১২ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্ঞানভাপী: সার্ভে রিপোর্ট মানতে নারাজ মসজিদ পক্ষ

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জ্ঞানভাপী মসজিদে সার্ভে করে যে রিপোর্ট দিয়েছে এএসআই তা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বারাণসী জেলা আদালতে তারা সেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মসজিদের নীচে হিন্দু  দেবদেবীর আদলে কিছু মূর্তি পাওয়া গিয়েছে। একটি ভাঙা ‘শিবলিঙ্গ’ পাওয়া গিয়েছে। আর এই রিপোর্ট ফাঁস হতেই তেড়েফুঁড়ে নেমেছে হিন্দু পক্ষ। যদিও এই রিপোর্ট ‘চূড়ান্ত’ বলে মানতে নারাজ মসজিদ পক্ষ। মসজিদ কমিটি’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা এই সার্ভে রিপোর্ট মানতে নারাজ।

তাছাড়া এএসআই-এর এই রিপোর্ট কখনওই আদালতের রায়ের মতো চূড়ান্ত নয়। মসজিদ কমিটির সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াসিন এই রিপোর্ট সম্পর্কে বলেন, ‘‘এটা শুধুমাত্র একটি রিপোর্ট। কোনও ‘ফয়শলা’ (রায়) নয়। বিভিন্ন ধরনেরই রিপোর্ট আছে।

ওই রিপোর্ট (এএসআই) এ ক্ষেত্রে ইস্যুতে চূড়ান্ত হতে পারে না।’’ তিনি আরও বলেন, মসজিদ চত্বরে এভাবে সার্ভের অনুমতি দেওয়া ১৯৯১ সালের ধর্মীয় উপাসনাস্থল রক্ষা আইনের লঙ্ঘন কি না, তা নিয়ে তাঁদের আবেদন সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। একইসঙ্গে কোনও মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করা হয়নি বলে দাবি মসজিদ কমিটির।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

সঞ্জীব ভাটের আর্জি খারিজ শীর্ষ কোর্টে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জ্ঞানভাপী: সার্ভে রিপোর্ট মানতে নারাজ মসজিদ পক্ষ

আপডেট : ২৭ জানুয়ারী ২০২৪, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জ্ঞানভাপী মসজিদে সার্ভে করে যে রিপোর্ট দিয়েছে এএসআই তা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বারাণসী জেলা আদালতে তারা সেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মসজিদের নীচে হিন্দু  দেবদেবীর আদলে কিছু মূর্তি পাওয়া গিয়েছে। একটি ভাঙা ‘শিবলিঙ্গ’ পাওয়া গিয়েছে। আর এই রিপোর্ট ফাঁস হতেই তেড়েফুঁড়ে নেমেছে হিন্দু পক্ষ। যদিও এই রিপোর্ট ‘চূড়ান্ত’ বলে মানতে নারাজ মসজিদ পক্ষ। মসজিদ কমিটি’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা এই সার্ভে রিপোর্ট মানতে নারাজ।

তাছাড়া এএসআই-এর এই রিপোর্ট কখনওই আদালতের রায়ের মতো চূড়ান্ত নয়। মসজিদ কমিটির সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াসিন এই রিপোর্ট সম্পর্কে বলেন, ‘‘এটা শুধুমাত্র একটি রিপোর্ট। কোনও ‘ফয়শলা’ (রায়) নয়। বিভিন্ন ধরনেরই রিপোর্ট আছে।

ওই রিপোর্ট (এএসআই) এ ক্ষেত্রে ইস্যুতে চূড়ান্ত হতে পারে না।’’ তিনি আরও বলেন, মসজিদ চত্বরে এভাবে সার্ভের অনুমতি দেওয়া ১৯৯১ সালের ধর্মীয় উপাসনাস্থল রক্ষা আইনের লঙ্ঘন কি না, তা নিয়ে তাঁদের আবেদন সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। একইসঙ্গে কোনও মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করা হয়নি বলে দাবি মসজিদ কমিটির।