১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্পনসারশিপ নেই, স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়য়ের মেধাবী ছাত্রী

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বিভাগীয় কোনও স্পনসার নেই। স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়য়ের মেধাবী ছাত্রী বিষ্ণু বচনা মুরাপাকার। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক্স  বিভাগে পিএইচডি করছেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন চ্যান্সেলর তথা রাজ্যের বর্তমান রাজ্যপাল’কে বিষ্ণু বচনা জানান, আমি মর্মাহত। অন্ততপক্ষে আমাকে একটা স্মারক বা অন্য কোনও পুরষ্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হক।  আমি শৈশব থেকেই বিজ্ঞানী হতে চেয়েছিলাম। জীবনবিজ্ঞানের প্রতি আলাদা টান ছিল। তাই জেনেটিক্স নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। মাস্টার্স শেষ করে পিএইচডি করছি। জেনেটিক্স আমাদের দেশে একটি উদীয়মান বিষয়। আমি একজন জেনেটিসিস্ট হতে চেয়েছিলাম।  ভারতে জেনেটিক্সের বিকাশে অবদান রাখতে চেয়েছিলাম।

তবে, জেনেটিক্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টপারদের জন্য কোনো স্বর্ণপদক বরাদ্দ নেই জেনে আমি খুবই ব্যথিত হয়েছি। যেখানে জৈব রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, মাইক্রোবায়োলজিতে স্বর্ণপদকের ব্যবস্থা রয়েছে। হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা বিষ্ণু বচনা ২০২২ সালে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

পুরো বিষয়টি যখন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের উপাচার্য, প্রফেসর ডি. রবিন্দর এবং রেজিস্ট্রার প্রফেসর পাপ্পুলার লক্ষ্মীনারায়ণের নজরে আসে তারা  জানান, স্বর্ণপদকের জন্য কাউকে অর্থ দান করতে হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জেনেটিক্স এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগে কেউ সেই ভাবে অর্থ দান করেনি। আমরা অক্ষম।

 

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা: তারেক রহমান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্পনসারশিপ নেই, স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়য়ের মেধাবী ছাত্রী

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বিভাগীয় কোনও স্পনসার নেই। স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়য়ের মেধাবী ছাত্রী বিষ্ণু বচনা মুরাপাকার। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক্স  বিভাগে পিএইচডি করছেন।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন চ্যান্সেলর তথা রাজ্যের বর্তমান রাজ্যপাল’কে বিষ্ণু বচনা জানান, আমি মর্মাহত। অন্ততপক্ষে আমাকে একটা স্মারক বা অন্য কোনও পুরষ্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হক।  আমি শৈশব থেকেই বিজ্ঞানী হতে চেয়েছিলাম। জীবনবিজ্ঞানের প্রতি আলাদা টান ছিল। তাই জেনেটিক্স নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। মাস্টার্স শেষ করে পিএইচডি করছি। জেনেটিক্স আমাদের দেশে একটি উদীয়মান বিষয়। আমি একজন জেনেটিসিস্ট হতে চেয়েছিলাম।  ভারতে জেনেটিক্সের বিকাশে অবদান রাখতে চেয়েছিলাম।

তবে, জেনেটিক্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টপারদের জন্য কোনো স্বর্ণপদক বরাদ্দ নেই জেনে আমি খুবই ব্যথিত হয়েছি। যেখানে জৈব রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, মাইক্রোবায়োলজিতে স্বর্ণপদকের ব্যবস্থা রয়েছে। হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা বিষ্ণু বচনা ২০২২ সালে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

পুরো বিষয়টি যখন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের উপাচার্য, প্রফেসর ডি. রবিন্দর এবং রেজিস্ট্রার প্রফেসর পাপ্পুলার লক্ষ্মীনারায়ণের নজরে আসে তারা  জানান, স্বর্ণপদকের জন্য কাউকে অর্থ দান করতে হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জেনেটিক্স এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগে কেউ সেই ভাবে অর্থ দান করেনি। আমরা অক্ষম।