১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মায়ানমারে ব্যস্ত চায়ের দোকানে জান্তার বোমা হামলা, নিহত ১৮

 

মায়ানমারের মধ্যাঞ্চলে জান্তার বিমান হামলায় ভয়াবহ মৃত্যু ঘটে ১৮ জনের। স্থানীয় প্রশাসন, উদ্ধারকর্মী এবং বাসিন্দাদের বরাতে শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গৃহযুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মায়ানমার। নিয়মিত বিমান হামলার লক্ষ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষ। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাগাইং অঞ্চলের তাবাইন শহরে দু’টি বোমা ফেলে জান্তা বাহিনী। এর একটি সরাসরি আঘাত হানে এক ব্যস্ত চায়ের দোকানে, যেখানে স্থানীয়রা আড্ডা দিচ্ছিলেন এবং টেলিভিশনে বক্সিং ম্যাচ দেখছিলেন।

হামলায় ঘটনাস্থলেই ৭ জন মারা যান, পরে হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। বিস্ফোরণে পুরো চায়ের দোকানটি এবং আশপাশের প্রায় ডজনখানেক বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

একজন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি বলেন,“বিস্ফোরণের শব্দ কান ফাটিয়ে দেওয়ার মতো ছিল। বিমান উড়ে যাওয়ার শব্দ শুনেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলাম। মাথার ওপর আগুনের গোলা দেখেছিলাম… ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছি।”

এ ঘটনায় জান্তার মুখপাত্রকে ফোনে পাওয়া যায়নি। এদিকে শনিবার নিহতদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বেলডাঙায় এইচ এম এস পাবলিক স্কুলের শুভ উদ্বোধন, শিক্ষার নতুন দিগন্তের সূচনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মায়ানমারে ব্যস্ত চায়ের দোকানে জান্তার বোমা হামলা, নিহত ১৮

আপডেট : ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, রবিবার

 

মায়ানমারের মধ্যাঞ্চলে জান্তার বিমান হামলায় ভয়াবহ মৃত্যু ঘটে ১৮ জনের। স্থানীয় প্রশাসন, উদ্ধারকর্মী এবং বাসিন্দাদের বরাতে শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গৃহযুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মায়ানমার। নিয়মিত বিমান হামলার লক্ষ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষ। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাগাইং অঞ্চলের তাবাইন শহরে দু’টি বোমা ফেলে জান্তা বাহিনী। এর একটি সরাসরি আঘাত হানে এক ব্যস্ত চায়ের দোকানে, যেখানে স্থানীয়রা আড্ডা দিচ্ছিলেন এবং টেলিভিশনে বক্সিং ম্যাচ দেখছিলেন।

হামলায় ঘটনাস্থলেই ৭ জন মারা যান, পরে হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। বিস্ফোরণে পুরো চায়ের দোকানটি এবং আশপাশের প্রায় ডজনখানেক বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

একজন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি বলেন,“বিস্ফোরণের শব্দ কান ফাটিয়ে দেওয়ার মতো ছিল। বিমান উড়ে যাওয়ার শব্দ শুনেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলাম। মাথার ওপর আগুনের গোলা দেখেছিলাম… ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছি।”

এ ঘটনায় জান্তার মুখপাত্রকে ফোনে পাওয়া যায়নি। এদিকে শনিবার নিহতদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।