১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডি কে শিবকুমার মামলায় সিবিআই তদন্তের উপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন খারিজ: সুপ্রিম কোর্ট

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : ডি কে শিবকুমারের মামলায় সিবিআই তদন্তের উপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে রাজি নয়, জানালো সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার পর্যবেক্ষণে শীর্ষ আদালত বলে, ‘লোকটি কোথাও পালিয়ে যাচ্ছেন না’। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু সিবিআইয়ের পক্ষে এই মামলায় ৯০ শতাংশ তদন্ত শেষ হয়েছে বলে স্থগিতাদেশের আর্জি জানান। তিনি দাবি করেছেন যে হলফনামায় দেওয়া একটি “মিথ্যা” বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। শীর্ষ আদালত সোমবার স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করে দেয়।
বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চ মামলার পর্যবেক্ষণে এই রায় দেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৭ নভেম্বর এই মামলাটি বিবেচনার জন্য রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আর্থিক তছরূপ মামলায় অভিযুক্ত কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা, উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। ২০১৮ সালের একটি আর্থিক তছরূপের মামলায় শিবকুমারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করে ইডি। পরে ইডি-র রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই ২০২০ সালে সিবিআই শিবকুমারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। সেই মামলাটি আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির মামলা।

ইডি-র বক্তব্য ছিল পরপর দু’বার মন্ত্রী থাকাকালীন কংগ্রেস নেতা শিবকুমারের সম্পত্তি বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। শিবকুমার সে সময় নগরোন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ দফতরের মন্ত্রী ছিলেন। প্রকল্পগুলিও ওই দু’টি দফতরের। পরে সিবিআই দাবি করে, শিবকুমারের সম্পদ রয়েছে ৭৪.৯৩ কোটি টাকা। ২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত, যখন তিনি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন কর্নাটক সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রী ছিলেন, তখন আয়ের সঙ্গে সম্পত্তির কোনও সামঞ্জস্য নেই। ২০১৭ সালে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত ৭০টি ক্ষেত্রে আয়কর অনুসন্ধানের পরে সিবিআই ২০২০ সালে ডি কে শিবকুমারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

রাহুলের ফোনেও আটকানো গেল না! আসামে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কংগ্রেস নেতা ভুপেন বোরা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ডি কে শিবকুমার মামলায় সিবিআই তদন্তের উপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন খারিজ: সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৩, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : ডি কে শিবকুমারের মামলায় সিবিআই তদন্তের উপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে রাজি নয়, জানালো সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার পর্যবেক্ষণে শীর্ষ আদালত বলে, ‘লোকটি কোথাও পালিয়ে যাচ্ছেন না’। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু সিবিআইয়ের পক্ষে এই মামলায় ৯০ শতাংশ তদন্ত শেষ হয়েছে বলে স্থগিতাদেশের আর্জি জানান। তিনি দাবি করেছেন যে হলফনামায় দেওয়া একটি “মিথ্যা” বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। শীর্ষ আদালত সোমবার স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করে দেয়।
বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চ মামলার পর্যবেক্ষণে এই রায় দেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৭ নভেম্বর এই মামলাটি বিবেচনার জন্য রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আর্থিক তছরূপ মামলায় অভিযুক্ত কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা, উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। ২০১৮ সালের একটি আর্থিক তছরূপের মামলায় শিবকুমারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করে ইডি। পরে ইডি-র রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই ২০২০ সালে সিবিআই শিবকুমারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। সেই মামলাটি আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির মামলা।

ইডি-র বক্তব্য ছিল পরপর দু’বার মন্ত্রী থাকাকালীন কংগ্রেস নেতা শিবকুমারের সম্পত্তি বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। শিবকুমার সে সময় নগরোন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ দফতরের মন্ত্রী ছিলেন। প্রকল্পগুলিও ওই দু’টি দফতরের। পরে সিবিআই দাবি করে, শিবকুমারের সম্পদ রয়েছে ৭৪.৯৩ কোটি টাকা। ২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত, যখন তিনি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন কর্নাটক সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রী ছিলেন, তখন আয়ের সঙ্গে সম্পত্তির কোনও সামঞ্জস্য নেই। ২০১৭ সালে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত ৭০টি ক্ষেত্রে আয়কর অনুসন্ধানের পরে সিবিআই ২০২০ সালে ডি কে শিবকুমারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে।