০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমি ডবল ইঞ্জিন সরকার নই, আমাদের সরকার মানুষের সরকার: সিঙ্গুরের সভায় মুখ্যমন্ত্রী

পুবের কলম, সিঙ্গুর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার ঠিক দশ দিন পর, দীর্ঘ চার বছর ব্যবধানে সিঙ্গুরের মাটিতে পা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সিঙ্গুরের প্রশাসনিক সভা থেকে তিনি যেমন আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন, তেমনই কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় সরকারকে। একইসঙ্গে সিঙ্গুরের জন্য একগুচ্ছ শিল্প প্রকল্পের ঘোষণাও করেন তিনি।

সভার শুরুতেই আন্দোলনের দিনগুলির কথা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিঙ্গুর আমার ফেভারিট জায়গা। এই মাটি আঁকড়ে আমি পড়ে থেকেছি, ২৬ দিন অনশন করেছি।” সিঙ্গুরের আন্দোলনের ইতিহাস যে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা তিনি এদিন পুনরায় স্পষ্ট করে দেন।

আরও পড়ুন: নজির গড়তে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা—এসআইআর মামলার শুনানিতে নিজে হাজিরা দিতে পারেন সুপ্রিম কোর্টে

এদিনের সভা থেকে ডিভিসি-র ছাড়া জলে প্লাবন ও কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ঘাটালে বন্যা হলেই আমি ছুটে গিয়েছি। ১০ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখেছি ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে, কিন্তু কোনো উত্তর মেলেনি।” এরপরই তিনি ঘোষণা করেন যে, কেন্দ্রের সাহায্যের আশায় বসে না থেকে রাজ্য সরকার নিজেই দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৩০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক, ‘এমন কমিশন দেখিনি’ বেরিয়ে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজেপির ‘ডবল ইঞ্জিন’ তত্ত্বকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি ডবল ইঞ্জিন সরকার নই, আমাদের সরকার মানুষের সরকার। আমরা যতদিন থাকব, কন্যাশ্রী থেকে শুরু করে সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সচল থাকবে।” এদিনের এই সভার মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী সিঙ্গুরবাসীকে এই বার্তাই দিতে চাইলেন যে, কৃষি আন্দোলনের সূতিকাগার এই সিঙ্গুর অদূর ভবিষ্যতে উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে।

আরও পড়ুন: এসআইআর-এর প্রতিবাদ: ফেব্রুয়ারি নাগাদ দিল্লি যেতে পারেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

ওমানের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের: ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চলবে সাফ জানাল তেহরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আমি ডবল ইঞ্জিন সরকার নই, আমাদের সরকার মানুষের সরকার: সিঙ্গুরের সভায় মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার

পুবের কলম, সিঙ্গুর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার ঠিক দশ দিন পর, দীর্ঘ চার বছর ব্যবধানে সিঙ্গুরের মাটিতে পা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সিঙ্গুরের প্রশাসনিক সভা থেকে তিনি যেমন আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন, তেমনই কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় সরকারকে। একইসঙ্গে সিঙ্গুরের জন্য একগুচ্ছ শিল্প প্রকল্পের ঘোষণাও করেন তিনি।

সভার শুরুতেই আন্দোলনের দিনগুলির কথা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিঙ্গুর আমার ফেভারিট জায়গা। এই মাটি আঁকড়ে আমি পড়ে থেকেছি, ২৬ দিন অনশন করেছি।” সিঙ্গুরের আন্দোলনের ইতিহাস যে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা তিনি এদিন পুনরায় স্পষ্ট করে দেন।

আরও পড়ুন: নজির গড়তে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা—এসআইআর মামলার শুনানিতে নিজে হাজিরা দিতে পারেন সুপ্রিম কোর্টে

এদিনের সভা থেকে ডিভিসি-র ছাড়া জলে প্লাবন ও কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ঘাটালে বন্যা হলেই আমি ছুটে গিয়েছি। ১০ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখেছি ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে, কিন্তু কোনো উত্তর মেলেনি।” এরপরই তিনি ঘোষণা করেন যে, কেন্দ্রের সাহায্যের আশায় বসে না থেকে রাজ্য সরকার নিজেই দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ৩০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক, ‘এমন কমিশন দেখিনি’ বেরিয়ে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজেপির ‘ডবল ইঞ্জিন’ তত্ত্বকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি ডবল ইঞ্জিন সরকার নই, আমাদের সরকার মানুষের সরকার। আমরা যতদিন থাকব, কন্যাশ্রী থেকে শুরু করে সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সচল থাকবে।” এদিনের এই সভার মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী সিঙ্গুরবাসীকে এই বার্তাই দিতে চাইলেন যে, কৃষি আন্দোলনের সূতিকাগার এই সিঙ্গুর অদূর ভবিষ্যতে উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে।

আরও পড়ুন: এসআইআর-এর প্রতিবাদ: ফেব্রুয়ারি নাগাদ দিল্লি যেতে পারেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী