১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ এবার মালয়েশিয়ায়

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পুরো বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল করোনা। ভেঙে পড়েছিল বিশ্ব অর্থনীতি। মারা গিয়েছিল শয়ে শয়ে মানুষ। করোনা মহামারি কাটিয়ে  একটু একটু করে ধাতস্থ  হচ্ছিল বিশ্ব। এই আবহেকরোনার বছরপাঁচেক পর ফের এক নতুন ভাইরাসের ভ্রুকুটি। দ্রুত ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। ঘটনাস্থল সেই চিন। সেদেশে তো সংক্রমণ রয়েছেই এবার মালয়েশিয়াতেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সচেতনতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনোমিক টাইমস। 

 ভাইরাসটিকে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভাইরাসের কারণে সাধারণত ঠাণ্ডা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। শীতের আবহে ভাইরাসটি বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে চিনের বিভিন্ন প্রদেশে এর দ্রুত বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।   
এইচএমপিভির উপসর্গগুলো কী?
এইচএমপিভির উপসর্গগুলো ফ্লু এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মতোই। সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশি, জ্বর, নাক বন্ধ হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট। গুরুতর ক্ষেত্রে, ভাইরাস ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। এইচএমপিভির ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা উন্মেষপর্ব সাধারণত তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে হয়। তবে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে লক্ষণগুলো বিভিন্ন সময়কালের জন্য স্থায়ী হয়।

আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরুতে এইচএমপিভি-তে আক্রান্ত দুই শিশু

 

কীভাবে ছড়ায়?

এইচএমপিভি অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতোই ছড়ায়। যার মধ্যে রয়েছে-

১. কাশি এবং হাঁচি থেকে নিঃসরণ।

২. হাত মেলানো বা স্পর্শ করা।

৩. সংক্রমিত স্থান স্পর্শ করা এবং তারপর মুখ, নাক বা চোখ হাত দিয়ে স্পর্শ করা।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২৪ সালে নাকি ৩২৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার আগের বছর সংখ্যাটা ছিল ২২৫। যা প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।  মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেছেন। সব রকম সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

নিউ আলিপুর-সহ পাঁচ জায়গায় ভোর থেকে সিবিআইয়ের তল্লাশি, মোতায়েন বাড়তি বাহিনী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এইচএমপিভি ভাইরাসের সংক্রমণ এবার মালয়েশিয়ায়

আপডেট : ৬ জানুয়ারী ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পুরো বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল করোনা। ভেঙে পড়েছিল বিশ্ব অর্থনীতি। মারা গিয়েছিল শয়ে শয়ে মানুষ। করোনা মহামারি কাটিয়ে  একটু একটু করে ধাতস্থ  হচ্ছিল বিশ্ব। এই আবহেকরোনার বছরপাঁচেক পর ফের এক নতুন ভাইরাসের ভ্রুকুটি। দ্রুত ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। ঘটনাস্থল সেই চিন। সেদেশে তো সংক্রমণ রয়েছেই এবার মালয়েশিয়াতেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সচেতনতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনোমিক টাইমস। 

 ভাইরাসটিকে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভাইরাসের কারণে সাধারণত ঠাণ্ডা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। শীতের আবহে ভাইরাসটি বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে চিনের বিভিন্ন প্রদেশে এর দ্রুত বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।   
এইচএমপিভির উপসর্গগুলো কী?
এইচএমপিভির উপসর্গগুলো ফ্লু এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মতোই। সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশি, জ্বর, নাক বন্ধ হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট। গুরুতর ক্ষেত্রে, ভাইরাস ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। এইচএমপিভির ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা উন্মেষপর্ব সাধারণত তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে হয়। তবে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে লক্ষণগুলো বিভিন্ন সময়কালের জন্য স্থায়ী হয়।

আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরুতে এইচএমপিভি-তে আক্রান্ত দুই শিশু

 

কীভাবে ছড়ায়?

এইচএমপিভি অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতোই ছড়ায়। যার মধ্যে রয়েছে-

১. কাশি এবং হাঁচি থেকে নিঃসরণ।

২. হাত মেলানো বা স্পর্শ করা।

৩. সংক্রমিত স্থান স্পর্শ করা এবং তারপর মুখ, নাক বা চোখ হাত দিয়ে স্পর্শ করা।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২৪ সালে নাকি ৩২৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার আগের বছর সংখ্যাটা ছিল ২২৫। যা প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।  মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেছেন। সব রকম সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছে।