০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পার্কিং নিয়ে বচসার জের, প্রতিবেশীর মারে প্রাণ খোয়ালেন তরুণ বিজ্ঞানী

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সামান্য পার্কিং নিয়ে বচসা,  প্রতিবেশীর মারধরে প্রাণ খোয়ালেন তরুণ বিজ্ঞানী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবের মহালিতে। সিসিটিভি ফুটেজে মারধরের ভিডিয়ো ধরাও পড়েছে।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মৃত বিজ্ঞানীর নাম ডঃ অভিষেক স্বর্ণকার। বয়স ৩৯। মোহালির সেক্টর ৬৭-তে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। কর্মসূত্রে পঞ্জাবের মহালিতে থাকলেও আসল বাড়ি  ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে। দীর্ঘদিন সুইৎজারল্যান্ডে ছিলেন। বেশ কয়েক মাস আগেই দেশে ফিরেছেন তিনি। তারপরেই মোহালির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড এডুকেশন রিসার্চ বা আইআইএসইআর-এ কাজে যোগ দেন।

মঙ্গলবার রাতে মন্টি নামের এক প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে গাড়ি রাখা নিয়ে বচসায় জড়ান অভিষেক। বচসা চূড়ান্ত আকার ধারণ করলে আচমকা অভিষেককে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন মন্টি। অভিষেকের ওপর চড়াও হয় মন্টি সহ বেশ কয়েকজন। শুরু হয় বেধড়ক মারধর। চলে এলোপাথাড়ি ঘুষি। সেই মারধরের জেরেই আহত হন তরুণ বিজ্ঞানী। তাতেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।

পরিবার সূত্রে খবর, বেশ কয়েক বছর ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর কিডনি অপারেশন হয়েছিল। তাঁর বোন তাঁকে একটি কিডনি দিয়েছিলেন। ডায়েলিসিস চলছিল। অসুস্থ অবস্থায় মারধরের আঘাত সহ্য করতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের কাছে এসেছে। তা দেখে প্রতিবেশী যুবক এবং আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।  অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে  অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিষেক বেশ প্রতিভাবান বিজ্ঞানী ছিলেন। একাধিক বিদেশি জার্নালও তাঁর গবেষণাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও বন্ধুমহলে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বাংলার নতুন রাজ্যপাল আর.এন. রবি, নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পার্কিং নিয়ে বচসার জের, প্রতিবেশীর মারে প্রাণ খোয়ালেন তরুণ বিজ্ঞানী

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২৫, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সামান্য পার্কিং নিয়ে বচসা,  প্রতিবেশীর মারধরে প্রাণ খোয়ালেন তরুণ বিজ্ঞানী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবের মহালিতে। সিসিটিভি ফুটেজে মারধরের ভিডিয়ো ধরাও পড়েছে।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মৃত বিজ্ঞানীর নাম ডঃ অভিষেক স্বর্ণকার। বয়স ৩৯। মোহালির সেক্টর ৬৭-তে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। কর্মসূত্রে পঞ্জাবের মহালিতে থাকলেও আসল বাড়ি  ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে। দীর্ঘদিন সুইৎজারল্যান্ডে ছিলেন। বেশ কয়েক মাস আগেই দেশে ফিরেছেন তিনি। তারপরেই মোহালির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড এডুকেশন রিসার্চ বা আইআইএসইআর-এ কাজে যোগ দেন।

মঙ্গলবার রাতে মন্টি নামের এক প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে গাড়ি রাখা নিয়ে বচসায় জড়ান অভিষেক। বচসা চূড়ান্ত আকার ধারণ করলে আচমকা অভিষেককে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন মন্টি। অভিষেকের ওপর চড়াও হয় মন্টি সহ বেশ কয়েকজন। শুরু হয় বেধড়ক মারধর। চলে এলোপাথাড়ি ঘুষি। সেই মারধরের জেরেই আহত হন তরুণ বিজ্ঞানী। তাতেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।

পরিবার সূত্রে খবর, বেশ কয়েক বছর ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর কিডনি অপারেশন হয়েছিল। তাঁর বোন তাঁকে একটি কিডনি দিয়েছিলেন। ডায়েলিসিস চলছিল। অসুস্থ অবস্থায় মারধরের আঘাত সহ্য করতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের কাছে এসেছে। তা দেখে প্রতিবেশী যুবক এবং আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।  অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে  অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিষেক বেশ প্রতিভাবান বিজ্ঞানী ছিলেন। একাধিক বিদেশি জার্নালও তাঁর গবেষণাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও বন্ধুমহলে।