০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লিবিয়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত গাদ্দাফির পুত্র সাইফ আল-ইসলাম

 

লিবিয়ার প্রয়াত শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে ও দেশটির প্রভাবশালী রাজনীতিক সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার পশ্চিম লিবিয়ার জিনতান শহরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

আল-জাজিরার লিবিয়া প্রতিনিধি আহমেদ খলিফা জানিয়েছেন, দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সাইফ আল-ইসলাম জিনতানেই বসবাস করছিলেন। সেখানেই অজ্ঞাত পরিচয় হামলাকারীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও, হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে বা কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড, তা এখনও স্পষ্ট নয়। লিবিয়া সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
পাশ্চাত্যে শিক্ষিত ও সুবক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম একসময় লিবিয়ার দমনমূলক শাসনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল মুখ হিসেবে বিবেচিত হতেন। পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। ২০১১ সালে গাদ্দাফির পতনের পর বন্দি হন সাইফ। ২০১৭ সালে মুক্তি পেলেও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আর ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যু লিবিয়ার অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছেন

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ওমানের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের: ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চলবে সাফ জানাল তেহরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

লিবিয়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত গাদ্দাফির পুত্র সাইফ আল-ইসলাম

আপডেট : ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার

 

লিবিয়ার প্রয়াত শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে ও দেশটির প্রভাবশালী রাজনীতিক সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার পশ্চিম লিবিয়ার জিনতান শহরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

আল-জাজিরার লিবিয়া প্রতিনিধি আহমেদ খলিফা জানিয়েছেন, দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সাইফ আল-ইসলাম জিনতানেই বসবাস করছিলেন। সেখানেই অজ্ঞাত পরিচয় হামলাকারীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও, হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে বা কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড, তা এখনও স্পষ্ট নয়। লিবিয়া সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
পাশ্চাত্যে শিক্ষিত ও সুবক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম একসময় লিবিয়ার দমনমূলক শাসনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল মুখ হিসেবে বিবেচিত হতেন। পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। ২০১১ সালে গাদ্দাফির পতনের পর বন্দি হন সাইফ। ২০১৭ সালে মুক্তি পেলেও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আর ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যু লিবিয়ার অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছেন