১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহারাষ্ট্র থেকে গুজরাতে দুটি বিনিয়োগ, অনুঘটকের ভূমিকায় কি গড়করির চিঠি

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিমান তৈরির কারখানা গড়ে তুলবে।   সেই প্রকল্পের শিলান্যাসও  করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বভাবতই এই ঘোষণাতেও খুশির হাওয়া গুজরাতের বিজেপি শিবিরে।
দুই রাজ্যেই শাসক দল বিজেপি। গুজরাতে এককভাবে এবং মহারাষ্ট্রে জোট সরকার। যদিও নির্মানকারী সংস্থা বেদান্ত কেন সিদ্ধান্ত বদল করল তা জানা না গেলেও এই নিয়ে শিন্ডে শিবিরে প্রবল অসন্তোষ দেখা গেলেও গুজারতে পদ্ম শিবিরের নেতাদের মুখে চওড়া হাসি।

 

ড্রাগ পার্ক এবং বেদান্ত ফক্সকনের পরে, এখন ভারতীয় বিমান বাহিনীর জন্য 22,000 কোটি টাকার এয়ারবাস-টাটা পরিবহন বিমান প্রকল্প গুজরাতের র বরোদায় স্থানান্তরিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়করি টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনকে চিঠিতে প্ল্যান্ট স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। নাগপুরে মাল্টি-মোডাল ইন্টারন্যাশনাল হাব এয়ারপোর্ট (মিহান), যা তার নির্বাচনী এলাকার অন্তর্ভুক্ত।

গডকরি আশা করেছিলেন যে টাটারা বোয়িং এবং নন-স্টার্টার আম্বানি অ্যারোস্পেসের জন্য মিহানে সংরক্ষিত ৪০০  একর জমি ব্যবহার করতে পারবে। তিনি চন্দ্রশেখারনকে বলেছিলেন যে মিহানে  স্পেশাল ইকোনমিক জোন এবং -এসইজেড বিভাগের অধীনে শুধু পরিবহন বিমান ইউনিট নয়, টাটা গ্রুপের অন্যান্য সংস্থাগুলির জন্যও জমি পাওয়া যাবে।

টাটারাও বিমান প্রকল্প করার জন্য গুজরাতকে বেছে নেওয়ায় বিজেপির অন্দরে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য বলেই কি গুজরাত বিনিয়োগ পাওয়ার দৌড়ে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

গড়করির লেখা চিঠিটি আজ জানাজানি হয়।সেটাও অনুঘটকের কাজ করেছে।  সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে চন্দ্রশেখরন বলেছিলেন, যে টাটা গ্রুপ যোগাযোগ ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, বৈদ্যুতিক যান এবং অন্যান্য আধুনিক খাতে বিনিয়োগের অনুসন্ধান করছে এবং এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডের সরকারের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা চলছে।

গড়করির চিঠি নিয়ে ইতিমধ্যেই দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। মহারাষ্ট্রকে বঞ্চিত করে পরপর দুবার বিপুল বিনিয়োগ গুজরাতে চলে যাওয়ায় বিজেপি নেতাদের মধ্যেই অসন্তোষের আবহ।

সর্বধিক পাঠিত

রাত ১২টা থেকে অনলাইনেও মমতার ‘যুবসাথী’ আবেদন শুরু, অফলাইনের চাপ কমাতে নবান্নের উদ্যোগ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মহারাষ্ট্র থেকে গুজরাতে দুটি বিনিয়োগ, অনুঘটকের ভূমিকায় কি গড়করির চিঠি

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২২, রবিবার

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিমান তৈরির কারখানা গড়ে তুলবে।   সেই প্রকল্পের শিলান্যাসও  করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বভাবতই এই ঘোষণাতেও খুশির হাওয়া গুজরাতের বিজেপি শিবিরে।
দুই রাজ্যেই শাসক দল বিজেপি। গুজরাতে এককভাবে এবং মহারাষ্ট্রে জোট সরকার। যদিও নির্মানকারী সংস্থা বেদান্ত কেন সিদ্ধান্ত বদল করল তা জানা না গেলেও এই নিয়ে শিন্ডে শিবিরে প্রবল অসন্তোষ দেখা গেলেও গুজারতে পদ্ম শিবিরের নেতাদের মুখে চওড়া হাসি।

 

ড্রাগ পার্ক এবং বেদান্ত ফক্সকনের পরে, এখন ভারতীয় বিমান বাহিনীর জন্য 22,000 কোটি টাকার এয়ারবাস-টাটা পরিবহন বিমান প্রকল্প গুজরাতের র বরোদায় স্থানান্তরিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়করি টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনকে চিঠিতে প্ল্যান্ট স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। নাগপুরে মাল্টি-মোডাল ইন্টারন্যাশনাল হাব এয়ারপোর্ট (মিহান), যা তার নির্বাচনী এলাকার অন্তর্ভুক্ত।

গডকরি আশা করেছিলেন যে টাটারা বোয়িং এবং নন-স্টার্টার আম্বানি অ্যারোস্পেসের জন্য মিহানে সংরক্ষিত ৪০০  একর জমি ব্যবহার করতে পারবে। তিনি চন্দ্রশেখারনকে বলেছিলেন যে মিহানে  স্পেশাল ইকোনমিক জোন এবং -এসইজেড বিভাগের অধীনে শুধু পরিবহন বিমান ইউনিট নয়, টাটা গ্রুপের অন্যান্য সংস্থাগুলির জন্যও জমি পাওয়া যাবে।

টাটারাও বিমান প্রকল্প করার জন্য গুজরাতকে বেছে নেওয়ায় বিজেপির অন্দরে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য বলেই কি গুজরাত বিনিয়োগ পাওয়ার দৌড়ে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

গড়করির লেখা চিঠিটি আজ জানাজানি হয়।সেটাও অনুঘটকের কাজ করেছে।  সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে চন্দ্রশেখরন বলেছিলেন, যে টাটা গ্রুপ যোগাযোগ ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, বৈদ্যুতিক যান এবং অন্যান্য আধুনিক খাতে বিনিয়োগের অনুসন্ধান করছে এবং এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডের সরকারের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা চলছে।

গড়করির চিঠি নিয়ে ইতিমধ্যেই দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। মহারাষ্ট্রকে বঞ্চিত করে পরপর দুবার বিপুল বিনিয়োগ গুজরাতে চলে যাওয়ায় বিজেপি নেতাদের মধ্যেই অসন্তোষের আবহ।