১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শুধু পেটের নয়, রোযা শরীরের সর্বাঙ্গের

REPRESENTATIVE IMAGE

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রবীণ ও বিস্তৃত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু পর তাঁর হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সব দফতর হাওড়ার নেতা পুলক রায়ের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ তিনি বুঝেছিলেন, যাঁর সঙ্গে মানুষের গভীর যোগসূত্র একমাত্র সেই ব্যক্তিই সামলাতে পারবেন পঞ্চায়েত, জনস্বাস্থ্য কারিগরী এবং গ্রামোন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলি। পুলক রায়ের কাজ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কারও কোনও অভিযোগ নেই। তিনি যে বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেছেন, সেই হাওড়ার উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্রটিতে বিপুল সংখ্যক মুসলিমের বাস। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ বলেই তিনি সকলের প্রিয় মানুষ। রমযান মাস নিয়ে প্রশ্ন করতেই পুলক রায় বলেন, রমযান মাস আসার অনেক আগে থেকেই আমার দফতরকে প্রস্তুতি নিতে হয়। প্রতিটি গ্রামীণ এলাকায় পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহে যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে। কারণ আমাদের মুসলিম ভাই-বোনেরা সারাদিন কঠোর উপবাসে থাকেন, এই তীব্র গরমে তাদের যেন কোনও সমস্যা না হয়। আবার এটা অ্যাপ ও তিতিক্ষার মাস।

 

আরও পড়ুন: মৃত তিমির পেটে ৪৪ কোটি টাকার সোনা!

ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি পবিত্র রমযান মাসে মুসলিমরা রোযা বা উপবাস রেখে কঠোর কৃচ্ছ্বসাধন করেন। এটা একটা আত্মশুদ্ধি এবং লোভ সম্বরণের চর্চা। ক্ষুধার্ত পেটে অভাবি মানুষের কষ্ট অনুধাবন করা যায়। আমি যতটুকু জেনেছি, রোযা মানে কেবল অনাহারে থেকে পেটের উপবাস নয়, এই রোযা শরীরের সর্বাঙ্গের। খারাপ কথা শুনব না। খারাপ কথা বলব না, খারাপ কিছু দেখব না। একটি পরিশুদ্ধ মন নিয়ে কেবল আল্লাহ তথা ঈশ্বরের শরণাপন্ন হওয়া। রমযান মাস সৃষ্টিকর্তার কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ এনে দেয়। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমাকে রমযান মাসের বিভিন্ন দিনে বহু স্থানে ইফতারে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ থাকে। আমি সুযোগ-সুবিধা মতো উপস্থিত থাকার চেষ্টা করি। সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় আচরণে আমাদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীই বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আমিও এই মন্ত্রে বিশ্বাসী।

আরও পড়ুন: হাসপাতাল থেকে স্টেশন, রোযাদারদের হাতে ইফতারের সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন প্রাক্তন হকি আম্পায়ার

আরও পড়ুন: রোযা রাখার ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

ইরান নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ট্রাম্পের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শুধু পেটের নয়, রোযা শরীরের সর্বাঙ্গের

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রবীণ ও বিস্তৃত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু পর তাঁর হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সব দফতর হাওড়ার নেতা পুলক রায়ের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ তিনি বুঝেছিলেন, যাঁর সঙ্গে মানুষের গভীর যোগসূত্র একমাত্র সেই ব্যক্তিই সামলাতে পারবেন পঞ্চায়েত, জনস্বাস্থ্য কারিগরী এবং গ্রামোন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলি। পুলক রায়ের কাজ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কারও কোনও অভিযোগ নেই। তিনি যে বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেছেন, সেই হাওড়ার উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্রটিতে বিপুল সংখ্যক মুসলিমের বাস। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ বলেই তিনি সকলের প্রিয় মানুষ। রমযান মাস নিয়ে প্রশ্ন করতেই পুলক রায় বলেন, রমযান মাস আসার অনেক আগে থেকেই আমার দফতরকে প্রস্তুতি নিতে হয়। প্রতিটি গ্রামীণ এলাকায় পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহে যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে। কারণ আমাদের মুসলিম ভাই-বোনেরা সারাদিন কঠোর উপবাসে থাকেন, এই তীব্র গরমে তাদের যেন কোনও সমস্যা না হয়। আবার এটা অ্যাপ ও তিতিক্ষার মাস।

 

আরও পড়ুন: মৃত তিমির পেটে ৪৪ কোটি টাকার সোনা!

ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি পবিত্র রমযান মাসে মুসলিমরা রোযা বা উপবাস রেখে কঠোর কৃচ্ছ্বসাধন করেন। এটা একটা আত্মশুদ্ধি এবং লোভ সম্বরণের চর্চা। ক্ষুধার্ত পেটে অভাবি মানুষের কষ্ট অনুধাবন করা যায়। আমি যতটুকু জেনেছি, রোযা মানে কেবল অনাহারে থেকে পেটের উপবাস নয়, এই রোযা শরীরের সর্বাঙ্গের। খারাপ কথা শুনব না। খারাপ কথা বলব না, খারাপ কিছু দেখব না। একটি পরিশুদ্ধ মন নিয়ে কেবল আল্লাহ তথা ঈশ্বরের শরণাপন্ন হওয়া। রমযান মাস সৃষ্টিকর্তার কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ এনে দেয়। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমাকে রমযান মাসের বিভিন্ন দিনে বহু স্থানে ইফতারে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ থাকে। আমি সুযোগ-সুবিধা মতো উপস্থিত থাকার চেষ্টা করি। সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় আচরণে আমাদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীই বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আমিও এই মন্ত্রে বিশ্বাসী।

আরও পড়ুন: হাসপাতাল থেকে স্টেশন, রোযাদারদের হাতে ইফতারের সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন প্রাক্তন হকি আম্পায়ার

আরও পড়ুন: রোযা রাখার ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতা