১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাতে হাতেই মিলবে ‘ই-রেশন কার্ড, বিশেষ উদ্যোগ সরকারের

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: মানুষকে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা পালন করছে মমতা সরকারের দুয়ারে সরকার ক্যাম্প। এই বিশেষ শিবির থেকে পাওয়া যায় একাধিক পরিষেবা। এবার মানুষকে খাদ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা দিতে যাঁদের রেশন কার্ড নেই তাঁদের জন্য ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির থেকেই দেওয়া হবে ই-রেশন কার্ড। ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া শিবিরে এসে কেউ খাদ্যসাথী কাউন্টারে গিয়ে ৪ নম্বর ফর্ম পূরণ করে জমা দিলেই হাতে হাতেই তিনি পেয়ে যাবেন ‘ই-রেশন কার্ড’।

 

আরও পড়ুন: সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্কলারশিপে শুরু হচ্ছে আবেদন

জানা গিয়েছে, রেশন কার্ডের আবেদনকারীর যদি আরকেএসওয়াই-১ বা আরকেএসওয়াই-২ শ্রেণির কার্ড হন, তবে তিনি পরের সপ্তাহ থেকেই রেশন পেতে শুরু করবেন। ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে ‘অনস্পট ই-রেশন কার্ড’ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

আরও পড়ুন: শিক্ষকের মারে দৃষ্টিশক্তি হারাল এক খুদে পড়ুয়া, কর্নাটকের সরকারি স্কুলের ঘটনা

 

আরও পড়ুন: চুক্তিভিক্তিক শিক্ষক নিয়োগে নতুন নিয়ম, ১০ শতাংশের সীমা প্রত্যাহার ইউজিসির

রাজ্যের মন্ত্রীর কথায়, ‘নানা কাজে ব্যস্ত থাকায় বহু মানুষ খাদ্য দফতরের অফিসে এসে ফর্ম ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে রেশন কার্ড করাতে পারেননি। তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ সুবিধা করে দিলেন। দুয়ারে সরকারে এসেই ৪ নম্বর ফর্ম ও সংশ্লিষ্ট নথিগুলি জমা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ই-মেলে বা ফোনের হোয়াটসঅ্যাপে ই-রেশন কার্ড চলে যাবে।

এমনিতেই রাজ্যবাসীকে ডিজিটাল রেশন কার্ড ও তার সঙ্গে আধার লিংকের কাজ অনেকটাই সম্পূর্ণ করে দিয়েছে রাজ্য। যাদের কার্ড হয়নি সেই সমস্ত শিশু থেকে বয়স্ক, সবাইকে ‘অনস্পট রেশন কার্ড’ দিতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পকে বেছে নিয়েছে প্রশাসন। খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ জানান, প্রতিটি শিবিরেই খাদ্যসাথী কাউন্টারে ফুড ইনস্পেক্টর থেকে শুরু করে দক্ষ কর্মীরা থাকবেন। ফর্ম জমা দিলেই অনলাইনে আপলোড হবে আর যাঁদের সমস্ত নথি আপটুডেট থাকবে তাঁদের সঙ্গে সঙ্গেই ই-রেশন কার্ড দিয়ে দেওয়া হবে।

 

যেসব নথি জমা করতে হবে সেগুলি হল- ফর্মের সঙ্গে পরিবারের অন্য একজনের রেশন ও আধার কার্ডের জেরক্স, ৫ বছরের নিচের শিশুর জন্মসার্টিফিকেট এবং অবশ্যই মোবাইল নম্বর দিতে হবে। অন্ত্যোদয় বা এনএফএস কার্ড আছে এমন পরিবারের কোনও শিশুকে রাষ্ট্রীয় খাদ্যসুরক্ষার আরকেএসওয়াই-১ সুবিধা দেওয়া হবে। খাদ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘ওই শিশুটির নয়া কার্ডটি অন্ত্যোদয়ে অগ্রাধিকার থাকবে।’ যেহেতু কেন্দ্রের নিয়মে অন্ত্যোদয় সংখ্যা নির্দিষ্ট, তাই পরবর্তী শূন্যতার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ডিলার পরিবর্তন বা ডিজিটাল রেশন কার্ডের হারিয়ে ফেললেও ডুপ্লিকেটের জন্য ৫ ও ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে জমা দিলে নতুন কার্ড হবে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গকে জোড়া উপহার মুখ্যমন্ত্রীর, শিলান্যাস মহাকাল মন্দিরের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাতে হাতেই মিলবে ‘ই-রেশন কার্ড, বিশেষ উদ্যোগ সরকারের

