১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসিক ঘটনা, সাফাইকর্মীর মৃত্যুতে ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের রায় সুপ্রিম কোর্টের

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ঐতিহাসিক ঘটনা! কাজে নেমে মৃত্যু হলে সাফাইকর্মীর পরিবারকে দিতে হবে অন্তত ৩০ লক্ষ টাকা। এমন নির্দেশ সর্বোচ্চ আদালতের। জানা গেছে, দুর্ঘটনার কারণে স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতা হলে সরকারকে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। এছাড়া সাফাইকর্মীদের অবহেলার মনোভাব ছাড়তে হবে রাজ্য বা কেন্দ্রের সরকারকে। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারকে।

রোজ খবর হচ্ছে, নিকাশি নালায় নেমে মৃত্যু হচ্ছে একের পর এক সাফাইকর্মীর। মলমূত্রের মতো বর্জ্য হাতে করে সাফ না করানোর আইন রয়েছে। বাস্তবে তার প্রয়োগ হচ্ছে না। আবার ম্যানহোলে নেমে বর্জ্য পরিষ্কার করতে হচ্ছে সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই।

এ সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলায় কড়া মনোভাব নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নির্দিষ্ট করার পাশাপাশি গাইডলাইনও জারি করেছে দুই বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট এবং অরবিন্দ কুমারের বেঞ্চ। বিচারপতি ভাট বলেছেন, স্থায়ী চরিত্রের না হলেও কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার মতো আঘাতের ক্ষেত্রে শ্রমিককে দিতে হবে ১০ লক্ষ টাকা।

গত বছর লোকসভায় বিপজ্জনক অবস্থা স্বীকার করেছিল কেন্দ্রই। সরকারি তথ্যেই দেখা গিয়েছিল যে গত পাঁচ বছরে কাজে নেমে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪৬ জন সাফাইকর্মী। অনেকে মারা গিয়েছেন সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে নেমেও। উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, তামিলনাডুতেই মৃত শ্রমিক মোটের ৪০ শতাংশ। অনেকে বলছেন, সুপ্রিমকোর্টের এই নির্দেশের ফলে সরকার হয়তো নড়েচড়ে বসবে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

রাহুলের ফোনেও আটকানো গেল না! আসামে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতা ভুপেন বোরা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঐতিহাসিক ঘটনা, সাফাইকর্মীর মৃত্যুতে ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের রায় সুপ্রিম কোর্টের

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ঐতিহাসিক ঘটনা! কাজে নেমে মৃত্যু হলে সাফাইকর্মীর পরিবারকে দিতে হবে অন্তত ৩০ লক্ষ টাকা। এমন নির্দেশ সর্বোচ্চ আদালতের। জানা গেছে, দুর্ঘটনার কারণে স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতা হলে সরকারকে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। এছাড়া সাফাইকর্মীদের অবহেলার মনোভাব ছাড়তে হবে রাজ্য বা কেন্দ্রের সরকারকে। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারকে।

রোজ খবর হচ্ছে, নিকাশি নালায় নেমে মৃত্যু হচ্ছে একের পর এক সাফাইকর্মীর। মলমূত্রের মতো বর্জ্য হাতে করে সাফ না করানোর আইন রয়েছে। বাস্তবে তার প্রয়োগ হচ্ছে না। আবার ম্যানহোলে নেমে বর্জ্য পরিষ্কার করতে হচ্ছে সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই।

এ সংক্রান্ত একটি জনস্বার্থ মামলায় কড়া মনোভাব নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নির্দিষ্ট করার পাশাপাশি গাইডলাইনও জারি করেছে দুই বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট এবং অরবিন্দ কুমারের বেঞ্চ। বিচারপতি ভাট বলেছেন, স্থায়ী চরিত্রের না হলেও কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার মতো আঘাতের ক্ষেত্রে শ্রমিককে দিতে হবে ১০ লক্ষ টাকা।

গত বছর লোকসভায় বিপজ্জনক অবস্থা স্বীকার করেছিল কেন্দ্রই। সরকারি তথ্যেই দেখা গিয়েছিল যে গত পাঁচ বছরে কাজে নেমে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪৬ জন সাফাইকর্মী। অনেকে মারা গিয়েছেন সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে নেমেও। উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, তামিলনাডুতেই মৃত শ্রমিক মোটের ৪০ শতাংশ। অনেকে বলছেন, সুপ্রিমকোর্টের এই নির্দেশের ফলে সরকার হয়তো নড়েচড়ে বসবে।