আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় সোমবার একাধিক স্থানে বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচির আগেই এই ঘটনা ঘটে, যা ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে রাজধানীজুড়ে।
আরও পড়ুন:
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, আগামী ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি ঘিরে শহরজুড়ে ১৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে থাকবেন। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে রাজধানীর প্রবেশপথ, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা, কূটনৈতিক এলাকা ও আবাসিক মহল্লাগুলোয়।
আরও পড়ুন:
সোমবার সন্ধ্যার পর ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে আগুন দেওয়া হয়। ভোরে বাড্ডা ও শাহজাদপুরে আরও দুটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগানো হয়। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া মিরপুর, খিলগাঁও, মোহাম্মদপুর, বাংলাদেশ বেতার ভবন ও এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হেলমেট পরা মোটরসাইকেল আরোহীরা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে,“রাস্তায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলেই গ্রেপ্তার করা হবে।” ইতিমধ্যেই অভিযানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৩৪ নেতা,কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ডিএমপি এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় সব ধরনের সভা–সমাবেশ ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন:
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, “নাগরিকদের সহযোগিতা পেলে এসব চোরাগোপ্তা হামলা প্রতিরোধ আরও সহজ হবে।” ইতিমধ্যে ককটেল হামলায় জড়িত সন্দেহে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজধানীর সব গির্জা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।