০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোন যুক্তিতে বিলকিস বানোর ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়া হয়?  তথ্য পেশ করতে নারাজ গুজরাত সরকার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বিলকিস বানো গণধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত ১১ জন  দোষীদের মুক্তি দিয়েছে গুজরাত  সরকার।  মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই সু-ব্যবহারের কারণ দেখিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। যদিও বা সেই ‘সুআচারের’ খতিয়ান পেশ করতে নারাজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্য।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট ১১ জন অপরাধীকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের মুক্তির পর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ তাদের নায়কোচিত সম্মানে ভূষিত করে। ফুল এবং মিষ্টি বিতরণ করে ১১ জন অপরাধীকে বরণ করা হয়। এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে।

এই পরিস্থিতিতে কী কী মানদণ্ড বিবেচনা করে ওই ১১ অপরাধীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তথ্যের অধিকার আইনে তা জানতে চেয়েছিলেন পঙ্কটি। কিন্তু মুক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্যানেলের বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে তথ্য দিতে চায়নি গুজরাত সরকার।

 

২০০২-র ফেব্রুয়ারিতে গুজরাট হিংসার সময় গণধর্ষিতা হন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ২১ বছরের বিলকিস বানো। তাঁর তিন বছরের মেয়েকে আছড় মেরে হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয়, খুন হয়েছিলেন বিলকিসের পরিবারের আরও ৭ জন। সেই ঘটনায় ২০০৮-এ অভিযুক্ত ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। চলতি বছরের ১৫ অগাস্ট দেশের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তি দেওয়া হলে এই নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে।

 

আরও পড়ুন: 23 Years of Modi: মোদির ২৩-বর্ষপূর্তিতে বিজ্ঞাপনবাবদ খরচ কত? জানাল বিবিসি গুজরাত

আরও পড়ুন: তথ্য গোপন করা এবং জালিয়াতির অভিযোগ উঠল ত্রিপুরার শ্রমমন্ত্রীর বিরুদ্ধে  
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সব মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, নিখুঁতভাবে টার্গেটে হামলা করছে ইরান: প্রাক্তন মার্কিন সেনা কর্নেল

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কোন যুক্তিতে বিলকিস বানোর ধর্ষকদের মুক্তি দেওয়া হয়?  তথ্য পেশ করতে নারাজ গুজরাত সরকার

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বিলকিস বানো গণধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত ১১ জন  দোষীদের মুক্তি দিয়েছে গুজরাত  সরকার।  মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই সু-ব্যবহারের কারণ দেখিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। যদিও বা সেই ‘সুআচারের’ খতিয়ান পেশ করতে নারাজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্য।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট ১১ জন অপরাধীকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের মুক্তির পর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ তাদের নায়কোচিত সম্মানে ভূষিত করে। ফুল এবং মিষ্টি বিতরণ করে ১১ জন অপরাধীকে বরণ করা হয়। এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে।

এই পরিস্থিতিতে কী কী মানদণ্ড বিবেচনা করে ওই ১১ অপরাধীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তথ্যের অধিকার আইনে তা জানতে চেয়েছিলেন পঙ্কটি। কিন্তু মুক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্যানেলের বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে তথ্য দিতে চায়নি গুজরাত সরকার।

 

২০০২-র ফেব্রুয়ারিতে গুজরাট হিংসার সময় গণধর্ষিতা হন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ২১ বছরের বিলকিস বানো। তাঁর তিন বছরের মেয়েকে আছড় মেরে হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয়, খুন হয়েছিলেন বিলকিসের পরিবারের আরও ৭ জন। সেই ঘটনায় ২০০৮-এ অভিযুক্ত ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। চলতি বছরের ১৫ অগাস্ট দেশের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তি দেওয়া হলে এই নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে।

 

আরও পড়ুন: 23 Years of Modi: মোদির ২৩-বর্ষপূর্তিতে বিজ্ঞাপনবাবদ খরচ কত? জানাল বিবিসি গুজরাত

আরও পড়ুন: তথ্য গোপন করা এবং জালিয়াতির অভিযোগ উঠল ত্রিপুরার শ্রমমন্ত্রীর বিরুদ্ধে