০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, শনিবার, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেগম রোকেয়া স্মরণে চার দিনের অনুষ্ঠান

পুবের কলম প্রতিবেদক:  রোকেয়া উৎসব ২০২৪ উদযাপন করল ঘোলা বেগম রোকেয়া লাইব্রেরি। চারদিন ধরে ঘোলা মুসলমানপাড়ায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিদিনই একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আয়োজকরা। উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল এবারে উৎসব থেকে পাঁচ জন মেধাবী পড়ুয়ার সারা বছরের দায়িত্ব নিল প্রতিষ্ঠানটি। পাঁচজন পড়ুয়া সারা বছরের খরচ বহন করবে রোকেয়া লাইব্রেরী। এদিন ২০ জন দুস্থ মেধাবীর হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। পাঁচ দিনের এই অনুষ্ঠানে ছিল চক্ষু পরীক্ষা শিবির, হেলথক্যাম্প, শীতবস্ত্র, মশারি বিতরণ, ক্যুইজ প্রতিযোগিতা, হাস্যকৌতুক, হাতেলখা প্রতিযোগিতা ও বেগম রোকেয়ার ওপর জীবনিমূলক আলোচনা। এছাড়াও দেওয়া হয় রোকেয়া সম্মান ও পুরস্কার।

বৃক্ষ বিতরণ, প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক মনঙ্গ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ ভাবে চাহিদা সম্পূর্ণদের নিয়ে ‘আমরাও পারি’ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিঠু রায় দত্ত। চারদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ড. সেখ শাহনওয়াজ মোল্লা, সম্পাদক আজাহার উদ্দিন মোল্লা। ছিলেন এলাকার বিশেষ সমাজসেবী হাজি ইসমাইল হোসেন, নুরহোসেন, শরিফ আলি, আকবর হোসেন, জুলফিকার আলি, সামিম হোসেন, সেখ আবুল কালাম। চার দিনের অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রসেনজিৎ প্রিয়া।

রবীন্দ্র পাঠ ভবন সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ১০০ জনের বেশি মানুষের চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। কয়েকশো মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয় ওষুধও। সমাজসেবী হাজি ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পিছিয়ে পড়া এলাকায় শিক্ষার অগ্রগতিতে কাজ করে চলেছে আমাদের এই প্রতিষ্ঠান। বেগম রোকেয়া নারী শিক্ষার অগ্রদূত তাকে নিয়ে গড়ে উঠেছে লাইব্রেরী। এই লাইব্রেরী আগামী দিনে এলাকার পথ দেখাবে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলা বললে যদি বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়, তবে হিন্দি বা উর্দু বললে পাকিস্তানে পাঠান! বাংলাদেশে পুশব্যাক নিয়ে সংসদের সরব শতাব্দী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বেগম রোকেয়া স্মরণে চার দিনের অনুষ্ঠান

আপডেট : ২৫ জানুয়ারী ২০২৪, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম প্রতিবেদক:  রোকেয়া উৎসব ২০২৪ উদযাপন করল ঘোলা বেগম রোকেয়া লাইব্রেরি। চারদিন ধরে ঘোলা মুসলমানপাড়ায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিদিনই একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আয়োজকরা। উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল এবারে উৎসব থেকে পাঁচ জন মেধাবী পড়ুয়ার সারা বছরের দায়িত্ব নিল প্রতিষ্ঠানটি। পাঁচজন পড়ুয়া সারা বছরের খরচ বহন করবে রোকেয়া লাইব্রেরী। এদিন ২০ জন দুস্থ মেধাবীর হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। পাঁচ দিনের এই অনুষ্ঠানে ছিল চক্ষু পরীক্ষা শিবির, হেলথক্যাম্প, শীতবস্ত্র, মশারি বিতরণ, ক্যুইজ প্রতিযোগিতা, হাস্যকৌতুক, হাতেলখা প্রতিযোগিতা ও বেগম রোকেয়ার ওপর জীবনিমূলক আলোচনা। এছাড়াও দেওয়া হয় রোকেয়া সম্মান ও পুরস্কার।

বৃক্ষ বিতরণ, প্রজাতন্ত্র দিবসের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক মনঙ্গ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ ভাবে চাহিদা সম্পূর্ণদের নিয়ে ‘আমরাও পারি’ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিঠু রায় দত্ত। চারদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ড. সেখ শাহনওয়াজ মোল্লা, সম্পাদক আজাহার উদ্দিন মোল্লা। ছিলেন এলাকার বিশেষ সমাজসেবী হাজি ইসমাইল হোসেন, নুরহোসেন, শরিফ আলি, আকবর হোসেন, জুলফিকার আলি, সামিম হোসেন, সেখ আবুল কালাম। চার দিনের অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রসেনজিৎ প্রিয়া।

রবীন্দ্র পাঠ ভবন সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ১০০ জনের বেশি মানুষের চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। কয়েকশো মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয় ওষুধও। সমাজসেবী হাজি ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘পিছিয়ে পড়া এলাকায় শিক্ষার অগ্রগতিতে কাজ করে চলেছে আমাদের এই প্রতিষ্ঠান। বেগম রোকেয়া নারী শিক্ষার অগ্রদূত তাকে নিয়ে গড়ে উঠেছে লাইব্রেরী। এই লাইব্রেরী আগামী দিনে এলাকার পথ দেখাবে।