০৩ জানুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানে দায়িত্বশীল সরকার চায় ইরান­: রাইসি

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, আফগানিস্তানের যেকোনও দায়িত্বশীল ও শান্তিপূর্ণ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে তৈরি তেহরান। সোমবার অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্টিয়ান কুর্জ-এর সঙ্গে এক ফোনালাপে নিজ দেশের এমন অবস্থানের কথা জানান তিনি। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের ঘটনাকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ফোনে আফগানিস্তানের ঘটনাবলি সম্পর্কে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চান অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর। জবাবে রাইসি বলেন– ‘সমসাময়িক ইতিহাস বলছে যে– আফগানিস্তানে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করার পর থেকে দেশটি কখনও ভালো সময় পার করেনি। আমরা বিশ্বাস করি– দেশটির বিভিন্ন গোষ্ঠী মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘটনাকে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করবে এবং পরস্পরের সহযোগিতা নিয়ে সরকার গঠন করবে যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।’ তিনি বলেন– যুক্তরাষ্ট্রের বেআইনি ও একতরফা নিষেধাজ্ঞার পরও আফগান শরণার্থীদের জন্য ইরান সব ধরনের খরচ নিজের কাঁধে নিয়েছে। দেশটিতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিবেশী হিসেবে তেহরান নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আফগানিস্তানে যেসব সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা পোষণ করে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তেহরান। ফোনালাপে ইরান ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন দুই নেতা।

সর্বধিক পাঠিত

দেশীয় বাজারে এখনও ২.৮৩ কোটি ২০০০ টাকার নোট, জানাল আরবিআই

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আফগানিস্তানে দায়িত্বশীল সরকার চায় ইরান­: রাইসি

আপডেট : ২৪ অগাস্ট ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, আফগানিস্তানের যেকোনও দায়িত্বশীল ও শান্তিপূর্ণ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে তৈরি তেহরান। সোমবার অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্টিয়ান কুর্জ-এর সঙ্গে এক ফোনালাপে নিজ দেশের এমন অবস্থানের কথা জানান তিনি। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের ঘটনাকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ফোনে আফগানিস্তানের ঘটনাবলি সম্পর্কে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চান অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর। জবাবে রাইসি বলেন– ‘সমসাময়িক ইতিহাস বলছে যে– আফগানিস্তানে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করার পর থেকে দেশটি কখনও ভালো সময় পার করেনি। আমরা বিশ্বাস করি– দেশটির বিভিন্ন গোষ্ঠী মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘটনাকে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করবে এবং পরস্পরের সহযোগিতা নিয়ে সরকার গঠন করবে যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।’ তিনি বলেন– যুক্তরাষ্ট্রের বেআইনি ও একতরফা নিষেধাজ্ঞার পরও আফগান শরণার্থীদের জন্য ইরান সব ধরনের খরচ নিজের কাঁধে নিয়েছে। দেশটিতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিবেশী হিসেবে তেহরান নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আফগানিস্তানে যেসব সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা পোষণ করে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তেহরান। ফোনালাপে ইরান ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন দুই নেতা।