০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডোমজুড়ে কর্মিসভায় একযোগে বিজেপি ও বামকে আক্রমণ কুণালের

আইভি আদক, হাওড়া:  আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই ঘর গোছাতে নেমে পড়ল তৃণমূল। রবিবার বিকেলে ডোমজুড়ের প্রাচ্য ভারতী স্টেডিয়ামে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এক বুথভিত্তিক কর্মিসভায় আয়োজন করা হয়। ওই সভায় কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ ঘোষ প্রমুখ নেতৃত্ব এদিন বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। সিপিএমের বিরুদ্ধেও সরব হন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, বিজেপি কোনও ইস্যু খুঁজে পাচ্ছেনা। তাই ওরা কুৎসা করে চাপিয়ে দিতে চাইছে।  সিপিএমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন যতবার ভোট করবে ততবার সিপিএম হারবে।

নন্দীগ্রামে এদিনের সভা ফ্লপ হয়েছে বলেও কুণাল ঘোষ দাবি করেন। কুণাল ঘোষ এদিন আরও বলেন, বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। প্রচারে এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। মানুষ তখন বুঝবে, কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারকে দরকার। মমতার রান্নাঘরে দু’একটা পচা আলু যেগুলো ছিল সেগুলো মমতা জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দিয়েছে। আর বাইরে অমিত শাহ, শুভেন্দুরা সেগুলো বাইরে থেকে নিয়েছে। কাঁথির মেজো খোকা আজকে সভা ডেকেছিল। সেই সভা আজকে ফ্লপ হয়েছে। নন্দীগ্রামে ওদের পায়ের তলার মাটি সরছে। তৃণমূল কংগ্রেস এমন একটা শক্তি যারা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একমাত্র মোকাবিলা করতে পারে। তবে হ্যাঁ শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে আমরা বলবো তা নয় সিপিএমকেও মানুষ যেন ভুলে না যায়। সিপিএমের সেই অত্যাচারের দিনগুলোর কথা। এখন লাল ঝান্ডা হাতে যাদের দেখা যাচ্ছে ওরাই তো বুথে বুথে গিয়ে বিজেপিকে ভোট দেবে। আগে ওরা নিজেদের ভোট ফিরে পাক তারপরে ওরা লড়াই করতে আসবে।

আরও পড়ুন: বিজেপিতে বড় ধাক্কা, গোর্খাল্যান্ডের দাবি সরিয়ে ‘উন্নয়নের’ লক্ষ্যে তৃণমূলে নাম লেখালেন কার্শিয়ংয়ের বিজেপি বিধায়ক

এদিনের সভায় ড: শশী পাঁজা বলেন, বুথ কর্মীদের অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। ধর্মীয় আবেগকে নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে চাইছে। রামনবমীর মিছিল এই সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। ধর্মীয় মিছিলে বন্দুক নিয়ে যারা যাচ্ছে এই ধর্মীয় আবেগ নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলকে বদনাম করে মমতাকে শেষ করা যাবেনা। বিজেপিকে কিভাবে হারাতে হয় সেটা আপনারা দেখিয়ে দিয়েছেন ২০২১ সালে। সেইভাবেই বিজেপিকে হারিয়ে নির্বাচন করতে হবে।

আরও পড়ুন: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা, ছাব্বিশের আগে পাহাড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

আরও পড়ুন: বিধানসভা ভোটের মুখে ময়নায় বিজেপিতে বড় ভাঙন: তৃণমূলে যোগ দিলেন চন্দন মণ্ডল
সর্বধিক পাঠিত

করাচির পর লাহোরেও মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ডোমজুড়ে কর্মিসভায় একযোগে বিজেপি ও বামকে আক্রমণ কুণালের

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৩, রবিবার

আইভি আদক, হাওড়া:  আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই ঘর গোছাতে নেমে পড়ল তৃণমূল। রবিবার বিকেলে ডোমজুড়ের প্রাচ্য ভারতী স্টেডিয়ামে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এক বুথভিত্তিক কর্মিসভায় আয়োজন করা হয়। ওই সভায় কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ ঘোষ প্রমুখ নেতৃত্ব এদিন বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। সিপিএমের বিরুদ্ধেও সরব হন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, বিজেপি কোনও ইস্যু খুঁজে পাচ্ছেনা। তাই ওরা কুৎসা করে চাপিয়ে দিতে চাইছে।  সিপিএমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন যতবার ভোট করবে ততবার সিপিএম হারবে।

নন্দীগ্রামে এদিনের সভা ফ্লপ হয়েছে বলেও কুণাল ঘোষ দাবি করেন। কুণাল ঘোষ এদিন আরও বলেন, বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। প্রচারে এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। মানুষ তখন বুঝবে, কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারকে দরকার। মমতার রান্নাঘরে দু’একটা পচা আলু যেগুলো ছিল সেগুলো মমতা জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দিয়েছে। আর বাইরে অমিত শাহ, শুভেন্দুরা সেগুলো বাইরে থেকে নিয়েছে। কাঁথির মেজো খোকা আজকে সভা ডেকেছিল। সেই সভা আজকে ফ্লপ হয়েছে। নন্দীগ্রামে ওদের পায়ের তলার মাটি সরছে। তৃণমূল কংগ্রেস এমন একটা শক্তি যারা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একমাত্র মোকাবিলা করতে পারে। তবে হ্যাঁ শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে আমরা বলবো তা নয় সিপিএমকেও মানুষ যেন ভুলে না যায়। সিপিএমের সেই অত্যাচারের দিনগুলোর কথা। এখন লাল ঝান্ডা হাতে যাদের দেখা যাচ্ছে ওরাই তো বুথে বুথে গিয়ে বিজেপিকে ভোট দেবে। আগে ওরা নিজেদের ভোট ফিরে পাক তারপরে ওরা লড়াই করতে আসবে।

আরও পড়ুন: বিজেপিতে বড় ধাক্কা, গোর্খাল্যান্ডের দাবি সরিয়ে ‘উন্নয়নের’ লক্ষ্যে তৃণমূলে নাম লেখালেন কার্শিয়ংয়ের বিজেপি বিধায়ক

এদিনের সভায় ড: শশী পাঁজা বলেন, বুথ কর্মীদের অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। ধর্মীয় আবেগকে নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে চাইছে। রামনবমীর মিছিল এই সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। ধর্মীয় মিছিলে বন্দুক নিয়ে যারা যাচ্ছে এই ধর্মীয় আবেগ নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলকে বদনাম করে মমতাকে শেষ করা যাবেনা। বিজেপিকে কিভাবে হারাতে হয় সেটা আপনারা দেখিয়ে দিয়েছেন ২০২১ সালে। সেইভাবেই বিজেপিকে হারিয়ে নির্বাচন করতে হবে।

আরও পড়ুন: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা, ছাব্বিশের আগে পাহাড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

আরও পড়ুন: বিধানসভা ভোটের মুখে ময়নায় বিজেপিতে বড় ভাঙন: তৃণমূলে যোগ দিলেন চন্দন মণ্ডল