১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০২৪ সালে কুকুরে কামড়ের শিকার ৩৭ লক্ষের বেশি মানুষ, জলাতঙ্কে মৃত্যু ৫৪ জনের, বলছে কেন্দ্রীয় সরকার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বাড়ি থেকে পাড়া। কুকুর থাকে মানুষের কাছে। কিন্তু এই মুহূর্তে দেশে কুকুরে কামড়ানোর ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে ৩৭ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৩৬ জন মানুষ কুকুরে কামড়ের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৪ জন জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার লোকসভায় এই তথ্য তুলে ধরেন কেন্দ্রের মৎস্য, পশুপালন ও ডেয়ারি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী এসপি সিংহ বাঘেল। তিনি জানান, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোলের অধীন ন্যাশনাল রেবিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের আওতায় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই হিসাব তৈরি করা হয়েছে।

বাঘেল আরও বলেন, পথকুকুর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব স্থানীয় পুরসভার। এই সমস্যা রুখতে অ্যানিম্যাল বার্থ কন্ট্রোল (এবিসি) প্রোগ্রামের মাধ্যমে পথকুকুরদের নির্বীজকরণের ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁর মতে, জলাতঙ্কের ভয়াবহতা কমাতে পথকুকুরদের নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: বিসিসিআই ও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই করমর্দনে না করেছিলেন পাইক্রফট 

আরও পড়ুন: জিএসটি কাঠামোয় বদল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব অমিত মিত্র
সর্বধিক পাঠিত

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা, যুদ্ধের মুখে তেহরান-ওয়াশিংটন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২০২৪ সালে কুকুরে কামড়ের শিকার ৩৭ লক্ষের বেশি মানুষ, জলাতঙ্কে মৃত্যু ৫৪ জনের, বলছে কেন্দ্রীয় সরকার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৫, বুধবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বাড়ি থেকে পাড়া। কুকুর থাকে মানুষের কাছে। কিন্তু এই মুহূর্তে দেশে কুকুরে কামড়ানোর ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে ৩৭ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৩৬ জন মানুষ কুকুরে কামড়ের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৪ জন জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার লোকসভায় এই তথ্য তুলে ধরেন কেন্দ্রের মৎস্য, পশুপালন ও ডেয়ারি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী এসপি সিংহ বাঘেল। তিনি জানান, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোলের অধীন ন্যাশনাল রেবিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের আওতায় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই হিসাব তৈরি করা হয়েছে।

বাঘেল আরও বলেন, পথকুকুর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব স্থানীয় পুরসভার। এই সমস্যা রুখতে অ্যানিম্যাল বার্থ কন্ট্রোল (এবিসি) প্রোগ্রামের মাধ্যমে পথকুকুরদের নির্বীজকরণের ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁর মতে, জলাতঙ্কের ভয়াবহতা কমাতে পথকুকুরদের নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: বিসিসিআই ও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই করমর্দনে না করেছিলেন পাইক্রফট 

আরও পড়ুন: জিএসটি কাঠামোয় বদল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব অমিত মিত্র