২১ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুম্বইয়ে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় মৃত বেড়ে ১৪, জারি তল্লাশি

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মুম্বইয়ে লঞ্চডুবির ঘটনায় মৃত বেড়ে ১৪। নিখোঁজদের সন্ধানে জারি তল্লাশি  অভিযান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়। নিখোঁজ বছর ৭-এর আরও এক শিশু। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বুধবার এলিফ্যান্টা গুহায় ভ্রমণে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয় নীলকমল নামে ওই লঞ্চটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নৌসেনার একটি স্পিডবোট ধাক্কা মারে। সেই ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে যায়। উক্ত সময়ে ১১৩ জনকে বহন করছিল লঞ্চটি। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে ৯৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয় দুর্ঘটনার পরপরই। বাকি কয়েকজন নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৪ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজ সাত বছরের এক শিশু। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় মুম্বাই পুলিশের প্রশ্নের মুখে পড়েছে নৌসেনা।  তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কেন ব্যস্ত সময়ে স্পিডবোট পরীক্ষামূলক ভাবে চালানো হচ্ছিল। স্পিডবোট চালানোর অনুমতি কে দিয়েছিল নৌসেনাকে?

 

 

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

মার্কিন হামলার হুমকি, ইরান সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের ঘোষণা তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুম্বইয়ে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় মৃত বেড়ে ১৪, জারি তল্লাশি

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৪, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মুম্বইয়ে লঞ্চডুবির ঘটনায় মৃত বেড়ে ১৪। নিখোঁজদের সন্ধানে জারি তল্লাশি  অভিযান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়। নিখোঁজ বছর ৭-এর আরও এক শিশু। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বুধবার এলিফ্যান্টা গুহায় ভ্রমণে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয় নীলকমল নামে ওই লঞ্চটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নৌসেনার একটি স্পিডবোট ধাক্কা মারে। সেই ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে যায়। উক্ত সময়ে ১১৩ জনকে বহন করছিল লঞ্চটি। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে ৯৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয় দুর্ঘটনার পরপরই। বাকি কয়েকজন নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৪ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজ সাত বছরের এক শিশু। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় মুম্বাই পুলিশের প্রশ্নের মুখে পড়েছে নৌসেনা।  তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কেন ব্যস্ত সময়ে স্পিডবোট পরীক্ষামূলক ভাবে চালানো হচ্ছিল। স্পিডবোট চালানোর অনুমতি কে দিয়েছিল নৌসেনাকে?