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২২, সোমবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: মানুষকে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা পালন করছে মমতা সরকারের দুয়ারে সরকার ক্যাম্প। এই বিশেষ শিবির থেকে পাওয়া যায় একাধিক পরিষেবা। এবার মানুষকে খাদ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা দিতে যাঁদের রেশন কার্ড নেই তাঁদের জন্য ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির থেকেই দেওয়া হবে ই-রেশন কার্ড। ১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া শিবিরে এসে কেউ খাদ্যসাথী কাউন্টারে গিয়ে ৪ নম্বর ফর্ম পূরণ করে জমা দিলেই হাতে হাতেই তিনি পেয়ে যাবেন ‘ই-রেশন কার্ড’।

 

আরও পড়ুন: সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্কলারশিপে শুরু হচ্ছে আবেদন

জানা গিয়েছে, রেশন কার্ডের আবেদনকারীর যদি আরকেএসওয়াই-১ বা আরকেএসওয়াই-২ শ্রেণির কার্ড হন, তবে তিনি পরের সপ্তাহ থেকেই রেশন পেতে শুরু করবেন। ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে ‘অনস্পট ই-রেশন কার্ড’ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।

আরও পড়ুন: শিক্ষকের মারে দৃষ্টিশক্তি হারাল এক খুদে পড়ুয়া, কর্নাটকের সরকারি স্কুলের ঘটনা

 

আরও পড়ুন: চুক্তিভিক্তিক শিক্ষক নিয়োগে নতুন নিয়ম, ১০ শতাংশের সীমা প্রত্যাহার ইউজিসির

রাজ্যের মন্ত্রীর কথায়, ‘নানা কাজে ব্যস্ত থাকায় বহু মানুষ খাদ্য দফতরের অফিসে এসে ফর্ম ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে রেশন কার্ড করাতে পারেননি। তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ সুবিধা করে দিলেন। দুয়ারে সরকারে এসেই ৪ নম্বর ফর্ম ও সংশ্লিষ্ট নথিগুলি জমা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ই-মেলে বা ফোনের হোয়াটসঅ্যাপে ই-রেশন কার্ড চলে যাবে।

এমনিতেই রাজ্যবাসীকে ডিজিটাল রেশন কার্ড ও তার সঙ্গে আধার লিংকের কাজ অনেকটাই সম্পূর্ণ করে দিয়েছে রাজ্য। যাদের কার্ড হয়নি সেই সমস্ত শিশু থেকে বয়স্ক, সবাইকে ‘অনস্পট রেশন কার্ড’ দিতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পকে বেছে নিয়েছে প্রশাসন। খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ জানান, প্রতিটি শিবিরেই খাদ্যসাথী কাউন্টারে ফুড ইনস্পেক্টর থেকে শুরু করে দক্ষ কর্মীরা থাকবেন। ফর্ম জমা দিলেই অনলাইনে আপলোড হবে আর যাঁদের সমস্ত নথি আপটুডেট থাকবে তাঁদের সঙ্গে সঙ্গেই ই-রেশন কার্ড দিয়ে দেওয়া হবে।

 

যেসব নথি জমা করতে হবে সেগুলি হল- ফর্মের সঙ্গে পরিবারের অন্য একজনের রেশন ও আধার কার্ডের জেরক্স, ৫ বছরের নিচের শিশুর জন্মসার্টিফিকেট এবং অবশ্যই মোবাইল নম্বর দিতে হবে। অন্ত্যোদয় বা এনএফএস কার্ড আছে এমন পরিবারের কোনও শিশুকে রাষ্ট্রীয় খাদ্যসুরক্ষার আরকেএসওয়াই-১ সুবিধা দেওয়া হবে। খাদ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘ওই শিশুটির নয়া কার্ডটি অন্ত্যোদয়ে অগ্রাধিকার থাকবে।’ যেহেতু কেন্দ্রের নিয়মে অন্ত্যোদয় সংখ্যা নির্দিষ্ট, তাই পরবর্তী শূন্যতার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ডিলার পরিবর্তন বা ডিজিটাল রেশন কার্ডের হারিয়ে ফেললেও ডুপ্লিকেটের জন্য ৫ ও ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে জমা দিলে নতুন কার্ড হবে।