পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাশাপাশি আলোচনায় উঠে আসে অনলাইনে আলোচিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রসঙ্গ। দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়া এই উদ্যোগের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধির কারণ নিয়ে জোটের নেতাদের মধ্যে বিস্তর মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে কয়েকজন নেতা মনে করেন, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতি সমর্থন বৃদ্ধির পেছনে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ ও ক্ষোভের প্রতিফলন রয়েছে। শিবসেনা (উদ্ধব) নেতা উদ্ধব ঠাকরে বলেন, যদি একটি অনলাইনভিত্তিক আন্দোলন এত মানুষের সমর্থন অর্জন করতে পারে, তাহলে বিরোধী দলগুলিরও নিজেদের ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনা করা প্রয়োজন।

তাঁর মতে, শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছর মানুষের পাশে থেকে আন্দোলন ও জনসংযোগ জোরদার করতে হবে।

ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ও জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা বলেন, ককরোচ জনতা পার্টির উত্থানকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা বোঝার চেষ্টা করা দরকার। সিপিআই(এমএল) নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্যও এই বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানান।

সিপিআই(এম)-এর জন ব্রিটাসের মতে, এটি মূলত জনঅসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ।

এদিকে বৈঠকে নিট-ইউজি ও সিবিএসই পরীক্ষার অনিয়ম, মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। পাশাপাশি ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি পাঠানোর বিষয়েও ঐকমত্য তৈরি হয়। বৈঠকে বিরোধী ঐক্য আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয় এবং আগামী বৈঠক হায়দরাবাদে আয়োজনের প্রস্তাব গৃহীত হয়।