০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কংগ্রেস নেতার দুই জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম! পবন খেরাকে নোটিস কমিশনের

 

বিহারে ভোটাধিকার যাত্রায় দাঁড়িয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, দেশে ‘ভোট চুরি’ হচ্ছে। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি পালটা আক্রমণ শানায়। দলের আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেন, “যাঁরা ভোট চুরির অভিযোগ করছেন, তারাই আসলে ভোট চুরি করছেন।” তিনি কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরার নাম উল্লেখ করে অভিযোগ তোলেন, খেরার নামে দিল্লির ভোটার তালিকায় দুটি আলাদা জায়গায় নাম রয়েছে। এমনকি দুটি ভোটার কার্ডের ছবিও প্রকাশ করেন মালব্য।
এই অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশন পবন খেরাকে নোটিস পাঠিয়ে কারণ দর্শাতে বলেছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী একাধিক ভোটার কার্ড রাখা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর জন্য এক বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। কেন তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে না, তা স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে খেরাকে।
প্রতিক্রিয়ায় কংগ্রেস নেতা জানান, তিনি ২০১৬ সালে নয়াদিল্লি নির্বাচনী এলাকা থেকে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলার যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিলেন। অসঙ্গতির জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

করাচির পর লাহোরেও মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কংগ্রেস নেতার দুই জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম! পবন খেরাকে নোটিস কমিশনের

আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বুধবার

 

বিহারে ভোটাধিকার যাত্রায় দাঁড়িয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, দেশে ‘ভোট চুরি’ হচ্ছে। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি পালটা আক্রমণ শানায়। দলের আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেন, “যাঁরা ভোট চুরির অভিযোগ করছেন, তারাই আসলে ভোট চুরি করছেন।” তিনি কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরার নাম উল্লেখ করে অভিযোগ তোলেন, খেরার নামে দিল্লির ভোটার তালিকায় দুটি আলাদা জায়গায় নাম রয়েছে। এমনকি দুটি ভোটার কার্ডের ছবিও প্রকাশ করেন মালব্য।
এই অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশন পবন খেরাকে নোটিস পাঠিয়ে কারণ দর্শাতে বলেছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী একাধিক ভোটার কার্ড রাখা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর জন্য এক বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। কেন তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে না, তা স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে খেরাকে।
প্রতিক্রিয়ায় কংগ্রেস নেতা জানান, তিনি ২০১৬ সালে নয়াদিল্লি নির্বাচনী এলাকা থেকে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলার যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছিলেন। অসঙ্গতির জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী।