দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছেন, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। সোমবার তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে তেহরানে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ ১৬ দিনে গড়িয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিলে কঠোর দমন অভিযান শুরু করে ইরান সরকার। অতীতেও ২০০৯ ও ২০১৯ সালে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বড় ধরনের গণঅস্থিরতা দমন করেছে তেহরান—উল্লেখ করেছে গার্ডিয়ান।
ইন্টারনেট বন্ধ থাকলেও সীমিত ভিডিও ও বার্তায় বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত মিলছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা ব্যাপকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে আল জাজিরাকে আরাঘচি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে শিগগিরই ইন্টারনেট চালু করা হবে।
পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিমা শক্তি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংস করে সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির চেষ্টা করছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধেও উসকানির অভিযোগ তুলেছে।






























