১২ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গন্ডগোলের ঘটনায় নরেন্দ্রপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারের নির্দেশ বিচারপতি বসুর

মোল্লা জসিমউদ্দিন: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।নরেন্দ্রপুরের স্কুলের প্রধান শিক্ষককে সোমবার রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে বলে নির্দেশ দেন। বিচারপতি বিশ্বজিত্‍ বসুর নির্দেশ, -‘স্কুলে ঢুকতে পারবেন না প্রধান শিক্ষক। এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে পুলিশকে’।

অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রচুর দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি ছাড়া লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন। এছাড়া নিজের ইচ্ছায় স্কুলের সভাপতি ঠিক করছেন। তারই প্রেক্ষিতে গত শনিবার আচমকাই স্কুলে ঢুকে পড়েন বহিরাগত বেশ কিছু মানুষ। স্কুলে ঢুকেই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়। শুরু হয় গালিগালাজ ও মারধর।

সোমবার মামলাকারীদের পক্ষে আদালতে দাবি করা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক তাঁদের অনবরত মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে।

মামলাকারীদের দাবি, -‘ গোটা বিষয় সম্পর্কে আগে কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন, ডিআইকে জানান হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশকেও স্কুলের পরিস্থিতি নিয়ে খবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি’। এদিন সেই মামলাতেই নরেন্দ্রপুরের আইসিকে তলব করছিল কলকাতা হাইকোর্ট।তারপর বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কে সোমবার রাতেই গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আইসি কে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

সঞ্জীব ভাটের আর্জি খারিজ শীর্ষ কোর্টে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গন্ডগোলের ঘটনায় নরেন্দ্রপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারের নির্দেশ বিচারপতি বসুর

আপডেট : ২৯ জানুয়ারী ২০২৪, সোমবার

মোল্লা জসিমউদ্দিন: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।নরেন্দ্রপুরের স্কুলের প্রধান শিক্ষককে সোমবার রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে বলে নির্দেশ দেন। বিচারপতি বিশ্বজিত্‍ বসুর নির্দেশ, -‘স্কুলে ঢুকতে পারবেন না প্রধান শিক্ষক। এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে পুলিশকে’।

অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রচুর দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি ছাড়া লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন। এছাড়া নিজের ইচ্ছায় স্কুলের সভাপতি ঠিক করছেন। তারই প্রেক্ষিতে গত শনিবার আচমকাই স্কুলে ঢুকে পড়েন বহিরাগত বেশ কিছু মানুষ। স্কুলে ঢুকেই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়। শুরু হয় গালিগালাজ ও মারধর।

সোমবার মামলাকারীদের পক্ষে আদালতে দাবি করা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক তাঁদের অনবরত মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে।

মামলাকারীদের দাবি, -‘ গোটা বিষয় সম্পর্কে আগে কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন, ডিআইকে জানান হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশকেও স্কুলের পরিস্থিতি নিয়ে খবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি’। এদিন সেই মামলাতেই নরেন্দ্রপুরের আইসিকে তলব করছিল কলকাতা হাইকোর্ট।তারপর বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কে সোমবার রাতেই গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আইসি কে।