মামলাকারীদের আইনজীবীর উদ্দেশ্যেও বিচারপতি দেবাংশু বসাক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘পুলিশের উপরে আক্রমণ করা হয়েছে, পুলিশের উর্দিতে হাত দিতে পারেন না। যাদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।’ এ দিন রাজ্যের পক্ষ থেকে আবেদন জানিয়ে বলা হয়, ১৫ দিন নওশাদ সিদ্দিকী যেন নিউ মার্কেট থানা এলাকায় প্রবেশ করতে না পারেন। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দেন দুই বিচারপতি।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক সৌম্য বিশ্বনাথনের খুনিদের জামিন