পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: শুধু কণ্ঠভোটের জেরে বৃহস্পতিবার লোকসভায় পাশ হল মণিপুর অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন (নং ২) বিল, ২০২৫ এবং মণিপুর পণ্য ও পরিষেবা কর (সংশোধন) বিল, ২০২৫। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে বিরোধীদের তীব্র প্রতিবাদের মধ্যে আলোচনা ছাড়াই কণ্ঠভোটে বিল দুটি পাস হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ৩৫৬ অনুচ্ছেদের অধীনে বিলটি উপস্থাপন করেন।
আরও পড়ুন:
অর্থমন্ত্রী সীতারমন এই আইন প্রণয়নকে এদিন "সাংবিধানিক প্রয়োজনীয়তা" বলে অভিহিত করেন ।
পাশাপাশি বিরোধী সদস্যদের অর্থপূর্ণ বিতর্কে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।আরও পড়ুন:
এদিন ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য মণিপুর বাজেট পাস করা হয়ছে বলেই জানা গেছে। যার ফলে ৩০,৯৬৯,৪৪ টাকা (মার্চ মাসে উপস্থাপিত ৩৫,১০৩.৯০ কোটি টাকা) অনুমোদন করা হয়েছে। মণিপুর বাজেটে অতিরিক্ত ২,৮৯৮ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে ১,৬৬৭ কোটি টাকা মূলধন ব্যয়ের জন্য এবং ১,২৩১ কোটি টাকা রাজস্ব ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অর্থমন্ত্রী সীতারমন মণিপুরের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য একটি বহুমুখী আর্থিক কৌশলের রূপরেখা তুলে ধরেন এদিন। যার মধ্যে রয়েছে: অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের জন্য ৫২৩ কোটি , নিরাপত্তা অবকাঠামোর জন্য ৫৪২ কোটি , কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী মোতায়েনের জন্য ৫০০ কোটি , উচ্চ-সুদের সরকারি খাতের ঋণ পরিশোধের জন্য ৬৩৩ কোটি এবং মূলধন বিনিয়োগের জন্য ৭০০ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
এদিন তিনি আরও বলেন, সংঘাত-কবলিত রাজ্যে স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং জনসাধারণের আস্থা পুনর্নির্মাণের দিকে একটি পদক্ষেপ এই বাজেট।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে মণিপুরে ‘শান্তি’ ফিরে আসার দাবি করা হচ্ছে তবে বাস্তবে এখনও হিংসা, সংঘর্ষ, কারফিউ ও জাতিগত বিভাজন অব্যাহত। এই আবহে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় গৃহীত হয় মণিপুরে রাষ্ট্রপতির শাসনের মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানোর প্রস্তাব। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট থেকে মণিপুরে রাষ্ট্রপতির শাসনের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়।