০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৬ হাজার ফিলিস্তিনির অঙ্গচ্ছেদ, এক-চতুর্থাংশই শিশু

 

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের টানা দুই বছরের আগ্রাসনে মানবিক বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির অঙ্গচ্ছেদ হয়েছে — যাদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ শিশু এবং ১২.৭ শতাংশ নারী।

মঙ্গলবার প্রকাশিত বার্তা সংস্থা আনাদোলু-র প্রতিবেদনে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার হিসেব নয়, বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের অসীম যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি।

যুদ্ধবিরতি চললেও, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও পুনর্বাসন উপকরণের ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। আহতদের চিকিৎসা এবং অঙ্গচ্ছেদ হওয়া মানুষের পুনর্বাসন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, “এই পরিসংখ্যানগুলো গাজার আহত মানুষের গভীর মানবিক কষ্টের প্রতিফলন। অঙ্গচ্ছেদ হওয়া মানুষদের পুনর্বাসন ও বিশেষ করে শিশুদের জন্য মানসিক ও সামাজিক সহায়তা এখন জরুরি।”

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৬৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ জন, এবং প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ।

গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজারো মানুষ চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, আর সেইসঙ্গে প্রতিদিনই বাড়ছে মানবিক সংকট ও বেঁচে থাকার সংগ্রাম।

ট্যাগ :

নববর্ষ উদ্‌যাপনের মাঝেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আমস্টারডামের ঐতিহাসিক ভন্ডেলকার্ক চার্চে আগুন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৬ হাজার ফিলিস্তিনির অঙ্গচ্ছেদ, এক-চতুর্থাংশই শিশু

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৫, বুধবার

 

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের টানা দুই বছরের আগ্রাসনে মানবিক বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির অঙ্গচ্ছেদ হয়েছে — যাদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ শিশু এবং ১২.৭ শতাংশ নারী।

মঙ্গলবার প্রকাশিত বার্তা সংস্থা আনাদোলু-র প্রতিবেদনে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যার হিসেব নয়, বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের অসীম যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি।

যুদ্ধবিরতি চললেও, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও পুনর্বাসন উপকরণের ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। আহতদের চিকিৎসা এবং অঙ্গচ্ছেদ হওয়া মানুষের পুনর্বাসন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, “এই পরিসংখ্যানগুলো গাজার আহত মানুষের গভীর মানবিক কষ্টের প্রতিফলন। অঙ্গচ্ছেদ হওয়া মানুষদের পুনর্বাসন ও বিশেষ করে শিশুদের জন্য মানসিক ও সামাজিক সহায়তা এখন জরুরি।”

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৬৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ জন, এবং প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ।

গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজারো মানুষ চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, আর সেইসঙ্গে প্রতিদিনই বাড়ছে মানবিক সংকট ও বেঁচে থাকার সংগ্রাম।