১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরাজয় ঢাকতে গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইল: হামাস

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, নিজেদের পরাজয় ঢাকতেই ইসরাইল অব্যাহতভাবে নিরস্ত্র ও অসামরিক গাজাবাসীর বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে। ইসমাইল হানিয়া বলেন, ‘নির্বিচার এই গণহত্যার দ্বারা খলনায়করা তাদের পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচতে পারবে না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, গাজায় হামাসের হাতে বন্দি ইসরাইলিরাও তাদের নিজেদের সেনাবাহিনীর এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সাক্ষী হয়েছে। গাজায় এই ‘গণহত্যা’ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের ইসরাইলের ওপর আরও বেশি চাপ তৈরির আহ্বান জানান ইসমাইল হানিয়া। বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণকে এই ‘গণহত্যা’ ও নৃশংস হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ও ইসরাইলকে বিচারের আওতায় আনার ডাক দেন হামাস নেতা। প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার যুদ্ধ ঘোষণা করে হামাস। হামাসের এই হামলায় ইসরাইল হতচকিত হয়ে যায়। দ্রুত পালটা ব্যবস্থা নেয় নেতানিয়াহুর সরকার। ওই দিন থেকেই গাজায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে শুরু করে যায়নবাদীরা। গাজার অসামরিক এলাকায় ইসরাইলিদের বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। নিহতদের  অধিকাংশই নারী ও শিশু। ইসরাইলি হামলা থেকে হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ কোনও কিছুই রক্ষা পায়নি। যুদ্ধের সব ধরনের নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে তারা সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবী ও নির্দোষ মানুষদের হত্যা করেছে। হামলা চালিয়েছে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরেও। গাজাবাসীর জন্য কোনও স্থানই আর ‘নিরাপদ’ নেই।

 

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পবিত্র রমজানে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ, মোতায়েন বিপুল সংখ্যক ইসরায়েলি পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পরাজয় ঢাকতে গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইল: হামাস

আপডেট : ২ নভেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, নিজেদের পরাজয় ঢাকতেই ইসরাইল অব্যাহতভাবে নিরস্ত্র ও অসামরিক গাজাবাসীর বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে। ইসমাইল হানিয়া বলেন, ‘নির্বিচার এই গণহত্যার দ্বারা খলনায়করা তাদের পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচতে পারবে না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, গাজায় হামাসের হাতে বন্দি ইসরাইলিরাও তাদের নিজেদের সেনাবাহিনীর এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সাক্ষী হয়েছে। গাজায় এই ‘গণহত্যা’ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের ইসরাইলের ওপর আরও বেশি চাপ তৈরির আহ্বান জানান ইসমাইল হানিয়া। বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগণকে এই ‘গণহত্যা’ ও নৃশংস হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ও ইসরাইলকে বিচারের আওতায় আনার ডাক দেন হামাস নেতা। প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার যুদ্ধ ঘোষণা করে হামাস। হামাসের এই হামলায় ইসরাইল হতচকিত হয়ে যায়। দ্রুত পালটা ব্যবস্থা নেয় নেতানিয়াহুর সরকার। ওই দিন থেকেই গাজায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে শুরু করে যায়নবাদীরা। গাজার অসামরিক এলাকায় ইসরাইলিদের বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। নিহতদের  অধিকাংশই নারী ও শিশু। ইসরাইলি হামলা থেকে হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ কোনও কিছুই রক্ষা পায়নি। যুদ্ধের সব ধরনের নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে তারা সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবী ও নির্দোষ মানুষদের হত্যা করেছে। হামলা চালিয়েছে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরেও। গাজাবাসীর জন্য কোনও স্থানই আর ‘নিরাপদ’ নেই।